স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সিসিটিভি মডেল দেশে সর্বপ্রথম ত্রিপুরা সীমান্তে চালু করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএসএফের সমস্ত ক্যামেরা আধুনিকীকরণ করে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদক ও অস্ত্রের হুমকি মোকাবেলায় সীমান্তবাসীকে প্রশিক্ষণ দিতে শিবিরের আয়োজন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদক ও অস্ত্র পাচারের বিরুদ্ধে ঘন ঘন অভিযান চালানো হবে, মাদক পাচারে জড়িত সমগ্র চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা রাজ্যগুলিরও দায়িত্ব, এর জন্য কালেক্টর ও জিএসটি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে
সীমান্তে আর্থিক লেনদেন, বড় ধরনের নির্মাণকাজ, সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের উপর কড়া নজরদারি, বিগত পাঁচ বছরের ভূমি রেকর্ড পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
प्रविष्टि तिथि:
06 JUN 2026 4:04PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি: ৭ জুন,২০২৬: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকার সমস্যা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গত ৫ই জুন আগরতলায় বিএসএফের ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের সদর দপ্তরে একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে বৃহত্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নত ও ব্যাপক সীমান্ত ব্যবস্থাপনার উপর আলোকপাত করা হয়।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেছেন, সীমান্ত সুরক্ষা শুধুমাত্র নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব নয় এটি একটি সামগ্রিক আঞ্চলিক দায়িত্ব। তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, গ্রাম পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি, সরপঞ্চ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ)-কে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্টমন্ত্রকের সিসিটিভি মডেল দেশের সর্বপ্রথম ত্রিপুরা সীমান্তে চালু করা হবে। বিএসএফের ক্যামেরাগুলি আধুনিকীকরণ করে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত সরকার সীমান্ত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিটি সীমান্ত এলাকাকে শক্তিশালী করছে। শুধু কাঁটাতারের বেড়া দেওয়াই নয়, বরং স্থানীয় প্রশাসন, স্মার্ট প্রযুক্তি এবং বিএসএফ-সহ সম্পূর্ণ ভূখণ্ডগত প্রতিরক্ষাই একটি পুরোপুরি সুরক্ষিত ও ত্রুটিহীন সীমান্ত জাল তৈরি করবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক ও অস্ত্রের হুমকি মোকাবেলায় সীমান্তবাসীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য শিবির আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি এই শিবিরগুলিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের জন প্রতিনিধি, স্থানীয় পুলিশ এবং বিএসএফ কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন, মাদক ও অস্ত্র পাচারের বিরুদ্ধে ঘন ঘন অভিযান চালাতে হবে এবং মাদক পাচারে জড়িত সমগ্র চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সীমান্ত জেলাগুলিতে আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা রাজ্যগুলিরও দায়িত্ব। তিনি কালেক্টর ও জিএসটি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস (সি.বি.ডি.টি)-কে জাল মুদ্রার বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শ্রী শাহ সীমান্তে আর্থিক লেনদেন, বড় বড় ভবন নির্মাণ এবং সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের উপর কড়া নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বিগত পাঁচ বছরের ভূমি রেকর্ড পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত সরকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর সর্বোচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সীমান্ত এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সংস্থাগুলির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় সাধনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈঠকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা, মুখ্যসচিব, আট জেলার জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারগণ, বিএসএফের উচ্চপদস্থ অধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
***
PS/PKS/KMD
(रिलीज़ आईडी: 2270141)
आगंतुक पटल : 11
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English