উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়

সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ এক জাতীয় ইস্যু, রাজনৈতিক নয় : উপ-রাষ্ট্রপতি

प्रविष्टि तिथि: 27 AUG 2019 4:56PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৭ অগাস্ট, ২০১৯

 

 

 

উপ-রাষ্ট্রপতি শ্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু জোর দিয়ে বলেছেন, সংবিধানের ৩৭০ নং ধারা বিলোপ একটি জাতীয় ইস্যু, রাজনৈতিক নয়। তিনি সাধারণ মানুষকে মুক্তকন্ঠে এই ধারা বিলোপকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানান। প্রতিবেশী দেশটি এই ধারা বিলোপ সম্পর্কে অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য ও মতামত আন্তর্জাতিক মঞ্চে উত্থাপন করে তার সুযোগ নিতে পারে বলে উপ-রাষ্ট্রপতি সকলকে সতর্ক করে দেন।

 

শ্রী নাইডু’র বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে আজ অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে শ্রী নাইডু বলেন, ৩৭০ নং ধারা বাতিলের বিষয়টি দীর্ঘদিন পড়েছিল। দেশের একতা ও অখণ্ডতার সঙ্গে এই ধারা বিলোপের বিষয়টি নিবিড়ভাবে জড়িত। উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে দু’বছরের কার্যকালের মেয়াদ পূরণ নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

৩৭০ নং ধারাকে সংবিধানের এক অস্থায়ী ও স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, এই ধারার বিলোপ জম্মু ও কাশ্মীরে শিল্পায়নে গতি আনবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে এবং পর্যটনের প্রসার ঘটাবে।

 

জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন সংক্রান্ত বিলের কথা উল্লেখ করে শ্রী নাইডু জানান, বিলটি রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ এবং লোকসভায় চার-পঞ্চমাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাশ হয়। ৩৭০ নং ধারা বাতিল সম্পর্কে ১৯৬৪-তে এক বিতর্কের কথা উল্লেখ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, এক সাংসদের (মন্ত্রী পরিষদের সদস্য নন) পেশ করা বিলে দলমত নির্বিশেষে বহু সদস্য ধারা বাতিলের পক্ষে নিজেদের সমর্থন জানিয়েছিলেন।

 

জাতীয় স্তরের এক দৈনিকে ১৯৬৪-তে প্রকাশিত একটি সংবাদের কথা উল্লেখ করে শ্রী নাইডু বলেন, সে সময় লোকসভায় শ্রী প্রকাশ বীর শাস্ত্রী একটি অসরকারি প্রস্তাব পেশ করেছিলেন যাতে কংগ্রেস, সিপিআই, সোশ্যালিস্ট পার্টি এমনকি, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে নির্বাচিত সদস্যরাও সমর্থন জানিয়েছিলেন।

 

শ্রী নাইডু আরও জানান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৯৬৩-তে সংসদে এক বিতর্কে সংবিধানের অস্থায়ী ও স্বল্পমেয়াদি ধারা সম্পর্কে মতামত পেশ করেছিলেন।

 

সর্ববৃহৎ সংসদীয় গণতন্ত্র হিসেবে ভারতকে বর্ণনা করে শ্রী নাইডু প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, দেশ শীঘ্রই এক আদর্শ ও প্রাণবন্ত সংসদীয় গণতন্ত্র হয়ে উঠবে। তবে, এই লক্ষ্য পূরণে আইনি ব্যবস্থায় সংস্কার, জন-পরিষেবা ব্যবস্থায় আরও দক্ষতা আনতে বিচার বিভাগীয় ক্ষেত্রের মানোন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে করে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি শ্রেণীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।

 

উপ-রাষ্ট্রপতি সমস্ত রাজনৈতিক দলকে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভা সহ অন্যান্য স্তরে জনপ্রতিনিধিদের জন্য আদর্শ আচরণবিধি প্রণয়নের পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তৃতার সময় রাজনৈতিক দলগুলিকে তাদের গুণগত মান বাড়াতে হবে এবং ব্যক্তিগত অপবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে। বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের শত্রু হিসেবে না দেখে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখার পরামর্শ দেন।

 

শ্রী নাইডু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নির্বাচনী পিটিশন এবং দলত্যাগী বা বিক্ষুব্ধ নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে যুক্ত মামলাগুলির দ্রুত ও সময়সীমার নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ বিচার বিভাগীয় ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও পরামর্শ দেন। এ ধরনের সমস্ত মামলার সমাধান যুক্তিসঙ্গত উপায়ে ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে করতে হবে বলেও অভিমত প্রকাশ করেন।

 

দেশে জমে থাকা বিপুল সংখ্যক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উপ-রাষ্ট্রপতি আপিল আদালত এবং সুপ্রিম কোর্টের শাখা খোলার ব্যাপারে জোড়ালো সওয়াল করেন।

 

আগামী দোসরা অক্টোবরের মধ্যে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন সে প্রসঙ্গে শ্রী নাইডু স্বচ্ছ ভারত, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, প্রতি জলবিন্দুতে আরও বেশি ফসল প্রভৃতি কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, এই উদ্যোগগুলিকেও মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণ-আন্দোলনের রূপ দিতে হবে।

 

 

 

CG/BD/DM


(रिलीज़ आईडी: 1583155) आगंतुक पटल : 161
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English