প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর

প্রধানমন্ত্রী শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন


প্রধানমন্ত্রী অসংগঠিত ক্ষেত্রের প্রয়োজনে এক সুরে কথা বলার জন্য শিল্পপতিদের প্রশংসা করেছেন। এটি অর্থনৈতিক সংযুক্তিকরুনের একটি নতুন দিশাকে চিহ্নিত করছে।

কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই এ সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাড়ি থেকে কাজ করতে উৎসাহিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন

ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী কর্মীদের সংখ্যা না কমানোর জন্য শিল্পপতিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন

কোভিড ১৯ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে শিল্পপতিরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং তার সঙ্গে মতামত ও পরামর্শ ভাগ করে নিয়েছেন

প্রকাশিত: 24 MAR 2020 7:27PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২৩ মার্চ,২০২০

 

 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ ভিডিয়ো কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে অ্যাসোচেম, ফিকি, সি আই আই সহ দেশের ১৮ টি শহরের স্থানীয় বানিজ্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সরকার যখন দেশের উন্নয়নের গতি বাড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে কাজ করছে তখন কোভিড ১৯ এর আকারে একটি অপ্রত্যাশিত বাধা অর্থনীতির সামনে এসেছে। তিনি বলেছেন, যে মহামারী সময়কার এই চ্যালেঞ্জ বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সমস্যাগুলির চেয়েও মারাত্মক এবং এর বিস্তার রোধে আমাদের নিরন্তর সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অর্থনীতির অবলম্বনই হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসের একটি অনন্য মাত্রা রয়েছে - চ্যালেঞ্জের সময়ে এটি অর্জন করা কঠিন। বিশ্বাসের পরামিতিগুলি অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টরে এখন এক সংকটময় মুহুর্তের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন কোভিড ১৯ -এর কারণে পর্যটন, নির্মাণ, হোটেল এবং দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মতো বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অর্থনীতিতে এর প্রভাব আগামী কয়েক বছরের জন্য অনুভূত হবে।

 

শিল্প প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এবং সংকট মোকাবিলায় দ্রুত, সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ভেন্টিলেটরসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সরঞ্জাম সরবরাহ বজায় রাখতে, আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরিতে সহায়তা, কোভিড -১৯ মোকাবিলায় সিএসআর তহবিল ব্যবহার এবং অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তার ব্যবস্থা করার বিষয়ে তাদের গৃহীত পদক্ষেপের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানান। 

 

তারা ব্যাঙ্কিং, অর্থ, আতিথেয়তা, পর্যটন, পরিকাঠামো প্রভৃতি ক্ষেত্র যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে সেগুলি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা চেয়েছেন। শিল্প প্রতিনিধিরা ভাইরাসটির বিস্তার রোধে অর্থনৈতিক ক্ষতি স্বত্বেও লকডাউন  ব্যবস্থার গুরুত্বেরও প্রশংসা করেছেন। 

অসংগঠিত ক্ষেত্রের প্রয়োজনে এক সুরে কথা বলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শিল্প প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন এটি অর্থনৈতিক সংযুক্তিকরুনের একটি নতুন দিশাকে চিহ্নিত করে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সম্ভব হলে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন। তিনি তাদেরকে একটি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করার এবং তাদের ব্যবসায়ের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও কর্মশক্তি হ্রাস না করার জন্য অনুরোধ করেছেন। 

 

তিনি বলেছেন যে এই মুহুর্তে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্রের উৎপাদন প্রভাবিত হওয়া উচিত নয় এবং কালো বাজার ও হোর্ডিং রোধ করা জরুরি। কলকারখানা, অফিস এবং কর্মক্ষেত্রে  কোভিড -১৯ এর বিস্তার রোধে তিনি স্বচ্ছতার গুরুত্ব এবং চিকিৎসার পরামর্শ মেনে চলার বিষয়টি তাদের মনে করিয়ে দেন। তিনি আরও বলেন যে ভাইরাসটির বিস্তার রোধের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আমাদের বৃহত্তম অস্ত্র। তিনি এই সংকটময় মুহুর্তে  বিশ্বব্যাপী মহামারী সম্পর্কিত মানবিক কারণে তাদের সিএসআর তহবিল ব্যবহার করার অনুরোধ করেছেন।

প্রধান সচিব,ক্যাবিনেট সচিব এবং শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচার বিভাগের সচিব-ও  এই আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।

 

 

CG/TG 


(রিলিজ আইডি: 1608041) ভিজিটরের কাউন্টার : 147
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English