পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সাংবাদিক সম্মেলন

পোস্ট করার দিনক্ষণ: 08 APR 2026 6:07PM by PIB Agartala

নতুন দিল্লি, ০৮ এপ্রিল, ২০২৬: পশ্চিম এশিয়ার উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আজ 'ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টার'-এ একটি সংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস; বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ; বিদেশ; এবং তথ্য ও সম্প্রচার—মন্ত্রকের কর্মকর্তারা সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানান। কয়লা মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও কয়লা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যাবলী তুলে ধরা হয়।

কয়লা ক্ষেত্রের সর্বশেষ তথ্য

• কয়লা মন্ত্রক দেশে কয়লার নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানায়। শেই তথ্য অনুযায়ী:

• বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, কয়লা ক্ষেত্রের ওপর অধিকতর দায়িত্ব এসেছে এবং সেই চাহিদা পূরণে মন্ত্রক সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কয়লার পর্যাপ্ত মজুতের সাহায্যে রেল, খনি ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। সময়োপযোগী পরিকল্পনার সুবাদে, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করার অনেক আগেই পর্যাপ্ত কয়লা মজুত করা সম্ভব হয়েছিল। এতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়েছে।

• কয়লা মন্ত্রক ভারতীয় রেল ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কয়লার নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করছে। কয়লার দাম যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

• 'কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড' এবং 'সিঙ্গারেণি কোলিয়ারিজ কোম্পানি লিমিটেড' কয়লা উৎপাদনের বর্ধিত খরচ নিজেদের কাঁধেই তুলে নিয়েছে এবং সেই বাড়তি খরচের বোঝা গ্রাহকদের উপর চাপায়নি।

• 'কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড' ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রিত কয়লার 'সংরক্ষিত মূল্য' হ্রাস করেছে। পাশাপাশি, ই-নিলাম এবং 'রাষ্ট্র-মনোনীত সংস্থা'র মাধ্যমে কয়লার সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে।

• ২০২৬ সালের মার্চ মাসে 'কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড' ই-নিলামের সংখ্যা ও পরিসর বৃদ্ধি করেছে। এই নিলামগুলোতে মোট ৩ কোটি ২৫ লক্ষ ৩০ হাজার টন কয়লা বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়, যার মধ্যে ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ২০ হাজার টন—যা মোট প্রস্তাবিত পরিমাণের প্রায় ৪০.৯৪ শতাংশ—বিক্রয় বা বুকিং করা সম্ভব হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের জন্য মোট ৩০টি ই-নিলামের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ২ কোটি ৫৮ লক্ষ টন কয়লা বিক্রির প্রস্তাব রাখা হবে। এখন পর্যন্ত ৩.২০ মিলিয়ন টন কয়লা সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং ১.২৪ মিলিয়ন টন বুক করা হয়েছে, যা মোট প্রস্তাবের প্রায় ৩৮.৭৫ শতাংশ।

• কয়লা মন্ত্রক রাজ্য সরকারগুলিকে সময়মতো তাদের চাহিদার পরিমাণ জানাতে অনুরোধ করেছে। মুনাফালোভী কার্যকলাপ ও মজুতদারি রোধ করতে পরামর্শ দিয়েছে। রাজ্য মনোনীত সংস্থাগুলোর দ্বারা কয়লা উত্তোলনের বিষয়টি প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত কয়লার বিপরীতে বার্ষিক গড় উত্তোলন দাঁড়িয়েছে ১৪.২৬ শতাংশে; রাজ্যগুলোকে ৩১.০৩.২০২৬ তারিখের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট বরাদ্দ উত্তোলন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে কয়লা উত্তোলনের হার দাঁড়িয়েছে ১৪.৭৫ শতাংশে।

• রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের পর, বিহার, গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, পাঞ্জাব এবং ত্রিপুরা তাদের বরাদ্দের অনুরোধ জমা দিয়েছে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ১.৫০২ মিলিয়ন টন কয়লা বরাদ্দ করা হয়েছে।

• কয়লা সরবরাহ ব্যবস্থার সর্বত্রই পর্যাপ্ত পরিমাণ সঞ্চয় মজুত রাখা হয়েছে। ০৬.০৪.২০২৬ তারিখের হিসাব অনুযায়ী, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত দাঁড়িয়েছে ৫৫.১৮ মিলিয়ন টনে, যাতে ২৪ দিনের কাজ চলবে। এছাড়া, খনিগুলিতে এবং পরিবহনের বিভিন্ন পর্যায়ে আরও প্রায় ১৭১.৯০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুত রয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহ

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে:

জনসাধারণের প্রতি পরামর্শ এবং নাগরিক সচেতনতা

• নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যেন তাঁরা পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি (LPG)-র জন্য আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা না করেন এবং তথ্যের জন্য শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করেন।

• এলপিজি গ্রাহকদের অনুরোধ করা হচ্ছে যেন তাঁরা ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন এবং ডিস্ট্রিবিউটর বা পরিবেশকদের দপ্তরে না যান।

• নাগরিকদের পিএনজি (PNG) এবং বৈদ্যুতিক বা ইন্ডাকশন কুকটপের মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

• বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল নাগরিককে জ্বালানি সাশ্রয় করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত পদক্ষেপ

• সরকার অভ্যন্তরীণ এলপিজি এবং পিএনজি সরবরাহের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে—বিশেষ করে হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

• সরকার শোধনাগারের উৎপাদন বাড়িয়েছে, এলপিজি বুকিংয়ের মধ্যবর্তী ব্যবধান শহরাঞ্চলে ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন পর্যন্ত করা হয়েছে।

• এলপিজি-র চাহিদার ওপর চাপ কমাতে কেরোসিন এবং কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে।

• কয়লা মন্ত্রক, 'কোল ইন্ডিয়া' এবং 'সিঙ্গারেণি কোলিয়ারিজ'-কে রাজ্যগুলিতে অতিরিক্ত কয়লা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে।

• গৃহস্থালি এবং বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন পিএনজি সংযোগ প্রদানের বিষয়টি সহজতর করে তুলতে রাজ্যগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাসমূহ

• 'অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫' এবং 'এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ২০০০'-এর আওতায় রাজ্য সরকারগুলিকে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

• ভারত সরকার গত ২৭.০৩.২০২৬ এবং ০২.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠিতে জ্বালানির সরবরাহ সম্পর্কে নাগরিকদের নিয়মিত অবহিত করার উপর জোর দিয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে নিয়মিত পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ০২.০৪.২০২৬ তারিখে (পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সচিবের পৌরোহিত্যে) এবং ০৬.০৪.২০২৬ তারিখে (পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, তথ্য ও সম্প্রচার এবং ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের সচিবদের উপস্থিতিতে) দুটি সভার আয়োজন করা হয়। এতে যে বিষয়গুলির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হল:

o প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা এবং নিয়মিতভাবে জনসাধারণের উদ্দেশে পরামর্শ বা নির্দেশিকা জারি করা।

o সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর নজরদারি এবং সেগুলির মোকাবিলা করা। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দৈনিক তদারকি অভিযান জোরদার করা এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে আকস্মিক তল্লাশি ও পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

o রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর জন্য বাণিজ্যিক এলপিজি (LPG) বরাদ্দের আদেশ জারি করা।

o রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত এসকেও (SKO)-এর বরাদ্দের আদেশ জারি করা।

o পিএনজি (PNG)-এর ব্যবহার এবং বিকল্প জ্বালানির প্রচলনকে উৎসাহিত করা।

o এলপিজি সরবরাহে—বিশেষ করে গার্হস্থ্য চাহিদার ক্ষেত্রে—অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সরবরাহের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ৫ কেজি ওজনের এফটিএল (FTL) সিলিন্ডারের সরবরাহে জোর দেওয়া।

• মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন এবং জেলা পর্যায়ের তদারকি কমিটি গঠন।

• বর্তমানে ২৪টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করছে।

তদারকি ও পর্যবেক্ষণমূলক কার্যক্রম

• এলপিজি-র মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে দেশজুড়ে তদারকি ও অভিযানমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গতকাল সারা দেশে প্রায় ৪,০০০টি স্থানে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হয় এবং প্রায় ১,০০০টি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়।

• এ পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৫৬,০০০-এরও বেশি এলপিজি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

• রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি তাদের আকস্মিক পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করেছে; এর অঙ্গ হিসেবে তারা ১,৭৭০টিরও বেশি 'কারণ দর্শানোর নোটিশ' জারি করেছে, ১৭৫টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৫১টি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

LPG সরবরাহ

গৃহস্থালীর LPG সরবরাহের বর্তমান অবস্থা:

• বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে LPG সরবরাহ প্রভাবিত হচ্ছে।

• কোনো LPG ডিস্ট্রিবিউটরশিপ বা বিতরণ কেন্দ্রে সিলিন্ডার ফুরিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

• অনলাইন LPG বুকিংয়ের হার বেড়ে প্রায় ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

• সরবরাহ যাতে অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া না হয়, তা রোধ করার লক্ষ্যে 'ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড' (DAC)-ভিত্তিক সরবরাহের হার বেড়ে প্রায় ৯১ শতাংশ হয়েছে।

• গৃহস্থালীর LPG সিলিন্ডার সরবরাহের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রয়েছে।

• ০৭.০৪.২০২৬ তারিখে পর্যন্ত, ৫৩.৫ লক্ষেরও বেশি গৃহস্থালীর LPG সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে।

বাণিজ্যিক LPG সরবরাহ এবং বরাদ্দ সংক্রান্ত পদক্ষেপ:

• মোট বাণিজ্যিক LPG বরাদ্দ বাড়িয়ে সংকট-পূর্ববর্তী সময়ের প্রায় ৭০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে; এর মধ্যে ১০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সংস্কার-সংযুক্ত হিসেবে।

• ভারত সরকার ০৮.০৪.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে—

o ফার্মা, খাদ্য, পলিমার, কৃষি, প্যাকেজিং, রং, ইউরেনিয়াম, হেভি ওয়াটার, ইস্পাত, বীজ, ধাতু, সিরামিক, ফাউন্ড্রি, ফর্জিন, কাঁচ, অ্যারোসল প্রভৃতি ক্ষেত্রের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিও এখন থেকে তাদের মার্চ-২০২৬ পূর্ববর্তী সময়ের 'বাল্ক নন-ডোমেস্টিক LPG' ব্যবহারের মাত্রার ৭০ শতাংশ বরাদ্দ পাবে। তবে সর্বোচ্চ সীমা দৈনিক ০.২ TMT (হাজার মেট্রিক টন)-এ বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

o এই বরাদ্দের আওতায় 'বাল্ক LPG' সুবিধা পেতে হলে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে অবশ্যই নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

• ভারত সরকার ০৬.০৪.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে যে, প্রতিটি রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণের জন্য ৫ কেজি ওজনের FTL সিলিন্ডারের দৈনিক পরিমাণ এখন দ্বিগুণ করা হচ্ছে।

• ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৮.৯ লক্ষ ৫-কেজি ওজনের 'ফ্রি ট্রেড এলপিজি' (FTL) সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

• গত ৫ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো ৫ কেজি FTL সিলিন্ডার সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ১৬০০টি শিবিরের আয়োজন করেছে। এই শিবিরগুলোতে ১৪,০০০-এরও বেশি ৫ কেজি FTL সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

• চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দৈনিক বিক্রির গড় পরিমাণ যেখানে ৭৭,০০০ ছিল, সেখানে ০৭.০৪.২০২৬ তারিখে দেশ জুড়ে ১.১ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজি FTL সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

• IOCL, HPCL এবং BPCL-এর নির্বাহী পরিচালকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি তিন-সদস্যের কমিটি বাণিজ্যিক এলপিজি বিতরণের পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে রাজ্য কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় সাধন করছে।

• ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৯৩,০৮৫ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে। গতকাল, ৬৬৪৬ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে।

প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং PNG সম্প্রসারণ উদ্যোগ

• গৃহস্থালীর PNG এবং CNG চালিত পরিবহণ ক্ষেত্রের জন্য ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

• সার কারখানাগুলিতে সামগ্রিক গ্যাস বরাদ্দ আরও ৫% বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে, ০৯.০৪.২০২৬ তারিখ থেকে এই কারখানাগুলি তাদের গত ছয় মাসের গড় ব্যবহারের প্রায় ৯৫% গ্যাস বরাদ্দ পাবে।

• সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (CGD) নেটওয়ার্কসহ অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও গ্যাস সরবরাহ আরও ১০% বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা ০৬.০৪.২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

• CGD সংস্থাগুলোকে হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ক্যান্টিনের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে PNG সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

• IGL, MGL, GAIL Gas এবং BPCL-এর মতো CGD কোম্পানিগুলো গৃহস্থালী ও বাণিজ্যিক PNG সংযোগের জন্য উৎসাহ দিচ্ছে।

• CGD নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

• ভারত সরকার ১৮.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে অতিরিক্ত ১০% বাণিজ্যিক LPG বরাদ্দ করার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে শর্ত হলো, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে LPG থেকে PNG-তে দীর্ঘমেয়াদী রূপান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে হবে।

• গুজরাট, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা সহ ১৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যেই PNG সম্প্রসারণ সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত বাণিজ্যিক LPG বরাদ্দ গ্রহণ করছে।

• PNGRB নির্দেশ দিয়েছে যে, যেসব স্থানে পাইপলাইনের সুবিধা রয়েছে, সেখানে স্কুল, ছাত্রাবাস, কমিউনিটি কিচেন এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিতে পাঁচ দিনের মধ্যে PNG সংযোগ দিতে হবে।

• সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক CGD অবকাঠামোর জন্য অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুততর করেছে। এই কাঠামোর আওতায় আগামী তিন মাসের জন্য আবেদনগুলি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে।

• ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে 'অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫'-এর অধীনে 'প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিতরণ আদেশ, ২০২৬' জারি করেছে। এই আদেশের মাধ্যমে সারা দেশে পাইপলাইন স্থাপন ও সম্প্রসারণের জন্য একটি সুবিন্যস্ত ও সময়নির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

• প্রতিরক্ষা আবাসন এলাকাগুলোতে পিএনজি পরিকাঠামো স্থাপনের কাজ দ্রুততর করার লক্ষ্যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী নীতি সংশোধন জারি করেছে।

• পিএনজি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের গতি অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্যে, পিএনজিআরবি (PNGRB) 'ন্যাশনাল পিএনজি ড্রাইভ ২.০'-এর মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

• পরিচ্ছন্ন, অধিক নিরাপদ এবং আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ভবিষ্যতের লক্ষ্যে উৎসাহিত করতে, ভারত সরকার একটি 'মডেল খসড়া রাজ্য সিবিজি (CBG) নীতি' প্রণয়ন করেছে।

• ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত, প্রায় ৩.৮৭ লক্ষ পিএনজি সংযোগে গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়েছে এবং প্রায় ৪.২১ লক্ষ গ্রাহক নতুন সংযোগের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

• ১৭,১০০-এরও বেশি পিএনজি গ্রাহক 'MYPNGD.in' ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাঁদের এলপিজি সংযোগগুলি ফিরিয়ে দিয়েছেন।

অপরিশোধিত তেলের অবস্থান এবং শোধনাগারের কার্যক্রম

o দেশের সমস্ত শোধনাগার পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেলের মজুত নিয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুতও বজায় রাখা হচ্ছে।

o দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে শোধনাগারগুলি থেকে এলপিজি-র অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

o ভারত সরকার ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল জারিকরা একটি আদেশের মাধ্যমে, ভারতের পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন শোধনাগার কোম্পানিগুলিকে এই মর্মে অনুমতি প্রদান করেছে যে—তারা যেন 'সেন্টার ফর হাই টেকনোলজি' (CHT) কর্তৃক নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ও শোধনাগারের উৎস অনুযায়ী—'ফার্মাসিউটিক্যালস বিভাগ', 'খাদ্য ও গণবন্টন বিভাগ', 'রসায়ন ও পেট্রোকেমিক্যাল বিভাগ' ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম পরিমাণে 'C3' ও 'C4' স্ট্রিম বা উপজাত সরবরাহ করে।

o উপরোক্ত বিভাগগুলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর জন্য দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন সরবরাহের সংস্থান রাখা হয়েছে।

জ্বালানির খুচরো বিক্রয় এবং মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ

• সারা দেশের খুচরো জ্বালানি বিক্রয় কেন্দ্রগুলি স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

• মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের ফলে অপরিশোধিত তেলের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটেছে; তবে, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার্থে ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর অন্তঃশুল্ক লিটার পিছু ১০ টাকা করিয়েছে।

• দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ডিজেলের ওপর লিটার পিছু ২১.৫ টাকা এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের ওপর প্রতি লিটারে ২৯.৫ টাকা হারে রপ্তানি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

• খুচরো বিক্রয় কেন্দ্রগুলিতে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

• সরকার নাগরিকদের গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এবং রাজ্য সরকারগুলিকে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রচার করার অনুরোধ জানিয়েছে।

কেরোসিনের সরবরাহ ও বিতরণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ

• রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে তাদের নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত হিসেবে আরও ৪৮,০০০ কিলোলিটার কেরোসিন দেওয়া হয়েছে।

• ভারত সরকার ২৯.০৩.২০২৬ তারিখের এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, যেসব রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় কেরোসিন বিতরণ ব্যবস্থা চালু নেই, সেখানে শুধুমাত্র রান্নাবান্না ও আলোকসজ্জার উদ্দেশ্যে গণবন্টন ব্যবস্থায় 'সুপিরিয়র কেরোসিন অয়েল' বিতরণের ব্যবস্থা করেছে—

o প্রতিটি জেলায় সর্বাধিক দুটি সরকারি তেল বিপণন সংস্থার সার্ভিস স্টেশনকে ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত PDS SKO মজুত রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

o প্রতিটি জেলায় এই নির্দিষ্ট PSU OMC সার্ভিস স্টেশনগুলি মনোনীত করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

• ১৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল SKO বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশ ও লাদাখ জানিয়েছে যে তাদের কেরোসিনের কোনো প্রয়োজন নেই।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত কার্যক্রম

পারস্য উপসাগরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের সুরক্ষার জন্য গৃহীত পদক্ষে:

• ওই অঞ্চলের সকল ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় পতাকাবাহী কোনো জাহাজ কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার মধ্যে পড়েনি।

• DG Shipping—জাহাজ মালিক, RPSL সংস্থা এবং বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলির সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে—পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

• DG Shipping-এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ২৪ ঘণ্টাই সচল রয়েছে। চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে ৫,৪৮১টি ফোন কল এবং ১১,৭২৬টি ইমেইলের জবাব দেওয়া হয়েছে—যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১৩৯টি ফোন কল এবং ৬৭৩টি ইমেইলের উত্তর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। DG Shipping এখন পর্যন্ত ১,৭৫৪-এরও বেশি ভারতীয় নাবিকের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করেছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ৬৩ জন নাবিক দেশে ফিরেছেন।

• ভারত জুড়ে বন্দরের কাজক্রম স্বাভাবিক রয়েছে, কোথাও কোনো যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির রাজ্য সামুদ্রিক বোর্ডগুলি সুষ্ঠুভাবে তাদের কাজ চালাচ্ছে।

এই অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা

• বিদেশ মন্ত্রক পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নিবিড়ভাবে নজর রেখেছে। এই অঞ্চলে বসবাসরত বিশাল ভারতীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভারতীয় নাগরিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে, মন্ত্রকের অভ্যন্তরে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা হয়েছে। মন্ত্রক বিভিন্ন রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে।

• এই অঞ্চলর ভারতীয় মিশন এবং দপ্তরগুলি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন খোলা রয়েছে। স্থানীয় ভারতীয় কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশন, বিভিন্ন সংগঠন ও ভারতীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত পরামর্শ বা 'অ্যাডভাইজরি' প্রকাশ করা হচ্ছে। মিশনগুলি স্থানীয় সরকারগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা, যাতায়াত, লজিস্টিক সহায়তা প্রদান সহ সবরকমের সহায়তা করছে।

• যেসব দেশের আকাশসীমা উন্মুক্ত রয়েছে, সেখান থেকে ভারতে বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত, এইসব অঞ্চল থেকে প্রায় ৭,৮৮,০০০ যাত্রী ভারতে যাতায়াত করেছেন।

• ইসরায়েল, ইরাক, কুয়েত এবং বাহরাইনে বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ ও আকাশসীমা বন্ধ থাকার পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতীয় নাগরিকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিকল্প পথগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে:

• ইরান থেকে—আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্য দিয়ে—ভারতে;

• ইসরায়েল থেকে—মিশর ও জর্ডানের মধ্য দিয়ে—ভারতে;

• ইরাক থেকে—জর্ডান ও সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে—ভারতে;

• এবং কুয়েত ও বাহরাইন থেকে—সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে—ভারতে।

• ইরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস একটি নতুন পরামর্শ বা 'অ্যাডভাইজরি' জারি করেছে, যেখানে ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তাঁরা দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করেন এবং নির্দেশিত পথগুলি অনুসরণ করে যত দ্রুততম সম্ভব ইরান ছেড়ে চলে যান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানে প্রায় ৭,৫০০ ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।

• গতকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যঅনুযায়ী, ভারতীয় দূতাবাস আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে সংযুক্ত স্থলসীমান্ত পথ ব্যবহার করে ইরান থেকে ১,৮৬৪ জন ভারতীয় নাগরিকের প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করেছে। এই নাগরিকদের মধ্যে ৯৩৫ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী এবং ৪৭২ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী রয়েছেন।

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলি প্রসঙ্গে বিবৃতি

"আমরা যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাই এবং আশা করি যে, এটি পশ্চিম এশিয়ায় একটি স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে। আমরা যেমনটি পূর্বেও ধারাবাহিকভাবে বলে এসেছি, চলতি সংঘাতের দ্রুত অবসানের লক্ষ্যে উত্তেজনা প্রশমন, সংলাপ এবং কূটনীতি অপরিহার্য।

এই সংঘাত ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্য নেটওয়ার্ককে ব্যাহত করেছে। আমরা প্রত্যাশা করি যে, হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে জাহাজ-চলাচলের অবাধ স্বাধীনতা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত থাকবে।

ভারত সর্বদা শান্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক এমন সকল পদক্ষেপকেই আমরা স্বাগত জানাই। আমরা আশা করি, পশ্চিম এশিয়ার এই ইতিবাচক অগ্রগতি ইউক্রেনেও শান্তি প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করবে।"

*****

PS/Agt


(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2250348) ভিজিটরদের কাউন্টার : 7
এই বিজ্ঞপ্তিটি পড়ুন এভাবে: English