যোগাযোগ মন্ত্রক
গত এক দশকে সরকার ও শিল্প মহলের মধ্যে সমন্বয়ের কারণেই ভারতের টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ডঃ পেম্মাসানি চন্দ্র শেখরের অভিমত
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
24 APR 2026 1:33PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
দিল্লিতে আজ দ্বিতীয় সিওএআই ডিজিকম শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন যোগাযোগ ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ডঃ পেম্মাসানি চন্দ্র শেখর। এবারের এই সম্মেলনের মূল ভাবনা “ইন্ডিয়াজ টেকেড : অ্যাক্সিলেরাটিং অ্যান্ড শেপিং দ্য ডিজিটাল ফিউচার”। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রী চন্দ্রশেখর বলেন, ভারতে টেলি যোগাযোগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংস্কারমূলক উদ্যোগের কারণে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। প্রযুক্তি কোথাও থেমে থাকে না। ৬ জি, কৃত্রিম মেধা এবং কোয়ান্টাম পরবর্তী যুগের সূচনা করবে। সরকার এবং শিল্প মহল একটি শক্তিশালী টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। এ ছাড়াও টেলিযোগাযোগ নীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়েছে। ১৪০ বছর পর ভারতের টেলিযোগাযোগ আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০২৩ সালের টেলিযোগাযোগ আইন এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক হয়েছে।
ভারতনেট পরিষেবার মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২ লক্ষ ৬০ হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতকে ভারত নেটের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে। সঞ্চারসাথী, ডিজিটাল ইন্টালিজেন্স প্ল্যাটফর্ম, চক্ষু এবং এএসটিআর-এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যার হাত থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাত্র ২২ মাসের মধ্যে দেশজুড়ে ৫ জি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ৪০ কোটি গ্রাহকের সুবিধার্থে ৫ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি বেস স্টেশন গড়ে তোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারতে টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে মাশুলের হার সবথেকে কম। ২০২৫ সালে এই ক্ষেত্রে রাজস্ব আদায় ১০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৭২ হাজার কোটি টাকা।
মন্ত্রী জানান টেলি যোগাযোগ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সরঞ্জাম দেশে উৎপাদনের জন্য উৎসাহ ভিত্তিক উৎপাদন প্রকল্প শুরু হয়েছে। ৪২ টি সংস্থাকে এই প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশে যাতে সংশ্লিষ্ট শিল্পে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উৎপাদন করা যায় সেই লক্ষ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কাজের জন্য ৫৪২ কোটি টাকার একটি তহবিল তৈরি করা হয়েছে।
*****
PS/Agt
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2255916)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 6