প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
দেশের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে উদযাপন করার ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
প্রকাশিত:
31 OCT 2019 5:48PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৩১ অক্টোবর, ২০১৯
ভারতের মূল্যবান ঐতিহ্য এবং হাজার হাজার বছরের জীবনযাত্রা যা আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়তে সাহায্য করেছে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য আমাদের সঙ্কল্পের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।
আজ কেওয়াড়িয়াতে সর্দার বল্লবভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি ভাষণ দিচ্ছিলেন।
তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য নিয়ে গর্বিত। আমরা এখান থেকেই আমাদের শ্রদ্ধা এবং আত্মপরিচয় পাই।”
“আমরা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে উদযাপন করি। আমরা আমাদের বৈচিত্র্যের মধ্যে কোনরকম স্ববিরোধ খুঁজে পাই না, বরং ঐক্যের এক শক্তিশালী সূত্র খুঁজে পাই।”
“বৈচিত্র্যের উদযাপন, বৈচিত্র্যের উৎসব প্রকৃতপক্ষে আমাদের হৃদয়ের ঐক্যের তারটি স্পর্শ করে।” বলেছেন তিনি।
“যখন আমরা আমাদের বিভিন্ন ধরনের জীবনধারা ও ঐতিহ্যকে সম্মান করি তখন একতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের ভাবনা আরও বৃদ্ধি পায় এবং সেজন্যই প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের বৈচিত্র্য উদযাপন করতে হবে। এটাই রাষ্ট্র গঠন।”
তিনি বলেন, “এই বৈচিত্র্য ভারতের এমন একটি শক্তি যেটা সারা বিশ্বে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। দক্ষিণ থেকে আসা শঙ্কর উত্তরে মঠ গড়েছিলেন এবং বাংলার স্বামী বিবেকানন্দ দক্ষিণের কন্যাকুমারীতে তাঁর জ্ঞান লাভ করেছিলেন।”
“এখানে গুরু গোবিন্দ সিং পাটনায় জন্মে পাঞ্জাবে খালসা পন্থ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং এপিজে আব্দুল কালাম যিনি রামেশ্বরমে জন্মেছিলেন তিনি দিল্লিতে দেশের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।”
ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘উই দি পিপ্ল অফ ইন্ডিয়া’র উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটি সংবিধানের শুরুতে হওয়া শুধুমাত্র একটি শব্দবন্ধই নয়, বরং ভারতের হাজার হাজার বছরের জীবনযাত্রার প্রতিফলন।”
“যখন সর্দার প্যাটেল ৫০০-র বেশি রাজ্যকে ভারতে অন্তর্ভুক্ত করার বিশাল কাজটি সম্পন্ন করছিলেন, তখন এই চুম্বকের মতো শক্তিটি বেশিরভাগ রাজ্যগুলিকে এ দেশে অন্তর্ভুক্ত হতে আকর্ষণ করেছিল।”
তিনি বলেন, আজ ভারতের ভাবমূর্তি এবং প্রভাব বিশ্বে ক্রমশ বাড়ছে এবং সেটা শুধুমাত্র আমাদের এই একতার জন্যই।
তিনি বলেন, “বর্তমানে গোটা বিশ্ব ভারতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেটা শুধুমাত্র আমাদের জাতীয় ঐক্যের জন্য। যদি ভারত বিশ্বের সেরা অর্থনীতি হয়ে ওঠে, তাহলে সেও হবে আমাদের জাতীয় ঐক্যের জন্য।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিততে পারে না, তারা আমাদের একতাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যুগ যুগ ধরে চেষ্টা করা সত্ত্বেও কেউ আমাদের মধ্যে একতার মনোভাবকে পরাজিত করতে পারেনি।”
তিনি বলেন, “সর্দার প্যাটেলের আশীর্বাদে দেশ কয়েক সপ্তাহ আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঐসব বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে পরাজিত করার, সেটা হল ৩৭০ অনুচ্ছেদের বিলুপ্তি।”
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ জম্মু-কাশ্মীরকে দিয়েছে শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ।
তিনি বলেছেন, দশকের পর দশক ধরে এই অনুচ্ছেদের উপস্থিতি শুধুমাত্র দেশের মানুষের মধ্যে একটি কৃত্রিম প্রাচীর গড়ে তুলেছিল।
প্রধানমন্ত্রী আজ কেওয়াড়িয়াতে সর্দার বল্লবভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন।
তিনি বলেন, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব এবং সন্ত্রাসবাদ ব্যতীত আর কিছু দেয়নি। আমাদের ভাই ও বোনেরা যাঁরা এই কৃত্রিম প্রাচীরের ওধারে, তাঁরা শুধুই বিভ্রান্ত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই দেওয়াল এখন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “সমগ্র দেশে জম্মু-কাশ্মীরই একমাত্র জায়গা যেখানে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বলবৎ ছিল।”
তিনি বলেন, “গত তিন দশকে ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের ফলে প্রাণ হারিয়েছেন, অনেক মা তাঁদের সন্তান হারিয়েছেন, বোনেরা ভাইকে হারিয়েছেন এবং শিশুরা হারিয়েছে তাদের বাবা-মা-কে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদা সর্দার প্যাটেল বলেছিলেন, যদি জম্মু-কাশ্মীরের বিষয়টি আমাকে ছেড়ে দেওয়া হত তাহলে এত দীর্ঘ সময় লাগত না এই বিষয়টির সমাধান করতে।”
তিনি বলেন, “আমি সর্দার বল্লবভাই প্যাটেলের এই জন্মবার্ষিকীতে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের সিদ্ধান্ত উৎসর্গ করছি।”
“আমি খুশি যে আমাদের এই সিদ্ধান্ত এবার জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এবং উন্নয়নের পথে নিয়ে যাবে।”
জম্মু-কাশ্মীরে সম্প্রতি ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের নির্বাচনের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভোটদানের হার ৯৮ শতাংশের বেশি ছিল। যাঁরা পঞ্চ বা সরপঞ্চ তাঁরা বিশাল সংখ্যায় এসে ভোট দিয়েছেন এবং সেটাই একটি বড় বার্তা।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এবার রাজনৈতিক স্থায়িত্বের যুগ শুরু হবে জম্মু ও কাশ্মীরে। আপন স্বার্থের কারণে সরকার গড়ার খেলা এবার শেষ হবে এবং আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে যে বৈষম্যের ধারণা তাও বিনষ্ট হবে।”
“এই অঞ্চলে সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় সত্যিকারের অংশগ্রহণের যুগ শুরু হবে। নতুন মহাসড়ক, নতুন রেলপথ, নতুন স্কুল, নতুন কলেজ, নতুন হাসপাতাল জম্মু-কাশ্মীরকে নতুন উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাবে।”
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে উত্তর-পূর্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতা ক্রমশ বিলীয়মান এবং উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। বহু যুগের পুরনো সমস্যাগুলি এখন সমাধান খুঁজে পাচ্ছে। গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চল এখন বহু যুগের পুরনো হিংসা অবরোধের থেকে নিজেকে মুক্ত মনে করছে।”
তিনি বলেন, “সর্দার প্যাটেলের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা দেশকে সম্পূর্ণ ভাবগত অর্থনৈতিক এবং সাংবিধানিক সংহতি দিচ্ছি। এটা এমনই একটি প্রচেষ্টা যেটা ব্যতীত একবিংশ শতাব্দীতে আমরা শক্তিশালী ভারতের কল্পনা করতে পারব না।”
সর্দার প্যাটেলের আদর্শের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উদ্দেশ্যের একতা, উদ্যোগের একতা, এবং লক্ষ্যের একতা দেশের স্থায়িত্বের পক্ষে প্রয়োজনীয় এবং এটাই ছিল সর্দার প্যাটেলের আদর্শ যে আমাদের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং গন্তব্যের দিকে একমনা হতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন আমরা জাতীয় ঐক্যের এই পথে এগোব, তখনই শুধু আমরা ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।”
একগুচ্ছ ট্যুইট বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন :
প্রধানমন্ত্রী : বৈচিত্র্যের উদযাপন, বৈচিত্র্যের উৎসবে নিহিত একতা স্পর্শ করে, তাকে বাইরে টেনে নিয়ে আসে। যখন আমরা দেশের আলাদা আলাদা ভাষা এবং নানা বাচনভঙ্গি নিয়ে গর্ব করি, তাতে আমাদের ভাবনার বন্ধন তৈরি হয়।
প্রধানমন্ত্রী : যখন আমরা বিভিন্ন পন্থা এবং সম্প্রদায়ের পরম্পরা এবং ঐতিহ্যকে সম্মান করি তখন সদ্ভাব আরও বৃদ্ধি পায়। এজন্য আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত বৈচিত্র্যের প্রতিটি বিষয়কে সেলিব্রেট করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী : এখানে পাটনায় জন্ম নেওয়া গুরু গোবিন্দ সিং পাঞ্জাবে গিয়ে দেশকে রক্ষার করার জন্য খালসা পন্থের স্থাপন করেছিলেন। এখানে রামেশ্বরমে জন্ম নিয়ে এপিজে আব্দুল কালাম দিল্লিতে দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী : ‘উই দি পিপ্ল অফ ইন্ডিয়া’, আমরা ভারতের মানুষ, এটা শুধুমাত্র শব্দ নয়, শুধুমাত্র আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনা নয়, এটা হাজার বছর ধরে চলে আসা ভারতের একতার প্রতিবিম্ব।
প্রধানমন্ত্রী : যখন সর্দার প্যাটেল ৫০০-রও বেশি রাজ্যকে এক করার জন্য ভগীরথের মতন কাজ করছিলেন, সেটা একটা এই চুম্বকের শক্তি যাতে বেশিরভাগ রাজ্য আকর্ষিত হয়ে চলে এসেছিল।
প্রধানমন্ত্রী : বর্তমানে বিশ্ব মঞ্চে আমাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি দুটোই বাড়ছে। তার এটাই কারণ আমাদের একতা। আজ সারা বিশ্ব ভারতের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনছে। তার এটাই কারণ আমাদের একতা। আজ ভারত বিশ্বে বড় আর্থিক শক্তি। তারও কারণ আমাদের একতা।
প্রধানমন্ত্রী : একতার এটাই সেই পথ যে পথে চলতে গিয়ে ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হবে, নতুন ভারত নির্মাণ হবে।
প্রধানমন্ত্রী : সর্দার সাহেব বলতেন, ভারতে স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত আবশ্যক – ‘ইউনিটি অফ পার্পাস’, ‘ইউনিটি অফ এইম্স’, এবং ‘ইউনিটি অফ এন্ডিভার’। আমাদের উদ্দেশ্যতে সমতা আসুক, আমাদের লক্ষ্যে সমতা হোক এবং আমাদের চেষ্টায় সমতা বজায় থাকুক।
প্রধানমন্ত্রী : সর্দার সাহেবের আশীর্বাদে এই শক্তিকে পরাস্ত করবার জন্য এটি একটি বড় সমাধান দেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই করেছে। ৩৭০ অনুচ্ছেদ জম্মু-কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ ভিন্ন কিছু দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী : পুরো দেশে জম্মু-কাশ্মীরই একমাত্র স্থান যেখানে ৩৭০ অনুচ্ছেদ ছিল এবং পুরো দেশে জম্মু-কাশ্মীরই একমাত্র জায়গা যেখানে তিন দশক ধরে সন্ত্রাসবাদ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের প্রাণ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী : কয়েক দশক ধরে আমরা ভারতীয়দের মধ্যে এই ৩৭০ অনুচ্ছেদ একটি অস্থায়ী দেওয়াল তৈরি করে রেখেছিল। আমাদের যে ভাই-বোন ঐ অস্থায়ী দেওয়ালের ওপারে ছিলেন, তাঁরাও অসামঞ্জস্যের মধ্যেই ছিলেন। যে দেওয়াল কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ বহাল রেখেছিল, এখন সেই দেওয়ালকে ভেঙে ফেলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী : এক সময় সর্দার প্যাটেল বলেছিলেন, যদি কাশ্মীরের সমস্যা তাকে দেওয়া হত, তাহলে ঐ সমস্যা মেটাতে এত দেরি হত না। আজ তাঁর জন্মজয়ন্তীতে আমি ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের সিদ্ধান্ত, সর্দার সাহেবকে সমর্পন করছি।
প্রধানমন্ত্রী : আমি এজন্য খুশি যে আজ থেকেই জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়াচ্ছে। কিছুদিন আগেই ওখানে ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের নির্বাচনে ৯৮ শতাংশ পঞ্চ-সরপঞ্চরা অংশ নিয়ে একটি বড় বার্তা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী : এখন জম্মু-কাশ্মীরে একটি রাজনৈতিক স্থিরতা আসবে। এবার নিজ স্বার্থের জন্য সরকার গড়া এবং ফেলার খেলা বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে ভাগাভাগির অভিযোগ পালটা অভিযোগ দূর হবে।
প্রধানমন্ত্রী : এবার কো-অপারেটিভ ফেডারালিজম-এর আসল অংশীদারিত্ব দেখতে পাওয়া যাবে। নতুন হাইওয়ে, নতুন রেলপথ, নতুন স্কুল, নতুন কলেজ, নতুন হাসপাতাল, জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের উন্নতির জন্য নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী : আমি খুশি যে আজ থেকে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের সমস্ত সরকারি কর্মচারী সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী প্রাপ্য পেতে শুরু করবেন।
প্রধানমন্ত্রী : জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখে নতুন ব্যবস্থাগুলি শুধু কথার কথা নয়, বরং বিশ্বাস বাড়ানোর জন্যই এই ব্যবস্থা। এই বিশ্বাস সেটাই যেটা জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের জন্যই চেয়েছিলেন সর্দার প্যাটেল।
প্রধানমন্ত্রী : সর্দার প্যাটেলের অনুপ্রেরণাতেই সম্পূর্ণ ভারতের ইমোশনাল, ইকনমিক এবং কন্সটিটিউশনাল ইন্টিগ্রেশনের ওপর আমরা জোর দিচ্ছি। এটা সেই প্রয়াস যা ব্যতীত একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বে ভারতকে শক্তিশালী হিসেবে কল্পনা আমরা করতে পারব না।
CG/AP/DM
(রিলিজ আইডি: 1589814)
ভিজিটরের কাউন্টার : 359