স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান

প্রকাশিত: 13 MAR 2020 5:26PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৩ মার্চ, ২০২০

 

 

েন্দ্রীয় সরকার ১৯৯৪ সালে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন কার্যকর করে। এই আইনটি ২০১১ সালে সংশোধিত আকারে সংসদে পাশ হয়। দেশে এই আইন বলবৎ করার উদ্দেশ্য হল চিকিৎসার প্রয়োজনে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ তা সংরক্ষিত রাখা বা টিস্যুর প্রতিস্থাপনের বিষয়গুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং এর বাণিজ্যিক ব্যবহার প্রতিরোধ করাকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক ২০১৪ সালে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও টিস্যু প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত বিধি বলবৎ করে। অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দানের ক্ষেত্রে সুপরিকল্পিত নীতি প্রণয়নে এই আইন ও বিধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

স্বাস্থ্যের বিষয়টি রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত হওয়ায় এই আইন রূপায়ণ ও কার্যকর করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের। ১৯৯৪ সালের মানব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন আইনটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা বাদ দিয়ে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। উল্লেখ করা যেতে পারে, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানার এ সংক্রান্ত নিজস্ব আইন রয়েছে। ২০১১ সালের সংশোধিত মানব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন এই দুটি রাজ্য বাদ দিয়ে ২০১৪-র ১০ই জানুয়ারি থেকে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কার্যকর হয়েছে।

লোকসভায় আজ এক লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। তিনি আরও জানান, ২০১৮-র ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ৩০,৮৮৬টি অঙ্গদান সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। এর কারণ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চাহিদা ও যোগানের মধ্যে বিস্তর ফারাক। এক পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে এ ধরনের ২১১টি মামলা বকেয়া রয়েছে

 

 

CG/BD/DM


(রিলিজ আইডি: 1606310) ভিজিটরের কাউন্টার : 129
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English