পরমাণুশক্তিদপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

ভারতে পরিবেশ-বান্ধব দূষণমুক্ত শক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে “পারমাণবিক মিশন”-এর সূচনা করেছেন, তাতে হোমি ভাবার অঙ্গীকারের প্রতি সমর্থন রয়েছে

Posted On: 27 MAR 2025 6:09PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৭ মার্চ, ২০২৫

 

হোমি ভাবা যখন ভারতে পরমাণু কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, তখন ভারতের উদ্দেশ্য নিয়ে ব্যাপক সংশয় ছিল। হোমি ভাবা বলেছিলেন, ভারতের পরমাণু কর্মসূচি শান্তির প্রতি নিবেদিত। আজ ভারতে পরিবেশ-বান্ধব দূষণমুক্ত শক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে “পারমাণবিক মিশন”-এর সূচনা করেছেন, তাতে হোমি ভাবার অঙ্গীকারের প্রতি সমর্থন রয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকার দূষণমুক্ত ও সুস্থিত জ্বালানির উৎস নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে যুগান্তকারী পারমাণবিক মিশন চালু করার ঘোষণা করেছে। রাজ্যসভায় আজ কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ভূবিজ্ঞান এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, পরমাণু শক্তি দপ্তর, মহাকাশ দপ্তর, কর্মীবর্গ, জনঅভিযোগ ও পেনশন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডঃ জীতেন্দ্র সিং এই মন্তব্য করেছেন।

ডঃ সিং বলেন, পারমাণবিক মিশনের লক্ষ্য হল, ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করা, যা ভারতের মোট শক্তি চাহিদার ১০ শতাংশ। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার পরমাণু ক্ষেত্রকে বেসরকারি সংস্থার জন্য উন্মুক্ত করে এক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে, যা আগে অকল্পনীয় ছিল। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বরাবরই চূড়ান্ত গোপনীয়তা রক্ষা করা হত, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এখন এটি বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

১৬ মেগাওয়াট থেকে ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন ক্ষমতার ছোট ছোট মডিউলার চুল্লি নির্মাণের ওপর এই মিশনে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এই চুল্লিগুলি ভারতের বিভিন্ন ধরনের শক্তির চাহিদা মেটাতে পারবে। এগুলির মাধ্যমে দেশজুড়ে পরিবেশ-বান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে ডঃ সিং আশাপ্রকাশ করেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত পরমাণু শক্তি দপ্তরের বাজেট ১৭০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটে অন্তত ৫টি ছোট মডিউলার চুল্লি তৈরির জন্য ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

অত্যাধুনিক পরমাণু প্রযুক্তির জন্য ভারত একদিকে যেমন ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের সহযোগিতা নিচ্ছে, তেমনি দেশীয় গবেষণা ও উন্নয়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি উৎসগুলি থেকে ৬০-৭০ শতাংশ অর্থের জোগানে ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা হয়েছে। পরমাণু গবেষণা ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

২০৭০ সালের মধ্য নেট-জিরো কার্বন নির্গমনে পৌঁছবার যে লক্ষ্য ভারত নিয়েছে তার উল্লেখ করে ডঃ সিং বলেন, এই মিশন আমাদের জলবায়ু সংক্রান্ত অঙ্গীকার পূরণে সহায়তা করবে এবং সেইসঙ্গে ভারতকে অত্যাধুনিক পরমাণু প্রযুক্তির এক বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

পরমাণবিক ক্ষেত্রের সম্প্রসারণের যে পরিকল্পনা ভারত করেছে, তাতে ভারতের থোরিয়াম মজুতের উন্নয়নও অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বের মোট থোরিয়ামে ২১ শতাংশ ভারতে রয়েছে। ডঃ বলেন, ভাবিনি রিয়্যাক্টর এবং কুড়ানকুলাম পরমাণু কেন্দ্রের মতো প্রকল্পগুলির কাজ ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত থমকে ছিল, কিন্তু এখন তাতে গতি এসেছে।


SC/SD/NS


(Release ID: 2116431) Visitor Counter : 12


Read this release in: English , Urdu , Hindi , Odia