উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়

চলচ্চিত্রে হিংসা, অশালীনতা ও অভব্যতার দৃশ্য এড়াতে উপরাষ্ট্রপতির পরামর্শ

प्रविष्टि तिथि: 23 DEC 2019 11:15PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

 

 

    উপরাষ্ট্রপতি শ্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু জনমানসে বিশেষত তরুণদের মধ্যে চলচ্চিত্রের ব্যাপক প্রভাবের বিষয়টি উল্লেখ করে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ফিল্ম তৈরি করার সময় হিংসা, অশালীনতা ও অভব্যতার দৃশ্য এড়ানোর পরামর্শ দেন। নতুন দিল্লীতে আজ ৬৬তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি তাঁদের সামাজিক পরিবর্তন, শিক্ষার বিস্তার, সামাজিক সম্প্রীতির প্রসার সহ সমাজের বিভিন্ন কু-অভ্যাসের মোকাবিলায় চলচ্চিত্র নির্মাণের বিষয় বাছাই করার পরামর্শ দেন।

    তিনি বলেন, বর্তমানে মহিলাদের প্রতি হিংসার প্রবনতার সমস্যার মোকাবিলায় আমাদের একটি কঠোর বার্তা দেওয়া উচিত। দেশের কোনো কোনো অংশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের প্রতিফলন যেন চলচ্চিত্রের চরিত্র এবং সংলাপে থাকে তা নিশ্চিত করতে উপরাষ্ট্রপতি চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি আহ্বান জানান। বিশ্বজুড়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তার প্রসঙ্গে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক দৌত্যের জগতে আমাদের আরও সক্রিয় দূতের প্রয়োজন। ভারতীয় চলচ্চিত্র ভারতীয়তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

    চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে সরকারের আরও সমন্ময়ের আহ্বান করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, স্হিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের পর্যটন ক্ষেত্রের প্রসার ঘটাতে হবে। যার মাধ্যমে সারা পৃথিবীর কাছে ভারতের সাংস্কৃতিক বিবিধতা তুলে ধরা সম্ভব হবে।

    শ্রী নাইডু সকল পুরস্কার প্রাপককে অভিনন্দন জানান। ২০২০ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র তার নান্দনিকতা ও সৃজনশীলতা আরও বৃদ্ধি করবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। উত্তরাখন্ড চলচ্চিত্র বান্ধব রাজ্যের সম্মান পাওয়ায় তিনি তাঁদের অভিনন্দন জানান। এই অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, ভারি শিল্প ও জন উদ্যোগ মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভড়েকর, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব শ্রী রবি মিত্তল, বিচারক মন্ডলীর চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ এবং কুমারী কীর্তি সুরেশ, শ্রী অক্ষয় কুমার, শ্রী আয়ুষ্মান খুরানা, শ্রী ভিকি কৌশল সহ পুরস্কার প্রাপকরা উপস্হিত ছিলেন।

 

 

CG/CB/NS


(रिलीज़ आईडी: 1597291) आगंतुक पटल : 175
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English