ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ মন্ত্রক
শ্রী অরবিন্দ জেনারেল ডিগ্রি কলেজে ‘জনশিক্ষা কর্মসূচি’র আয়োজন করেছে কেভিআইসি’র আগরতলাস্থিত রাজ্য কার্যালয়
State Office KVIC, Agartala Organized People Education Programme at Sri Aurobindo General Degree College
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
28 AUG 2026 7:54PM by PIB Agartala
ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) মন্ত্রকের অধীনস্থ আগরতলাস্থিত ‘খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশন’ (কেভিআইসি), শ্রী অরবিন্দ জেনারেল ডিগ্রি কলেজের সহযোগিতায় ২৭ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোগপতি হওয়ার বিষয়ে সচেতনতা ও মানসিকতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবং গ্রামীণ এলাকায় গড়ে তোলা সম্ভব এমন কর্মসংস্থান-সৃষ্টিকারী প্রকল্প ও কর্মসূচির সুযোগ সম্পর্কে তাদের অবহিত করতে একদিনের একটি ‘জন-শিক্ষা কর্মসূচি’র আয়োজন করে৷
কেভিআইসি -এর আগরতলাস্থিত রাজ্য কার্যালয় ‘একদিনের গণ-শিক্ষা কর্মসূচি’-তে অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতা ও স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সেমিনার, একটি প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা এবং একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল।
অনুষ্ঠানটি শুরু করার আগে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিরা প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন এবং পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন শ্রী অরবিন্দ জেনারেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. দীপঙ্কর চক্রবর্তী।
কলেজের ছাত্রদের একটি দেশাত্মবোধক গানের মধ্য দিয়ে সেমিনারটির শুরু হয়। আমন্ত্রিত বক্তাদের সংবর্ধনা জানান কেভিআইসি, আগরতলার রাজ্য কার্যালয়ের অধিকর্তা ড. বিনীত চতুর্বেদী এবং কেভিআইসি-র অন্যান্য আধিকারিকরা। আমন্ত্রিত বক্তা ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সত্য দেব মিশ্র গান্ধীবাদী আদর্শ ও স্বনির্ভরতা বিষয়ক গান্ধীর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করেন এবং মানুষকে স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করেন। রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. সবিতা মিশ্র গান্ধীবাদী দর্শনের ওপর বক্তব্য রাখার সময় স্কুলস্তরে হস্তশিল্প-ভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন৷ তিনি বিশেষ করে চরকা ও তাকলির উদাহরণ দেন এবং এনইপি ২০২০-এ গান্ধীবাদী শিক্ষাপদ্ধতি অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। এছাড়া, শ্রী অরবিন্দ জেনারেল ডিগ্রি কলেজের (ইংরেজি মাধ্যম) ইতিহাস বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. নির্মাল্য কর্মকার 'স্বাধীনতার গান্ধীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি: চরকা, খাদি ও স্বদেশি চেতনা' বিষয়ক একটি দৃশ্য-উপস্থাপনা তুলে ধরেন৷ এর উদ্দেশ্য ছিল তরুণদের স্বাধীনচেতা হতে অনুপ্রাণিত করা এবং তাদের মধ্যে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা সঞ্চারিত করা।
অনুষ্ঠানটি চলাকালে ত্রিপুরার ‘রিয়াং’ সম্প্রদায়ের একদল কলেজ শিক্ষার্থী একটি নৃত্য পরিবেশন করে। এছাড়া, উদ্যোক্তা হওয়া এবং নিজস্ব উদ্যোগ গড়ে তোলার সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আগরতলা কেভিআইসি-র অধিকর্তা ড. বিনীত চতুর্বেদী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। শ্রী অরবিন্দ জেনারেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন পর্বের আগে, প্রবন্ধ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার সদ্ব্যবহার করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবদান রাখার আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়।
***
PS/DM/KMD
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2304393)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 35