PIB Headquarters
azadi ka amrit mahotsav

ভারত–ওমান সামগ্রিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA)

प्रविष्टि तिथि: 10 JAN 2026 2:52PM by PIB Kolkata

১০ জানুয়ারি, 2026

 

মূল বিষয়সমূহ

* ভারত–ওমান সিইপিএ পণ্য ও পরিষেবা ক্ষেত্রে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পেশাগত আদান-প্রদান এবং নিয়ন্ত্রণ, এই সব ক্ষেত্রগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিস্তৃত কাঠামো প্রদান করেছে।

* ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০.৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারত–ওমান অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান পরিসরকে তুলে ধরে।

* এই চুক্তির ফলে, ওমানে ভারতের রপ্তানির ৯৮.০৮% শুল্ক লাইনে ১০০% শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুনিশ্চিত হয়েছে, যা মোট রপ্তানিমূল্যের ৯৯.৩৮% এবং প্রথম দিন থেকেই কার্যকরী হয়েছে।

* এই চুক্তির মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, ওষুধ, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সামুদ্রিক পণ্য, বস্ত্র, রাসায়নিক, ইলেকট্রনিক্স, প্লাস্টিক এবং রত্ন ও অলঙ্কার-সহ বহু ক্ষেত্রে নতুন রপ্তানির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

* একটি পরিমিত ও ভারসাম্যপূর্ণ উদারীকরণ নীতি যা সংবেদনশীল ক্ষেত্রগুলিকে সুরক্ষা দেবে এবং একই সঙ্গে এমএসএমই ও আঞ্চলিক রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

ভূমিকা

ভারত–ওমান সমগ্র অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) পণ্য ও পরিষেবা ক্ষেত্রে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পেশাগত আদান-প্রদান এবং নিয়ন্ত্রণকে একক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে এসেছে। এটি শুধু শুল্ক হ্রাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংহতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শ্রমনির্ভর ক্ষেত্রের বিকাশে সহায়তা করাই এর মূল লক্ষ্য, একই সঙ্গে দেশের স্বার্থ ও সুরক্ষাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভারত–ওমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক

২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত ও ওমানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০.৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

* ভারতে থেকে ওমানে রপ্তানি: ৪.০৬ বিলিয়ন ডলার
* ওমান থেকে ভারতে আমদানি: ৬.৫৫ বিলিয়ন ডলার

পরিষেবা ক্ষেত্র ধারাবাহিক বৃদ্ধি হয়েছে, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিকম, পরিবহণ ও ভ্রমণ পরিষেবায়। এই বিস্তৃত ও বহুমুখী সম্পর্কই সিইপিএ চুক্তির ভিত্তি তৈরি করে।

পণ্য বাজারে প্রবেশাধিকার

সিইপিএর অধীনে ভারত ওমানে ৯৮.০৮% শুল্ক লাইনে ১০০% শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছে, যা রপ্তানিমূল্যের ৯৯.৩৮% কভার করবে এবং এটি প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। আগে অনেক পণ্যে ৫% পর্যন্ত শুল্ক ছিল, ফলে প্রায় ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি এখন আরও সহজ হয়ে উঠবে। এতে ওমানের ২৮ বিলিয়ন ডলারের আমদানি বাজারে ভারতের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে।

ভারতের প্রস্তাব ও সুরক্ষা ব্যবস্থা

ভারত মোট শুল্ক লাইনের ৭৭.৭৯% ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে, যা ওমান থেকে আমদানির ৯৪.৮১% কভার করে। তবে, কৃষি, বস্ত্র, পেট্রোলিয়াম, দুগ্ধজাত পণ্য, ভোজ্যতেল ও সংবেদনশীল শিল্প ক্ষেত্রকে রক্ষার জন্য একটি ‘বর্জন তালিকা’ রাখা হয়েছে। এর ফলে উদারীকরণ ও ঘরোয়া সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।

ক্ষেত্রভিত্তিক প্রভাব

ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য

সব ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য শুল্কমুক্ত হয়েছে। ২০২৪–২৫ সালে যেখানে রপ্তানি ছিল ৮৭৫.৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০৩০ সালের মধ্যে তা ১.৩–১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। বিশেষ করে ইস্পাত ও যন্ত্রাংশ ক্ষেত্রে এমএসএমইগুলি উপকৃত হবে।

ওষুধ শিল্প

ওষুধ, টিকা ও এপিআই শুল্কমুক্ত হয়েছে। দ্রুত অনুমোদন (৯০–২৭০ দিন) ও জিএমপি সার্টিফিকেট দ্বারা স্বীকৃতি প্রদানের ফলে খরচ ও সময় কমবে।

সামুদ্রিক পণ্য

মাছ ও চিংড়ি সহ সব সামুদ্রিক পণ্য শুল্কমুক্ত হয়েছে। এতে উপকূলীয় অঞ্চলে কর্মসংস্থান বাড়বে।

কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্য 

চাল, কলা, আলু, বিস্কুট, মাখন, মধু ও মশলাজাত পণ্যের রপ্তানি আরও বাড়বে। দুগ্ধজাত পণ্য ও ভোজ্যতেলের মতো সংবেদনশীল পণ্যগুলিকে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স বা বৈদ্যুতিন

বেশিরভাগ পণ্য আগেই শুল্কমুক্ত ছিল, এখন বাকি কয়েকটি পণ্যও শুল্কমুক্ত হয়েছে, ফলে রপ্তানিতে নিশ্চয়তা বাড়বে।

রাসায়নিক

অনেক রাসায়নিক পণ্য শুল্কমুক্ত হয়েছে এবং কিছুতে ৫% পর্যন্ত ছাড় মিলেছে, যা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াবে ও সবুজ জ্বালানি উদ্যোগে সহায়ক হবে।

বস্ত্র

আগের ৫% শুল্ক তুলে দিয়ে শুল্কমুক্ত করা হয়েছে। এতে পোশাক, জুট ও রেশমজাত পণ্যের রপ্তানি সহজতর হবে।

প্লাস্টিক

সব প্লাস্টিকযত পণ্য শুল্কমুক্ত হয়েছে, যা এমএসএমই-নির্ভর এই ক্ষেত্রকে বড় সুবিধা দেবে।

রত্ন ও অলঙ্কার

সব পণ্য শুল্কমুক্ত হওয়ায় আগামী তিন বছরে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের রপ্তানি বাড়তে পারে।

পরিষেবা, বিনিয়োগ ও পেশাগত আদান-প্রদান 

২০২৪ সালে পরিষেবা সংক্রান্ত বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৮৬৩ মিলিয়ন ডলার। ওমান ১২৭-টি পরিষেবা ক্ষেত্র ভারতের জন্য উন্মুক্ত করেছে।

* আইসিটি কর্মীর সর্বাধিক সীমা ২০% থেকে ৫০% করা হয়েছে।
* প্রায় ৬,০০০ যৌথ উদ্যোগে সুবিধা পাওয়া যাবে।
* বড় পরিষেবা ক্ষেত্রে ১০০% এফডিআই এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
* ভবিষ্যতে সামাজিক সুরক্ষা চুক্তি নিয়েও আলোচনা করা হবে।

পরিষেবা ক্ষেত্রে অন্যান্য লাভ

স্বাস্থ্য ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার বিশেষ সংযোজন, উৎপাদন ক্ষেত্রে শ্রমিক আদান প্রদানের নতুন বিধান এবং ভবিষ্যতে সামাজিক সুরক্ষা চুক্তির উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য।

রাজ্য ও অঞ্চলভিত্তিক লাভ

বস্ত্র, চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সামুদ্রিক পণ্য ও অলঙ্কার শিল্পে কর্মসংস্থান বাড়বে, বিশেষ করে এমএসএমই ক্ষেত্রগুলিতে।

নিয়ন্ত্রণমূলক সহযোগিতা

টিবিটি ও এসপিএস সংক্রান্ত অধ্যায় আন্তর্জাতিক মান, স্বচ্ছতা ও সার্টিফিকেটের পারস্পরিক স্বীকৃতি সুনিশ্চিত করেছে। ওষুধ ও জৈব পণ্যে দ্রুত অনুমোদনের সুবিধা পাওয়া যাবে।

উপসংহার

ভারত–ওমান সিইপিএ একটি ভারসাম্যপূর্ণ কিন্তু উন্নয়নমূলক কাঠামো, যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করবে, পাশাপাশি, সংবেদনশীল ক্ষেত্রের সুরক্ষাও সুনিশ্চিত করবে। এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে।

তথ্যসূত্র

Ministry of Commerce & Industry
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2205889&reg=3&lang=2

Ministry of External Affairs

https://www.mea.gov.in/bilateral-documents.htm?dtl/40518/India++Oman+Joint+Statement+during+the+visit+of+Prime+Minister+of+India+Shri+Narendra+Modi+to+Oman+December+1718+2025
file:///C:/Users/HP/Downloads/India-Oman%20Final%20ppt%2019%20Dec%20rev.pdf

Click here to see pdf

*****

SSS/PK


(रिलीज़ आईडी: 2213615) आगंतुक पटल : 4
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , Tamil