PIB Headquarters
রপ্তানি উন্নয়ন মিশন: ভারতের রপ্তানি প্রতিযোগিতাকে আরও জোরালো করার এক সমন্বিত রূপরেখা
प्रविष्टि तिथि:
06 DEC 2025 10:02AM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
মূল বিষয়
সরকার বিশেষত এমএসএমই এবং শ্রম-নিবিড় ক্ষেত্রগুলিতে রপ্তানি বাড়ানোর জন্য ২৫,০৬০ কোটি টাকার রপ্তানি উন্নয়ন মিশনের অনুমোদন দিয়েছে।
দ্রুত ও স্বচ্ছ বিতরণের জন্য ডিজিএফটি-র মাধ্যমে সমন্বিত, ডিজিটাল চালিত কাঠামো একাধিক রপ্তানি সহায়তা প্রকল্পকে প্রতিস্থাপিত করছে।
নির্যাত প্রোৎসাহন এবং নির্যাত দিশা রপ্তানিকারীদের সমন্বিত আর্থিক এবং বাজার-প্রস্তুতি সহায়তা প্রদান করবে।
২০,০০০ কোটির ঋণ গ্যারান্টি এবং আরবিআই-এর ত্রাণ ব্যবস্থা বাড়াবে এবং রপ্তানি ঋণের চাপ কমাবে।
ব্যাপক-আকারের, অন্তর্ভুক্তিমূলক রপ্তানি বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ট্যারিফ-এর দ্বারা প্রভাবিত ক্ষেত্রগুলিতে এবং ঐতিহ্যবাহী নয় এমন জেলাগুলি থেকে রপ্তানির উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
সূচনা
ভারতের সঙ্গে রপ্তানিমূলক দেশগুলির অর্থনৈতিক কৌশলের মূল ভিত্তি, যেটি কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও পরিষেবা বৃদ্ধিতে এবং ভারতীয় সংস্থাগুলিকে আন্তর্জাতিক মূল্য শৃঙ্খলে যুক্ত করতে সাহায্য করে। এই রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে, বিশেষত এমএসএমই, নতুন রপ্তানিকারক এবং শ্রম-নিবিড় ক্ষেত্রগুলির জন্য সরকার রপ্তানি উন্নয়ন মিশনের অনুমোদন দিয়েছে। এটি ২০২৫-২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষিত একটি বড় কাঠামোগত সংস্কার, যেখানে একাধিক ছোট ছোট রপ্তানি সহায়তা উদ্যোগকে একক, ডিজিটাল এবং ফলাফল-ভিত্তিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০২৫-২৬ থেকে ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষের জন্য ২৫,০৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা এই মিশনের লক্ষ্য ভারতের রপ্তানি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, সাশ্রয়ী মূল্যে বাণিজ্য অর্থায়ন সহজলভ্য করা এবং সকল ক্ষেত্র ও অঞ্চলে বিশ্ব বাজারের প্রস্তুতি ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা।
মিশন কেন?
নীতিগত যুক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সুদের সমতা, বাজারে প্রবেশের উদ্যোগ, রপ্তানি উৎসাহ প্রকল্প এবং পরিকাঠামোগত সহায়তার মত বিভিন্ন লক্ষ্যযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের রপ্তানি ব্যবস্থাকে সমর্থন করা হয়েছে। এই নতুন মিশনটি সেই পূর্বের প্রয়াসগুলির ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে। রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে, যেমন: কম খরচে বাণিজ্য অর্থায়ন সহজলভ্য করা, আন্তর্জাতিক রপ্তানি মানগুলির সঙ্গে সম্মতি নিশ্চিত করতে সাহায্য করা, সমন্বিত রপ্তানি ব্র্যান্ডিং এবং বাজারে প্রবেশে সহায়তা করা, এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও কম রপ্তানি-যুক্ত অঞ্চলগুলির ব্যবসায়ীদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অসুবিধা দূর করা।
সাম্প্রতিক রপ্তানি প্রবণতা দেখায় যে পণ্য এবং পরিষেবা উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা এবং বাজার-প্রস্তুতি জোরদার করার জন্য একটি আরও সুসংগঠিত এবং ডিজিটাল-ভিত্তিক সহায়তা কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।
একাধিক প্রকল্পকে একটি একক, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত এবং ফলাফল-ভিত্তিক কাঠামোর মধ্যে একত্রিত করে, এই রপ্তানি উন্নয়ন বিষয়ক মিশনের লক্ষ্য ভারতীয় রপ্তানিকারকদের আরও সরলীকৃত এবং কার্যকর সহায়তা দেওয়া। এটি এমন একটি সমন্বিত, নমনীয় ও দ্রুত সাড়াদায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, যা পরিবর্তিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতির সঙ্গে সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে।
কাঠামো, পরিচালনা এবং অর্থায়ন
রপ্তানি উন্নয়ন মিশন মোট ছয় বছর ধরে চলবে এবং ২০২৫-২৬ থেকে ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষের জন্য এর মোট খরচ ধরা হয়েছে ২৫,০৬০ কোটি টাকা। বাণিজ্য বিভাগ, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রক, রপ্তানি উন্নয়ন পরিষদ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং রাজ্য সরকার-সহ বিভিন্ন সংস্থা মিলে এই মিশনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করেছে। ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড হবে এটি কার্যকর করার প্রধান সংস্থা, যারা আবেদন থেকে শুরু করে অনুমোদন এবং অর্থ বিতরণ পর্যন্ত সমস্ত কাজের জন্য একটি বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবে। এই মিশনটি বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সহযোগিতা, রাজ্যগুলির অংশীদারিত্ব এবং তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত নজরদারির ওপর বিশেষভাবে জোর দেবে।
দুটি সমন্বিত উপপ্রকল্প: নির্যাত প্রোৎসাহন ও নির্যাত দিশা
রপ্তানি উন্নয়ন মিশন দুটি সমন্বিত উপপ্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে, যা আর্থিক এবং অ-আর্থিক উভয় চাহিদার সমাধান করে:
নির্যাত প্রোৎসাহন (আর্থিক সহায়তা): এই প্রকল্পটি এমএসএমই রপ্তানিকারকদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে বাণিজ্য অর্থায়ন নিশ্চিত করার উপর জোর দেয়। এর মধ্যে পাঠানোর আগে ও পরের ঋণের উপর সুদের ভর্তুকি, এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরিং, ই-কমার্স রপ্তানিকারকদের জন্য ক্রেডিট কার্ড এবং নতুন বা ঝুঁকিবহুল বাজারের জন্য ঋণ সহায়তা অন্তর্ভুক্ত।
নির্যাত দিশা (অ-আর্থিক সহায়তা): এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল, রপ্তানিকারকদের বাজারের প্রস্তুতি ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে রপ্তানি পণ্যের মান ও সম্মতি (পরীক্ষা, সার্টিফিকেশন), আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং, বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ, গুদামজাত করা এবং প্রত্যন্ত জেলার রপ্তানিকারকদের জন্য অভ্যন্তরীণ পরিবহণ খরচের মত সহায়তা প্রদান করা হবে।
ডিজিটাল বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণ
রপ্তানি উন্নয়ন মিশনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য- এর জন্য সৃষ্ট বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ডিজিএফটি আবেদন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে অনুমোদন এবং টাকা প্রদান পর্যন্ত সমস্ত কাজ সমন্বিতভাবে এবং কাগজবিহীন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করবে। এই ডিজিটাল ব্যবস্থাটি বর্তমান বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকবে, ফলে মিশনের সমস্ত পরিষেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে। এই মিশনটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। ডিজিটাল কাঠামোটি মিশনের সমস্ত কাজকে সমন্বিতভাবে কার্যকর করতে, ফলাফলের ভিত্তিতে সহায়তা দিতে এবং সময়মতো তদারকি করতে সাহায্য করবে, যা দক্ষতা, সকলের অংশগ্রহণ এবং রপ্তানির জন্য প্রস্তুতি নিশ্চিত করবে।
ক্ষেত্র ভিত্তিক এবং অঞ্চল-ভিত্তিক মনোনিবেশ
রপ্তানি উন্নয়ন মিশন বিশ্বজুড়ে শুল্ক বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হওয়া ক্ষেত্রগুলিকে, বিশেষত বস্ত্র, চর্ম, রত্ন ও গহনা, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং সামুদ্রিক পণ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। একইসঙ্গে এটি এমএসএমইগুলি, প্রথমবার রপ্তানিকারক এবং শ্রম-নিবিড় শিল্পকে স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রচার নিশ্চিত করেছে। নির্যাত দিশা উপপ্রকল্পের অধীনে, মনোযোগ দেওয়া হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ এবং কম রপ্তানি-যুক্ত জেলাগুলিতে, যেখানে অভ্যন্তরীণ পরিবহণ খরচ ফেরত, গুদাম ও ব্যবস্থাপনা সহায়তা, বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ এবং ব্র্যান্ডিং সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই প্রয়াসগুলির লক্ষ্য ভারতের রপ্তানিকে ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃত করা এবং বিশ্ব বাজারে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্প
রপ্তানি উন্নয়ন মিশনের পাশাপাশি, সরকার রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্প সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে, যার মাধ্যমে এমএসএমই-সহ যোগ্য রপ্তানিকারকদের জন্য ২০,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ঋণ সহায়তা প্রদান করা হবে। এই প্রকল্পটি এনসিজিটিসি-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যা সদস্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে ১০০% ক্রেডিট গ্যারান্টি অন্তর্ভুক্তি দেবে। এই প্রকল্পটি জামানতবিহীন ঋণ এবং অনুমোদিত এক্সপোর্ট ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সীমার অতিরিক্ত ২০% কার্যকরী মূলধন সরবরাহ করে শক্তিশালী করে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৈধ এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় রপ্তানিকারকদের নতুন বাজার অন্বেষণ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিয়ন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমর্থন (আরবিআই ব্যবস্থা)
বিশ্ব বাণিজ্য অস্থিরতার মধ্যে রপ্তানি ক্ষেত্রে চাপ কমাতে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের সহায়ক পদক্ষেপগুলি এই মিশনের কার্যকারিতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে আরবিআই 'বাণিজ্য ত্রাণ ব্যবস্থা সম্পর্কিত নির্দেশিকা, ২০২৫' জারি করেছে, যার লক্ষ্য ঋণ পরিশোধের চাপ হ্রাস করা এবং কার্যকর রপ্তানি-ভিত্তিক ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
আরবিআই ঘোষিত প্রধান ব্যবস্থাগুলি
১. ঋণ পরিশোধে স্থগিতাদেশ
নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলি ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে বকেয়া টার্ম-লোনের কিস্তি পরিশোধে স্থগিতাদেশ দিতে পারে এবং কার্যকরী মূলধনের সুদের মেয়াদ স্থগিত করতে পারে। এই স্থগিত সুদের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে নয়, সরল সুদে গণনা হবে এবং এটি 'ফান্ডেড ইন্টারেস্ট টার্ম লোন'-এ রূপান্তরিত হতে পারে, যেটি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিশোধযোগ্য।
২. রপ্তানি ঋণের সময়সীমা বৃদ্ধি: ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বিতরণ করা প্রি-শিপমেন্ট এবং পোস্ট-শিপমেন্ট রপ্তানি ঋণের অনুমোদিত সময়সীমা ৪৫০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও, ৩১ আগস্ট ২০২৫-এর আগে রপ্তানিকারকদের নেওয়া প্যাকিং ক্রেডিট সুবিধার ক্ষেত্রে, যেখানে পণ্য প্রেরণ সম্ভব হয়নি, সেখানে নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলি দেশীয় বিক্রয় বা বিকল্প রপ্তানি চুক্তির মাধ্যমে সেই ঋণ পরিশোধের অনুমতি দিতে পারে।
৩. কার্যকরী মূলধন ব্যবস্থাপনায় নমনীয়তা: মূলধন বজায় রাখার জন্য, নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলি মার্জিন হ্রাস করে বা কার্যকরী মূলধনের সীমা পুনরায় মূল্যায়ন করে ড্রয়িং পাওয়ার পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
৪. সম্পদ শ্রেণীবিভাগে নিয়ন্ত্রক শিথিলতা: স্থগিতাদেশ/পিছানোর সময়কালকে আইআরএসিপি নিয়ম অনুসারে 'মেয়াদ-অতিক্রান্ত দিন' গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। ত্রাণ প্রদানকে ঋণ পুনর্গঠন হিসাবে গণ্য করা হবে না, এবং ক্রেডিট ব্যুরোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ঋণগ্রহীতাদের ঝণ গ্রহণের ইতিহাসে কোনো প্রভাব না পড়ে।
৫. সংস্থান রাখার প্রয়োজনীয়তা: নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলিকে অবশ্যই যোগ্য ঋণগ্রহীতা অ্যাকাউন্টের জন্য কমপক্ষে ৫ শতাংশ সাধারণ সংস্থান রাখতে হবে, যেগুলি ৩১ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড ছিল এবং যাদের ত্রাণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
৬. ফেমার মাধ্যমে রপ্তানি আদায়ে শিথিলতা: বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার নিয়ম শিথিল করে রপ্তানি থেকে অর্থ আদায় ও দেশে ফিরিয়ে আনার সময়সীমা নয় মাস থেকে বাড়িয়ে ১৫ মাস এবং অগ্রিম পেমেন্টের বিপরীতে পণ্য পাঠানোর সময়সীমা এক বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে। এই নিয়ন্ত্রক এবং আর্থিক ক্ষেত্রগুলি বজায় রেখে শৃঙ্খলা রক্ষা করে রপ্তানিকারকদের জন্য সমন্বিত সহায়তা কাঠামো তৈরি করে।
প্রত্যাশিত ফলাফল এবং বৃহৎ অর্থনৈতিক সংযোগ
প্রতিযোগিতামূলক ও স্থিতিশীল রপ্তানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে, এই মিশনটি অর্থায়ন, গুণমান, বাজার প্রবেশাধিকার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা-সব মিলিয়ে সুনির্দিষ্ট ফলাফল দেবে। একটি সমন্বিত, প্রযুক্তি-নির্ভর কাঠামোর মাধ্যমে রপ্তানি উন্নয়ন মিশন নিম্নলিখিত প্রত্যাশিত ফল দেবে:
এমএসএমই-সংস্থাগুলির জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে বাণিজ্য ও অর্থায়ন বৃদ্ধি।
মান্যতা ও শংসাপত্র প্রদান সহায়তায় রপ্তানি-প্রস্তুতি বাড়ানো।
ভারতীয় পণ্যের বাজার প্রবেশাধিকার, ব্র্যান্ডিং ও দৃশ্যমানতা উন্নত করা।
অ-ঐতিহ্যবাহী জেলা ও ক্ষেত্রগুলি থেকে রপ্তানি বৃদ্ধি।
উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পরিষেবাতে কর্মসংস্থান করা।
এই ফলাফল আত্মনির্ভর ভারত এবং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জাতীয় লক্ষ্যগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ভারতকে বিশ্ব বাণিজ্যে একটি স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।
উপসংহার
রপ্তানি উন্নয়ন মিশন একটি সুসংহত, প্রযুক্তি-চালিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা, যেটি রপ্তানি ব্যবস্থার দিকে একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আর্থিক প্রণোদনা, ঋণ সুবিধা, ডিজিটাল পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রক নমনীয়তাকে একটি একক মিশন-মোড কাঠামোর মধ্যে একত্রিত করে সরকার ভারতের বিশ্ব বাণিজ্য প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। আরবিআই-এর ত্রাণ ব্যবস্থা এবং বর্ধিত ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের পাশাপাশি, এই মিশনটি কার্যকর হওয়ার ফলে, এটি রপ্তানি-নেতৃত্বাধীন বৃদ্ধির জন্য একটি সার্বিক সরকারি পদ্ধতির ওপর জোর দেয়। এর মাধ্যমে এমএসএমই-দের শক্তিশালী করা,বাজার বৈচিত্র্যময় করা এবং ভারতকে বিশ্ব বাণিজ্যে একটি স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসাবে স্থাপন করা সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র
Ministry of Commerce & Industry
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2189383
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2190829
Cabinethttps://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2189389&s=09
RBI
https://www.rbi.org.in/Scripts/NotificationUser.aspx?Id=12921&Mode=0
https://rbidocs.rbi.org.in/rdocs/content/pdfs/FEMA23(R)(7)13112025.pdf
See in PDF
*****
PS/Agt
(रिलीज़ आईडी: 2200215)
आगंतुक पटल : 34
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English