PIB Backgrounder
রপ্তানির কেন্দ্র হিসাবে ভারতের জেলাগুলি
ভারতের প্রতিটি জেলায় রপ্তানির প্রসার
প্রকাশিত:
02 SEP 2026 11:50AM by PIB Kolkata
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ভারতের রপ্তানি যাত্রা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিতে চিহ্নিত হলেও, এই গতি বজায় রাখতে উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। ‘ডিস্ট্রিক্টস অ্যাজ এক্সপোর্ট হাবস (DEH) উদ্যোগ’ হল অন্তর্ভুক্তিমূলক রপ্তানি বৃদ্ধির একটি কাঠামো। এর মাধ্যমে প্রতিটি জেলাকে রপ্তানি পরিকল্পনার একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে সম্ভাবনাময় পণ্য ও পরিষেবা চিহ্নিত করে স্থানীয় উৎপাদকদের আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ODOP) ধারণার ওপর ভিত্তি করে DEH কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প, প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পক্ষেত্রকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। জেলা-স্তরের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে DEH কর্মসংস্থান সৃষ্টি, MSME ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করা এবং ভারতের রপ্তানি বৃদ্ধিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলছে।
কেন ভারতের জেলা-ভিত্তিক রপ্তানি মডেলের প্রয়োজন ছিল
রপ্তানি ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অর্জিত প্রতিটি টাকা দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান, আয় এবং শিল্পের প্রসারে অবদান রাখে। ২০২৪–২৫ সালে ভারতের পণ্য ও পরিষেবার মোট রপ্তানি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৮২৫.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৫–২৬ সালে তা আরও বেড়ে আনুমানিক ৮৬৩.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। কয়েক দশক ধরে রপ্তানি কার্যক্রম মূলত কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত শিল্পকেন্দ্র এবং বন্দরনগরীকে ঘিরে কেন্দ্রীভূত ছিল। অনেক ছোট শহর, গ্রামীণ জেলা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনন্য ও উচ্চমানের পণ্য থাকা সত্ত্বেও সেগুলি খুব কমই রপ্তানির তালিকায় স্থান পেত। বস্তারের লৌহশিল্প, জলগাঁওয়ের কলা এবং মেঘালয়ের ম্যান্ডারিন কমলা এই অপ্রকাশিত সম্ভাবনারই উদাহরণ।
এই সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়ে সরকার ডিস্ট্রিক্টস অ্যাজ এক্সপোর্ট হাবস উদ্যোগের মাধ্যমে জেলা-ভিত্তিক রপ্তানি কৌশল গ্রহণ করেছে। এর ফলে, প্রতিটি জেলা তার নিজস্ব শক্তি ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ভারতের রপ্তানি বৃদ্ধিতে অবদান রাখার সুযোগ পাচ্ছে।
ODOP থেকে DEH: কাঠামোর বিবর্তন
প্রতিটি জেলার শক্তি ও সম্পদকে কাজে লাগিয়ে তার রপ্তানি সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে ডিস্ট্রিক্টস অ্যাজ এক্সপোর্ট হাবস (DEH) উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি জেলাকে শুধু উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, বরং রপ্তানি পরিকল্পনার একটি একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই উদ্যোগ স্থানীয় উদ্যোগগুলিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে, তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং জেলা-ভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, এটি ভারতের বৃহত্তর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘ভোকাল ফর লোকাল’ ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আপনি কি জানেন?
ODOP ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশ সরকারের একটি উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল। এর মূল ভিত্তি ছিল মোরাদাবাদের পিতল শিল্প। পরে এই উদ্যোগকে দেশজুড়ে সম্প্রসারিত করা হয়।
DEH-এর যাত্রা শুরু হয় ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ODOP) কর্মসূচির হাত ধরে। ODOP-এর লক্ষ্য ছিল প্রতিটি জেলা থেকে একটি স্বতন্ত্র পণ্য চিহ্নিত করে তার ব্র্যান্ডিং ও প্রচার করা এবং স্থানীয় পরিচিতিকে অর্থনৈতিক সুযোগে পরিণত করা।
এই পদ্ধতিকে আরও শক্তিশালী করতে, বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীন ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (DGFT)-এর মাধ্যমে DEH উদ্যোগ পণ্য প্রচারের পরিধি বাড়িয়ে সামগ্রিক রপ্তানি প্রসার এবং রপ্তানি পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করার দিকে গুরুত্ব দিয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের ৭৭০টিরও বেশি জেলা DEH উদ্যোগের আওতায় এসেছে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক রপ্তানি পরিকল্পনার সঙ্গে এই উদ্যোগের পরিধি ও সংযুক্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
DEH-কে একটি পৃথক অর্থায়ন প্রকল্পের পরিবর্তে একটি সমন্বিত কাঠামো হিসাবে বোঝা যায়। আলাদা কোনো আর্থিক প্রকল্প চালু করার পরিবর্তে DEH বিভিন্ন চলমান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি প্রকল্পের আওতায় উপলব্ধ অর্থকে কাজে লাগায়। এর মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে রপ্তানি, উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উৎসাহ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, জেলা-ভিত্তিক রপ্তানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে সেগুলির সমাধান এবং জেলার রপ্তানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো
DEH কেন্দ্র, রাজ্য এবং জেলার মধ্যে সমন্বয়ের একটি বহুস্তরীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রক সামগ্রিক নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদান করে। অন্যদিকে, DGFT এই উদ্যোগের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে।
- রাজ্য স্তরে স্টেট এক্সপোর্ট প্রমোশন কমিটি (SEPC) উদ্যোগটির বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেয় এবং বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করে।
- জেলা স্তরে ডিস্ট্রিক্ট এক্সপোর্ট প্রমোশন কমিটি (DEPC) রপ্তানির সম্ভাবনা চিহ্নিত করে, স্থানীয় সমস্যার সমাধান করে এবং শিল্পক্ষেত্র, রপ্তানিকারক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে।
DEPC-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হল ডিস্ট্রিক্ট এক্সপোর্ট অ্যাকশন প্ল্যান (DEAP) তৈরি করা। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে রপ্তানির সম্ভাবনাময় পণ্য ও পরিষেবা চিহ্নিত করা, পরিকাঠামো ও লজিস্টিক ব্যবস্থার মূল্যায়ন এবং রপ্তানির পথে থাকা বাধাগুলি চিহ্নিত করা হয়। পাশাপাশি, প্রতিযোগিতার সক্ষমতা ও বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৫৯০টি জেলার জন্য খসড়া DEAP তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ২৪৯টি DEAP সংশ্লিষ্ট DEPC আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে।
জেলা-স্তরে রপ্তানি পরিকাঠামো ও পরিবেশ গড়ে তোলা
রপ্তানির জন্য শুধু প্রতিযোগিতামূলক পণ্য থাকাই যথেষ্ট নয়। রপ্তানির প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে DEH জেলাগুলিকে রপ্তানিকারকদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং রপ্তানি সংক্রান্ত লজিস্টিক ব্যবস্থা, গুণমানের মানদণ্ড ও বাজারে প্রবেশের বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতি দূর করতে সহায়তা করছে।
পণ্য ও পরিষেবার মানচিত্র তৈরি
DEH বিভিন্ন জেলার রপ্তানির উপযোগী পণ্য ও পরিষেবা চিহ্নিত করে। এর মধ্যে GI-ট্যাগযুক্ত পণ্য, কৃষি ক্লাস্টার, খেলনা ক্লাস্টার, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য প্রভৃতি রয়েছে। জেলা-ভিত্তিক এই মানচিত্র তৈরি নির্দিষ্ট রপ্তানি কৌশল প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। রপ্তানির সম্ভাবনাময় কয়েকটি পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
|
পণ্য
|
জেলা
|
রাজ্য
|
|
সিরামিক ও টাইলস, আলু
|
সাবরকাঁথা
|
গুজরাট
|
|
খনিজ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, কাচ ও টাইলস
|
আরাবল্লী
|
গুজরাট
|
|
জলগাঁও কলা, জলগাঁও ভরিত বেগুন
|
জলগাঁও
|
মহারাষ্ট্র
|
|
কমলা
|
আগর মালওয়া
|
মধ্যপ্রদেশ
|
|
বস্তার লৌহশিল্প, চাল, জোয়ার, ভুট্টা
|
বস্তার
|
ছত্তিশগড়
|
|
বাঁশের শিল্পসামগ্রী, কাজুবাদাম
|
জামতাড়া
|
ঝাড়খণ্ড
|
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ
পণ্যগুলি চিহ্নিত হওয়ার পর সেগুলিকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়। গুণমানের মানদণ্ড, পরীক্ষার পরিকাঠামো, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং এবং শংসাপত্রের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে DEH সহায়তা করে। এর ফলে স্থানীয় পণ্যগুলি আন্তর্জাতিক বাজারের প্রয়োজনীয় মান ও নিয়ম মেনে চলতে সক্ষম হয়।
ডিজিটাল রপ্তানি ব্যবস্থাকে সহজ করা
ডিজিটাল পরিষেবার প্রসারের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত ব্যবসাগুলিও স্থানীয় স্তর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছনোর সুযোগ পাচ্ছে এবং বাজারে প্রবেশের পরিধি বাড়ছে। DEH উদ্যোগের আওতায় Amazon, Shiprocket এবং DHL-এর মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে MSME-গুলিকে সাশ্রয়ী কুরিয়ার পরিষেবার বিকল্প দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পরিবহণ খরচের ওঠানামার প্রভাব কিছুটা কমানো সম্ভব হচ্ছে। ডাক ঘর নির্যাত কেন্দ্রের মাধ্যমে কম খরচে ডাক পরিষেবার সাহায্যে রপ্তানির সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি নথিপত্র তৈরি, প্যাকেজিং এবং ছোট চালান পাঠানোর সুবিধা প্রদান করে।
সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জনযোগাযোগ
রপ্তানির জন্য প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে DGFT-এর আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে লজিস্টিক পরিকল্পনা, রপ্তানি পদ্ধতি, প্যাকেজিং-এর নিয়ম এবং নিয়ন্ত্রক বিধি মেনে চলা সংক্রান্ত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করে। বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এই জনসম্পৃক্ততা কর্মসূচিগুলির সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে এক্সপোর্ট ক্রেডিট গ্যারান্টি কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (ECGC), এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল ফর হ্যান্ডিক্রাফ্টস (EPCH), ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনস (FIEO), MSME মন্ত্রক, ইন্ডিয়া পোস্ট এবং এক্সিম ব্যাংক। এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের চিহ্নিত সমস্যাগুলি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, ই-কমার্স গ্রহণের ক্ষেত্রে অর্থপ্রদান সংক্রান্ত সমস্যা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ক্রেতার পরিচয় যাচাইয়ের মতো বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কেও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উন্নয়নে তৃণমূল স্তরের উদ্যোগকে উৎসাহিত করা
বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে DEH-কে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। নির্বাচিত জেলাগুলিতে রপ্তানি পরিকাঠামো ও পরিবেশকে শক্তিশালী করতে DGFT EXIM Bank-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। এই সহযোগিতার আওতায় EXIM Bank-এর গ্রাসরুটস ইনিশিয়েটিভস ফর ডেভেলপমেন্ট (GRID) কর্মসূচির অধীনে সহায়তার জন্য অনন্তপুর, রায়পুর, সোলান, তিরুপুর, কানপুর এবং কোলহাপুর- এই ছয়টি জেলা নির্বাচিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে তা সমাধানের ব্যবস্থা করা, সম্ভাব্য সুবিধাভোগীদের শনাক্ত করা এবং জেলা-ভিত্তিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রপ্তানির প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আপনি কি জানেন?
ভারতের নিটওয়্যার শিল্পের রাজধানী হিসাবে পরিচিত তিরুপুর ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে ৪৬,০০০ কোটি টাকার রেকর্ড রপ্তানি করেছে। তিরুপুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ২০৩০ সালের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকার রপ্তানির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের বস্ত্র রপ্তানি ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বাড়ানোর লক্ষ্যের সঙ্গে এই উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
DEH বাস্তবায়নে কেন্দ্রীভূত পদ্ধতি
বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে সরকার এবছর ১ জুন থেকে ডিস্ট্রিক্টস অ্যাজ এক্সপোর্ট হাবস উদ্যোগের আওতায় ফলাফলভিত্তিক, কেন্দ্রীভূত ও পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। বাস্তবায়নের প্রথম পর্যায়ে ২৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জেলাগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই কাজে ২৪টি DGFT আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এবং ১১টি সহযোগী সংস্থা সহায়তা করছে। চলমান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি প্রকল্পগুলির সমন্বয়, GI-ট্যাগযুক্ত পণ্য এবং MSME ক্লাস্টারগুলিকে কাজে লাগিয়ে নতুন রপ্তানিকারকদের নাম নথিভুক্ত করা এবং রপ্তানির মূল্য বৃদ্ধি করার মতো পরিমাপযোগ্য ফলাফলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
DEH-এর এই কাঠামো জেলাগুলিকে দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে এবং স্থানীয় উৎপাদনের শক্তিকে রপ্তানির সুযোগে পরিণত করতে সহায়তা করছে।
আগামীর পথ
ডিস্ট্রিক্টস অ্যাজ এক্সপোর্ট হাবস ভারতের রপ্তানি কৌশলে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে। কয়েকটি শিল্পকেন্দ্রে রপ্তানি বৃদ্ধিকে সীমাবদ্ধ রাখার পরিবর্তে প্রতিটি জেলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় শক্তির সঙ্গে উন্নত রপ্তানি সক্ষমতা, বাজারে প্রবেশের সুযোগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার সমন্বয়ের মাধ্যমে এই উদ্যোগ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শক্তিশালী রপ্তানি পরিবেশ গড়ে তুলছে।
ভারত যখন ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে চলেছে, তখন কেন্দ্র, রাজ্য এবং জেলাগুলির মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের চালিকাশক্তিতে পরিণত করা সম্ভব হবে এবং দেশের সর্বত্র রপ্তানিনির্ভর প্রবৃদ্ধি বিস্তৃত হবে।
তথ্যবিবরণী
Ministry of Commerce & Industry
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2197651®=3&lang=1
https://content.dgft.gov.in/Website/dgftprod/a667478a-d204-4d95-a71c-a58452e1c6d9/Note%20-%20Districts%20as%20Export%20Hubs%20Initiative.pdf
https://sansad.in/getFile/loksabhaquestions/annex/187/AU5109_bmg27T.pdf?source=pqals
https://www.facebook.com/DeptofCommerceIndia/videos/india-is-strengthening-district-level-export-competitiveness-through-the-distric/1826517751372921/
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2280927®=48&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2244401®=3&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1897408®=48&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2201284®=3&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2256724®=3&lang=1
DD News
https://ddnews.gov.in/en/services-boom-drives-indias-exports-to-record-usd-863-billion-in-2025-26/
Other organizations
https://ifpuat.gujarat.gov.in/DIGIGOV/digigov.htm;jsessionid=-VKltUfx4n22mbT4IYiYjyFavY2jMvzQVM49b4Hn.DIGIGOV?actionFlag=getDistrictAsExportHubForView&pagedisp=static
https://silpasathi.wb.gov.in/export-hub/
https://prsindia.org/policy/report-summaries/implementation-of-the-districts-as-export-hubs-initiative
https://eodbodisha.odisha.gov.in/Home/DEH
ODOP
https://odopup.in/en#district-products
IBEF
https://www.ibef.org/news/government-expands-deh-initiative-to-boost-district-level-export-competitiveness
PIB Archives
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2217539®=3&lang=1
Click here to see pdf
SSS/RP........
(রিলিজ আইডি: 2305925)
ভিজিটরের কাউন্টার : 3