PIB Headquarters
শ্রম বিধি: সহজসাধ্য সম্মতি এবং শক্তিশালী শ্রমিক কল্যাণের মাধ্যমে ভারতের বস্ত্রক্ষেত্রে রূপান্তর
प्रविष्टि तिथि:
30 NOV 2025 12:04PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
মূল বিষয়বস্তু
নতুন শ্রম বিধিতে ২৯-টি আইনকে চারটি একীভূত বিধি রূপান্তর করা হয়েছে, যা বস্ত্র এমএসএমই-র সম্মতির বোঝা কমায় ও ব্যবসা সহজ করে।
দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি, ডিজিটাল নথি, একক রেজিস্ট্রেশন ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অনুমোদন, এসব ব্যবস্থা বস্ত্র ক্লাস্টারগুলিতে দক্ষতা বাড়ায়।
সংশোধিত সুরক্ষা মানদণ্ড, তৃতীয় পক্ষের অডিট এবং জাতীয় পর্যায়ের একক OSH মান কর্মস্থলের নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে এবং সর্বজনীন প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনে।
শ্রমিকদের জন্য সার্বজনীন ন্যূনতম মজুরি, ডবল ওভারটাইম, ESIC কভারেজ, অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার ও সশুল্ক বার্ষিক ছুটি, এসব অধিক সুরক্ষা দেওয়া হয়।
নারী শ্রমিকরা লিঙ্গ-নিরপেক্ষ নিয়োগ, নাইট শিফটের বিস্তৃত নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং সামাজিক সুরক্ষায় অধিকতর পরিবার-সংক্রান্ত কভারেজ পান।
স্থায়ী কর্মীদের সমান সুবিধাসহ নির্দিষ্ট মেয়াদী কর্মসংস্থান মৌসুমি বস্ত্র শ্রমিকদের জন্য অধিক স্থায়িত্ব আনে এবং নিয়োগদাতাদের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
ভূমিকা
ভারতের বস্ত্রক্ষেত্র দেশের প্রাচীনতম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্র, যা অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানিতে বড় ভূমিকা রাখে। জিডিপির ২.৩%, শিল্প উৎপাদনের ১৩% এবং মোট রপ্তানির ১২% আসে এই ক্ষেত্র থেকে। কৃষিক্ষেত্রের পর এটিই দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থানদাতা, যেখানে ৪.৫ কোটিরও বেশি মানুষ সরাসরি যুক্ত, এর মধ্যে বহু নারী ও গ্রামীণ শ্রমিক। শিল্পের প্রায় ৮০% এমএসএমই ক্লাস্টারের মাধ্যমে পরিচালিত, যা এই ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো প্রতিফলিত করে।
শ্রম আইনের অধীনে বস্ত্রক্ষেত্রের নিয়োগকর্তাদের জন্য সুবিধা
১. শ্রম আইনগুলির সংহতকরণ
২৯-টি বিদ্যমান শ্রম আইনকে চারটি সরলীকৃত কোডে একীভূত করা হয়েছে - মজুরি, শিল্প সম্পর্ক (IR), পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ (OSH), এবং সামাজিক নিরাপত্তা - এই দুটি ধারার পুনরাবৃত্তি এবং ওভারল্যাপিং বিধান দূর করে। এতে সংজ্ঞা, কর্তৃপক্ষ ও প্রক্রিয়াগুলি একীভূত হওয়ায় বিভ্রান্তি কমে ও সারা দেশে সম্মতি সহজ হয়।
২. স্ট্যান্ডিং অর্ডারের থ্রেশহোল্ড বৃদ্ধি (১০০ থেকে ৩০০ কর্মী)
১০০–৩০০ কর্মী পর্যন্ত ইউনিট এখন স্ট্যান্ডিং অর্ডারের আওতার বাইরে, ফলে ভারতের বৃহৎ অংশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্র ইউনিট সম্মতির চাপ থেকে মুক্তি পাবে।
৩. সহজীকৃত শিল্পবিরোধ নিষ্পত্তি
আগে সরকারি বিবেচনার ওপর নির্ভর করত বিরোধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো। এখন কোডের মাধ্যমে দ্রুত সমঝোতা ও কম মামলার প্রবণতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. একক রেজিস্ট্রেশন, কমন রিটার্ন ও সর্বভারতীয় লাইসেন্স
একটি রেজিস্ট্রেশন, একটি রিটার্ন ও পাঁচ-বছরের সর্বভারতীয় লাইসেন্স—সবই অনুমানভিত্তিক “অনুমোদন হিসেবে গণ্য” সহ—ব্যবসার পরিবেশকে আরও সহজ করে।
৫. সংশোধিত ফ্যাক্টরি লাইসেন্সিং থ্রেশহোল্ড ও নির্দিষ্ট সময়সীমা
বিদ্যুৎ-চালিত ইউনিটে ১০ থেকে ২০ কর্মী এবং অ-বিদ্যুৎ ইউনিটে ২০ থেকে ৪০ কর্মী পর্যন্ত লাইসেন্সিং বাধ্যতামূলক নয়—যা বহু ক্ষুদ্র টেক্সটাইল ইউনিটকে বিশেষ সুবিধা দেয়।
৬. জাতীয় মানদণ্ড ও কেন্দ্রীয় বোর্ড
অনেকগুলি বোর্ডের পরিবর্তে একক জাতীয় ত্রিপক্ষীয় বোর্ড জাতীয় OSH মানদণ্ডকে একীভূত করে।
৭. তৃতীয়-পক্ষ অডিট ও শংসাপত্রপ্রদান
স্টার্ট-আপ-সহ যে কোনও টেক্সটাইল ইউনিট এখন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নিরাপত্তা শংসাপত্রপ্রদান পেতে পারবে, যা ঐতিহ্যগত পরিদর্শনের ওপর নির্ভরতা কমায়।
৮. রেজিস্টার ও রেকর্ডের ডিজিটাইজেশন
কম সংখ্যক রেজিস্টার, ডিজিটাল নথি—এসব সম্মতিকে কাগজবিহীন, দ্রুত ও স্বচ্ছ করে।
৯. EPF তদন্তের সময়সীমা
EPF তদন্ত শুরু করার সর্বোচ্চ সময়সীমা পাঁচ বছর এবং সমাপ্তির সময়সীমা দু বছর (এক বছর বাড়ানো যায়)—ফলে পূর্বানুমানযোগ্যতা বাড়ে।
১০. EPFO আপিলের জমার পরিমাণ কমানো
আগের ৪০–৭০% থেকে কমিয়ে ২৫% করা হয়েছে, যা নিয়োগদাতাদের আর্থিক চাপ কমায়।
১১. স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুনরায় মামলা খোলা বাতিল
EPF & MP Act, 1952–এ থাকা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্ষমতা বাতিল হওয়ায় নিয়মিত ব্যবসার জন্য নিশ্চিততা বাড়ে।
১২. অপরাধের ডিক্রিমিনালাইজেশন
কারাদণ্ডের পরিবর্তে আর্থিক জরিমানা এবং ত্রুটি সংশোধনের জন্য ৩০ দিন সময় দেওয়া—প্রশাসনকে শাস্তিমূলক থেকে সহায়ক করে।
১৩. অপরাধ চক্রবৃদ্ধি হলে
প্রথমবার জরিমানাযোগ্য অপরাধ ৫০% হারে চক্রবৃদ্ধি করা যাবে—যা মামলা কমায়।
১৪. পরিদর্শক-সহ-সহযোগী ও ওয়েব-ভিত্তিক পরিদর্শন
এতে স্বচ্ছতা, পূর্বানুমানযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে।
১৫. স্থায়ী মেয়াদী কর্মসংস্থান (FTE)
স্থায়ী মেয়াদী কর্মীরা সমান মজুরি ও সুবিধা পাবেন, বিশেষ করে মৌসুমি টেক্সটাইল ইউনিটের জন্য উপযোগী।
১৬. অ-সংগঠিত শ্রমিকদের জাতীয় ডেটাবেস (NDUW)
e-Shram পোর্টাল মারফত সামাজিক নিরাপত্তা বিধি, ২০২০–এর আওতায় আনা হয়েছে।
১. ন্যূনতম মজুরির সর্বজনীনতা
সব ধরনের বস্ত্রশিল্প কর্মী, কাজের প্রকৃতি বা নিযুক্তির ধরনের ওপর নির্ভর না করে, এখন ন্যূনতম মজুরির অধিকারী। নির্ধারিত কর্মসংস্থানের বাইরে এই সুরক্ষা সম্প্রসারিত হওয়ায় স্পিনিং, উইভিং, গার্মেন্টিং এবং প্রসেসিং ইউনিট জুড়ে ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত হচ্ছে, মজুরির বৈষম্য কমছে এবং শোষণ প্রতিহত হচ্ছে।
২. ন্যূনতম মজুরি
ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বিবেচনায় কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত জাতীয় ফ্লোর ওয়েজ একটি ন্যূনতম আয় নিশ্চয়তা দেয়। এটি রাজ্য-ভেদে মজুরিভিত্তিক শ্রমিক স্থানান্তর প্রতিরোধ করে এবং কম-মজুরি অঞ্চলের শ্রমিকদেরও ন্যায্য ও তুলনামূলক মজুরি নিশ্চিত করে।
৩. অতিরিক্ত কাজের মজুরি
ওভারটাইমের জন্য দ্বিগুণ হারে মজুরি প্রদান বাধ্যতামূলক হওয়ায় বস্ত্রশিল্প কর্মীরা বিশেষভাবে উপকৃত হন, বিশেষত রপ্তানিমুখী ইউনিটে যেখানে উৎপাদনের চাপ বেশি থাকে। এটি বাড়তি কাজের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করে এবং বিনা-পারিশ্রমিকে অতিরিক্ত কাজ করানো নিরুৎসাহিত করে।
৪. সময়মতো মজুরি প্রদান ও অননুমোদিত ছাঁটাই নিষিদ্ধ
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মজুরি প্রদান এবং অননুমোদিত ছাঁটাই নিষিদ্ধ করার বিধান শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ায়, কারণ, অধিকাংশ বস্ত্রশিল্প কর্মী মাসিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল। এই বিধান সব কর্মীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যার ফলে মজুরি প্রদানে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস স্থাপিত হয়।
৫. দাবি নিষ্পত্তির বর্ধিত সময়সীমা
দাবি দায়েরের সময়সীমা তিন বছরে বাড়ানো হওয়ায় বস্ত্রশিল্প কর্মীরা দীর্ঘ কর্মচক্র বা বিভিন্ন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজের কারণে উদ্ভূত মজুরি বা সুবিধা সংক্রান্ত বিরোধে বিচার চাইতে সক্ষম হবেন।
৬. লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ
নিয়োগ, মজুরি ও কাজের পরিবেশে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ। বস্ত্রশিল্পে নারী শ্রমিকের অনুপাত অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এই বিধান সমতা, মর্যাদা ও বৈষম্যহীনতা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৭. যাতায়াতজনিত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত
যাতায়াতজনিত দুর্ঘটনাকে ‘চাকরিজনিত দুর্ঘটনা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় শ্রমিকরা অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ সুরক্ষা পান, যা বিশেষত শিল্প ক্লাস্টার ও এক্সপোর্ট পার্কে দূরপাল্লায় যাতায়াতকারী কর্মীদের জন্য উপকারী।
৮. সর্বভারতীয়ভাবে ESIC কাভারেজ
সারা দেশে ESIC কভারেজ এবং স্বেচ্ছাভিত্তিক অন্তর্ভুক্তির সুবিধা ছোট ইউনিট বা আনুষ্ঠানিক নয় এমন ক্ষেত্রের শ্রমিকদের চিকিৎসা, অক্ষমতা ও মাতৃত্ব-সংক্রান্ত সুবিধা নিশ্চিত করে, যা সামাজিক সুরক্ষা বাড়ায়।
৯. পরিবারের বর্ধিত সংজ্ঞা
নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে শ্বশুর-শাশুড়িকে “পরিবার” সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, ফলে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আরও বিস্তৃত নির্ভরশীল কভারেজ নিশ্চিত হচ্ছে।
১০. নিয়োগপত্রের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকীকরণ
নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক হওয়ায় কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি স্পষ্ট হয়, তাদের আইনি স্বীকৃতি ও সামাজিক সুরক্ষার সুযোগ বাড়ে। বস্ত্রশিল্পে বহু কর্মী চুক্তিভিত্তিক বা পিস-রেট হওয়ায় এটি নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
১১. বিনামূল্যে বার্ষিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা
বার্ষিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত বা অঙ্গবিন্যাস-সংক্রান্ত সমস্যার মতো শিল্প-সম্পর্কিত রোগের প্রাথমিক সনাক্তকরণ সহজ হয়। এতে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও উৎপাদনশীলতা উভয়ই বৃদ্ধি পায়।
১২. মজুরি-সহ বার্ষিক ছুটি
বার্ষিক ছুটি পাওয়ার যোগ্যতা ২৪০ দিন থেকে ১৮০ দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে। ফলে মৌসুমি বা চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকসহ আরও বেশি বস্ত্রশিল্প কর্মী মজুরি-সহ ছুটির সুবিধা পাবেন, যা স্বাস্থ্য, বিশ্রাম ও মনোবল উন্নত করে।
১৩. আন্তঃরাজ্য অভিবাসী শ্রমিকের বিস্তৃত সংজ্ঞা
সরাসরি নিযুক্ত ও স্ব-অভিবাসী উভয় ধরনের শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বস্ত্রশিল্পে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক থাকায় তাদের মজুরি, বাসস্থান ও কল্যাণ সুবিধায় সমান অধিকার নিশ্চিত হচ্ছে।
১৪. অভিন্ন স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ সুবিধা
শৌচাগার, পানীয় জল, বিশ্রামকক্ষ ও ক্যানটিনের মতো সুবিধার অভিন্ন মানদণ্ড স্থাপন করা হয়েছে। বড় ইউনিটের (১০০+ কর্মী) ক্ষেত্রে এই বিধান মর্যাদা ও মৌলিক স্থিরতা নিশ্চিত করে এবং বিশ্বব্যাপী সোর্সিং-এর মানদণ্ড পূরণে সহায়তা করে।
১৫. সমান সুবিধা-সহ স্থায়ী-মেয়াদী কর্মসংস্থান (FTE)
স্থায়ী-মেয়াদী চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা স্থায়ী শ্রমিকদের মতোই সমান মজুরি, শর্ত ও সামাজিক সুরক্ষা (প্রো-রাটা গ্র্যাচুইটি সহ) পাবেন। মৌসুমী শ্রমিকদের জন্য এটি নিরাপত্তা বাড়ায়।
১৬. নারী শ্রমিকদের জন্য বাধ্যতামূলক সুরক্ষা মানদণ্ড
রাতের শিফটে কর্মরত নারীদের নিরাপত্তা, পরিবহন, আলোকসজ্জা ও সুরক্ষার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক। ২৪×৭ পরিচালিত রপ্তানি সংক্রান্ত সংস্থায় নারী অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে এবং লিঙ্গসমতা নিশ্চিত হবে।
১৭. দক্ষতা উন্নয়ন ও পুনর্দক্ষতা তহবিল
IR কোডের অধীনে পুনঃদক্ষতা তহবিল শিল্পের স্বয়ংক্রিয়করণ বা পরিবর্তনের কারণে কর্মচ্যুত শ্রমিকদের পুনরায় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।
উপসংহার
নতুন শ্রম বিধিসমূহ ভারতের বস্ত্রশিল্পে এক ঐতিহাসিক রূপান্তর এনেছে, যেখানে নিয়োগকর্তাদের জন্য সহজতর ও আধুনিক সম্মতি ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে এবং শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি, সামাজিক সুরক্ষা ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে। বিশেষত নারী ও অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য এই সংস্কারগুলি আরও সমতাভিত্তিক ও নিরাপদ শিল্পব্যবস্থা তৈরি করছে।
এই রূপান্তর উৎপাদনশীলতা বাড়াবে, আনুষ্ঠানিকীকরণ ত্বরান্বিত করবে এবং ভারতকে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, যেখানে প্রবৃদ্ধি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সুস্থায়ী ও ন্যায্য।
Click here to see pdf
*****
SSS/SS
(रिलीज़ आईडी: 2196687)
आगंतुक पटल : 3