যোগাযোগওতথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক
সতীশ গুজরালের জন্মশতবার্ষিকীতে ডাকবিভাগের স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ
प्रविष्टि तिथि:
03 AUG 2026 8:29PM by PIB Kolkata
নতুনদিল্লি, ৩ অগাস্ট ২০২৬
নতুনদিল্লির বিকানের হাউসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ডাক বিভাগ প্রখ্যাত শিল্পী, স্থপতি, ভাস্কর, ও লেখক প্রয়াত সতীশ গুজরালের জন্মশতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। ডাক পরিষেবা মহাপরিচালক শ্রী জিতেন্দ্র গুপ্ত, দিল্লি সার্কেলের চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল কর্নেল অখিলেশ কুমার পান্ডে, প্রখ্যাত ভারতীয় চিত্রশিল্পী, ভাস্কর ও ম্যুরালিস্ট এবং পদ্মভূষণ শ্রী যতীন দাস, ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্টের প্রাক্তন মহাপরিচালক ডঃ রাজীব লোচন, শ্রীমতি রসীল গুজরাল আনসাল, গুজরাল পরিবারের সদস্যরা এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দের উপস্থিতিতে স্মারক ডাকটিকিটটি প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী জ্যোতিরাদিত্য এম. সিন্ধিয়া।
এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রী জ্যোতিরাদিত্য এম. সিন্ধিয়া প্রয়াত সতীশ গুজরালকে একজন সৃজনশীল প্রতিভা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন শ্রী গুজরাল ছিলেন দৃঢচেতা ও উদ্ভাবক, যিনি ছিলেন চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, ম্যুরালিস্ট এবং লেখক। তাঁর সৃষ্টিকর্ম ভারত সহ সমগ্র বিশ্বে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
ডাক বিভাগের সঙ্গে সতীশ গুজরালের দীর্ঘ ও মধুর সম্পর্কের কথা স্মরণ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, প্রখ্যাত এই শিল্পী কেবল শিল্পকর্মই সৃষ্টি করেননি, বরং ডাকটিকিটের নকশার মাধ্যমে তিনি তাঁর শৈল্পিক ধারণাকে শক্তিশালী দৃশ্যমান আখ্যানে রূপান্তরিত করেছেন। ভিএসএনএল-এর ১২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিটের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শ্রী গুজরাল যোগাযোগের ধারণাকে সেই ডাকটিকিটে আকর্ষণীয় ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তি’-র বিষয়ে প্রকাশিত ডাকটিকিটে তিনি আক্ষরিক চিত্রের পরিবর্তে ভাবের মাধ্যমে অগ্রগতি, ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোকে একত্রিত করেছিলেন।
ডাকটিকিটের চিরস্থায়ী তাৎপর্যের বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডাকটিকিট আকারে খুব ছোট হলেও, আমাদের দেশের ভাবনা এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। ডাকটিকিট ১৪০ কোটি মানুষের আবেগ বহন করে। শহর, গ্রাম, ব্লকস্তরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সম্মিলিত স্মৃতিকে বহন করে এই ডাকটিকিট। এই স্মারক ডাকটিকিট সতীশ গুজরালের উত্তরাধিকারকে সংরক্ষণ করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
স্মারক ডাকটিকিটটিতে সতীশ গুজরালের একটি অবয়ব রয়েছে, যেখানে তিনি হাতে একটি তুলি নিয়ে বসে আছেন। এর মধ্য দিয়ে, শিল্প ও সৃজনশীলতার প্রতি তাঁর সারাজীবনের ভালোবাসার দিকটি পরিস্ফুট হয়। এই অবয়বে তাঁর চিন্তামগ্ন ভঙ্গি প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাঁর শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গির গভীরতা ও বহুমুখিতা প্রতিফলিত হয়। তাঁর স্বতন্ত্র শৈলীতে অনুপ্রাণিত হয়ে বেগুনি ও নীল রঙে আঁকা এক প্রাণবন্ত শৈল্পিক পটভূমিতে এই ছবি শিল্পীর সৃজনশীল অভিব্যক্তির এক অনুভূতি প্রকাশ করে। শ্রীমতি রসীল গুজরাল আনসালের পরামর্শক্রমে শ্রী অনুজ কুমার ডাকটিকিটটির নকশা করেছেন ।
সতীশ গুজরাল ছিলেন ভারতের বিশিষ্ট এক সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব, যাঁর কর্মজীবন সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত ছিল। পদ্মবিভূষণ সম্মানপ্রাপ্ত এই শিল্পী ভারতীয় শিল্প, স্থাপত্য এবং সংস্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তাঁর কাজ বিশ্বজুড়ে শিল্পীদের আজও অনুপ্রাণিত করে। এই স্মারক ডাকটিকিটটি তাঁর জীবন, কৃতিত্ব এবং ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে তাঁর চিরস্থায়ী অবদানকে সম্মান জানায়।
https://x.com/JM_Scindia/status/2084262060603392441?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2084262060603392441%7Ctwgr%5E9e78219a0338bb7c0b0e15e19ee274dba2f95207%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2294045reg%3D3lang%3D1
SC/CB/DM
(रिलीज़ आईडी: 2294180)
आगंतुक पटल : 5