পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রক সাংবাদিক বৈঠক

পোস্ট করার দিনক্ষণ: 27 MAR 2026 6:16PM by PIB Agartala

নয়াদিল্লি, ২৭ মার্চ ২০২৬

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আজ পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ এবং বিদেশ মন্ত্রকের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকরা দিল্লির ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক করেন।

কর ও শুল্ক-সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য

সরবরাহের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে গৃহীত সাম্প্রতিক কর ও শুল্ক-সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি হল:

· পশ্চিম এশিয়ায় বর্তমান সঙ্কটের প্রভাব ভারতীয় অর্থনীতির ওপর পড়েছে; বিশেষ করে পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে এই প্রভাব বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে।

· এই সঙ্কটের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে। পাশাপাশি পেট্রোল, ডিজেল এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল বা বিমান জ্বালানির আন্তর্জাতিক দামও অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

· বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে তেল শোধনাগারগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া দামে পেট্রোলিয়াম পণ্য রপ্তানিতে উৎসাহিত হচ্ছে।

· এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সুচিন্তিত ও উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

· বিশেষ অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক এবং/অথবা 'সড়ক ও পরিকাঠামো সেস'-এর আকারে রপ্তানি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ভারতে উৎপাদিত ডিজেল এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ) রপ্তানির ওপর এই শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে।

ঘোষিত হার অনুযায়ী:

Ø ডিজেল রপ্তানির ওপর শুল্ক: প্রতি লিটারে ২১.৫০ টাকা

Ø এটিএফ রপ্তানির ওপর শুল্ক: প্রতি লিটারে ২৯.৫০ টাকা

Ø বর্তমান 'ক্র্যাক মার্জিন'-এর ওপর ভিত্তি করে পেট্রোল রপ্তানির ওপর শুল্ক বর্তমানে শূন্য রাখা হয়েছে।

· এই শুল্কের হার প্রতি ১৫ দিন অন্তর পর্যালোচনা করা হবে।

· এই পদক্ষেপগুলির মূল লক্ষ্য হল, দেশে ডিজেল এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের পর্যাপ্ত প্রাপ্যতাকে সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

· বিশ্বব্যাপী চলতে থাকা অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশে জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এই পদক্ষেপগুলির অন্যতম উদ্দেশ্য। সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের প্রাপ্যতা ও মূল্য — উভয় ক্ষেত্রেই অস্থিরতা বৃদ্ধির ফলে এই অনিশ্চয়তা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

· রপ্তানি-সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি ছাড়াও, অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর ধার্য অন্ত: শুল্কেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

· এই পরিবর্তনের ফলে পেট্রোল এবং ডিজেল – উভয়ের ক্ষেত্রেই অভ্যন্তরীণ 'বিশেষ অতিরিক্ত অন্ত: শুল্ক' প্রতি লিটারে ১০ টাকা করে হ্রাস করা হয়েছে।

· এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণের উদ্দেশ্য হলো, বর্তমান সঙ্কটের মধ্যেও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরা মূল্য যাতে বৃদ্ধি না পায়, তা সুনিশ্চিত করা।

· বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ নিয়মিত সময় অন্তর পরিস্থিতির পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শক্তি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা

জ্বালানি সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে; এতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং এলপিজি-র নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। এতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে:

অপরিশোধিত তেল এবং শোধনাগারসমূহ

· পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেলের মজুত নিয়ে সমস্ত শোধনাগার পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে এবং পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

· অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে শোধনাগারগুলো থেকে এলপিজি-র অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রসমূহ

· দেশজুড়ে সমস্ত খুচরো বিক্রয় কেন্দ্র (পেট্রোল পাম্প) স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। 

· মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটের কারণে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর আবগারি শুল্ক প্রতি লিটারে ১০ টাকা হ্রাস করেছে।

· অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির পর্যাপ্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ডিজেল রপ্তানির ওপর প্রতি লিটারে ২১.৫ টাকা এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল রপ্তানির ওপর প্রতি লিটারে ২৯.৫ টাকা হারে শুল্ক আরোপ করেছে।

· সরকার অভ্যন্তরীণ শোধনাগারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে যে, তারা যেন রপ্তানির উদ্দেশ্যে নির্ধারিত পেট্রোলের ৫০ শতাংশ এবং ডিজেলের ৩০ শতাংশ অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ করে।

· গুজবের কারণে কিছু এলাকায় মানুষ আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনা শুরু করে; তবে দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্পেই পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

প্রাকৃতিক গ্যাস

· গ্যাস বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নীতি অব্যাহত রয়েছে; এর আওতায় বাড়ি বাড়ি পিএনজি এবং সিএনজি-চালিত যানবাহনে ১০০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গ্রিডের সাথে সংযুক্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে গড় চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ বজায় রাখা হচ্ছে।

· সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সংস্থাগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন রেস্তোরাঁ, হোটেল এবং ক্যান্টিনের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে পিএনজি সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়।

· আইজিএল, এমজিএল, গেইল গ্যাস এবং বিপিসিএল-এর মতো সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো গৃহস্থালী ও বাণিজ্যিক পিএনজি সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম ছাড়ের প্রস্তাব দিচ্ছে।

· ভারত সরকার বিভিন্ন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে, তারা যেন সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত সম্পন্ন করে।

· ভারত সরকার ১৮.০৩.২০২৬ তারিখে একটি চিঠির মাধ্যমে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বাণিজ্যিক এলপিজি-র অতিরিক্ত ১০% বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে; এই বরাদ্দ এলপিজি থেকে পিএনজি-তে রূপান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া, যে সব রাজ্য সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, সেগুলির জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে।

· বেশ কয়েকটি রাজ্য পিএনজি সংযোগ ব্যবস্থা দ্রুত সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—'ব্যবহারের অধিকার' / 'পথ চলার অধিকার' (Right of User/Right of Way) সংক্রান্ত অনুমতি প্রদানের প্রক্রিয়াকে সহজতর করা, কাজের সময়সীমা বৃদ্ধি করা এবং বিভিন্ন মাশুল বা চার্জকে যুক্তিযুক্ত করা।

· পেট্রোলিয়াম ও বিস্ফোরক সুরক্ষা সংস্থা (পেসো) তাদের অধীনস্থ কার্যালয়গুলিকে নির্দেশ দিয়েছে যে, তারা যেন 'সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন' (সিজিডি) সংক্রান্ত আবেদনগুলি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ১০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করে।

· পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রক বোর্ড (পিএনজিআরবি) ২৩.০৩.২০২৬ তারিখে এক আদেশের মাধ্যমে সিজিডি সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে যে, যেখানে যেখানে সম্ভব সেখানে আবাসিক বিদ্যালয়, কলেজ, ছাত্রাবাস, কমিউনিটি কিচেন এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির রান্নাঘরে পিএনজি সংযোগ প্রদানের বিষয়টিকে পাঁচ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

· সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক সিজিডি পরিকাঠামো সংক্রান্ত অনুমোদনের জন্য একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যার আওতায় আগামী তিন মাসের জন্য অনুমোদনের সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে।

· ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে 'প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিতরণ আদেশ, ২০২৬' জারি করেছে। এই আদেশের মাধ্যমে পাইপলাইন পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ এবং 'লাস্ট-মাইল কানেক্টিভিটি' বা শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সংযোগ ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি সহজতর ও সময়সীমা-ভিত্তিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

· সিজিডি সংস্থাগুলি গত এক দিনে ১১০টি ভৌগোলিক এলাকার আওতাধীন অঞ্চলে মোট ১০,৫৬৮টি পিএনজি সংযোগ (নতুন সংযোগ এবং গ্যাস সরবরাহ চালু হওয়ার সংযোগ মিলিয়ে) প্রদানের তথ্য জানিয়েছে।

এলপিজি

· বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহের বিষয়টি অব্যাহতভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।

· এলপিজি পরিবেশক কেন্দ্রগুলিতে (ডিস্ট্রিবিউটরশিপ) এলপিজি সম্পূর্ণ ফুরিয়ে যাওয়ার বা 'ড্রাই-আউট' হওয়ার কোনও ঘটনা রিপোর্ট করা হয়নি।

· গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

· সরকার ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের জন্য বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহের আংশিক অংশ (২০%) পুনরায় চালু করেছিল; এর পাশাপাশি পিএনজি সংক্রান্ত সংস্কারমূলক পদক্ষেপের শর্তসাপেক্ষে আরও ১০% অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছিল।

· ভারত সরকার ২১.০৩.২০২৬ তারিখে একটি চিঠির মাধ্যমে আরও ২০% অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদানের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে বাণিজ্যিক এলপিজি-র মোট বরাদ্দের পরিমাণ বেড়ে ৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে; যেমন—রেস্তোরাঁ, ধাবা, হোটেল, শিল্প-কারখানার ক্যান্টিন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও দুগ্ধ শিল্প, রাজ্য সরকার বা স্থানীয় সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত ভর্তুকিযুক্ত ক্যান্টিন/খাদ্য বিক্রয় কেন্দ্র, কমিউনিটি কিচেন এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজি ওজনের 'এফটিএল' সিলিন্ডার। · ভারত সরকার গত ২৭.০৩.২০২৬ তারিখে এক চিঠির মাধ্যমে বাণিজ্যিক এলপিজি-র অতিরিক্ত ২০% বরাদ্দ অনুমোদন করেছে; এর ফলে মোট বরাদ্দ সংকট-পূর্ববর্তী স্তরের ৭০%-এ উন্নীত হয়েছে। এই বরাদ্দের ক্ষেত্রে ইস্পাত, অটোমোবাইল, বস্ত্র, রঞ্জক (ডাই), রাসায়নিক এবং প্লাস্টিক শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর মধ্যেও, বিশেষ করে সেইসব প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে কিংবা বিশেষ ধরনের তাপ প্রদানের উদ্দেশ্যে এলপিজি ব্যবহারকারী শিল্পগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যেখানে প্রাকৃতিক গ্যাসকে এলপিজি-র বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।

· গত দিন ৪০,০০০-এরও বেশি ৫ কেজি ওজনের 'ফ্রি ট্রেড এলপিজি' সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

· ২৮টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল অ-গার্হস্থ্য এলপিজি-র জন্য বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে; অন্যদিকে, অবশিষ্ট এলাকাগুলিতে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো এলপিজি সরবরাহ করছে।

· গত ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৯,৬৫৬ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি উত্তোলন করা হয়েছে।

কেরোসিন

· নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত হিসেবে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য ৪৮,০০০ কিলোলিটার কেরোসিন বরাদ্দ করা হয়েছে।

· রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে জেলা-স্তরের বিতরণ কেন্দ্রগুলি চিহ্নিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

· ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল কেরোসিন বরাদ্দের নির্দেশ জারি করেছে; অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশ ও লাদাখ জানিয়েছে যে, তাদের কোনও অতিরিক্ত কেরোসিনের প্রয়োজন নেই।

রাজ্য সরকার / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ভূমিকা

· অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫ এবং এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ২০০০-এর আওতায়, রাজ্য সরকারগুলির হাতে মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা রয়েছে এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহের নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

· ভারত সরকার সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পালনের অনুরোধ জানিয়েছে:

Ø প্রতিদিনের সাংবাদিক বৈঠক বা প্রেস ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থাটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং নিয়মিত জনসচেতনতামূলক নির্দেশিকা জারি করা।

Ø বিশেষ কন্ট্রোল রুম এবং হেল্পলাইন চালু করা।

Ø সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভুল তথ্যের ওপর সক্রিয়ভাবে নজরদারি করা এবং সেগুলির মোকাবিলা করা।

Ø আইন প্রয়োগকারী অভিযানগুলি জোরদার করা এবং নিয়মিত হানা ও পরিদর্শন চালানো।

Ø বাণিজ্যিক এলপিজি এবং কেরোসিন বরাদ্দের নির্দেশ জারি করা।

Ø সিজিডি (শহুরে গ্যাস বিতরণ) ব্যবস্থার সম্প্রসারণ প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা, যার মধ্যে 'রাইট অফ ওয়ে' বা রাস্তা ব্যবহারের অনুমোদনের বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত।

Ø পিএনজি (পাইপবাহিত প্রাকৃতিক গ্যাস) গ্রহণ এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করা।

Ø সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সাথে সমন্বয়ের জন্য একজন বরিষ্ঠ নোডাল অফিসারকে মনোনীত করা।

· ১৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রতিদিন সাংবাদিক বৈঠক করছে; বাকিদেরও অনুরূপ পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আইন প্রয়োগকারী পদক্ষেপ

· সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে আইন প্রয়োগকারী অভিযান অব্যাহত রয়েছে; এর আওতায় ৩,০০০-এরও বেশি স্থানে হানা দেওয়া হয়েছে এবং ১,৫০০-এরও বেশি এলপিজি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

· রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি দেশজুড়ে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র এবং এলপিজি ডিলারশিপগুলিতে ১,৫০০-এরও বেশি আকস্মিক পরিদর্শন চালিয়েছে।

· বিভিন্ন এলপিজি ডিলারশিপকে ৩৫০টিরও বেশি 'কারণ দর্শানোর নোটিশ' জারি করা হয়েছে।

সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপ

· সরকার অভ্যন্তরীণ বা গার্হস্থ্য এলপিজি ও পিএনজি-র সরবরাহকে পাশাপাশি হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রগুলির সরবরাহকেও—অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে।

· গৃহীত পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে, শোধনাগারগুলিতে উৎপাদন বৃদ্ধি, বুকিংয়ের সময়সীমা বা ব্যবধানের পুনর্বিন্যাস এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক বরাদ্দ।

· এলপিজি-র ওপর থেকে চাহিদার চাপ কমাতে কেরোসিন ও কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

· কয়লা মন্ত্রক 'কোল ইন্ডিয়া' এবং 'সিঙ্গারেণি কোলিয়ারিজ'-কে নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা রাজ্যগুলিতে কয়লার সরবরাহ বৃদ্ধি করে, যাতে তা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

· রাজ্যগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যেন তারা গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন পিএ সংযোগ প্রদানের প্রক্রিয়াটি সহজতর করে তোলে।

জনসাধারণের প্রতি পরামর্শ

· সরকার পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-র পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে; এমতাবস্থায় নাগরিকদের প্রতি পরামর্শ হলো, তারা যেন আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করা থেকে বিরত থাকেন।

· নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, তারা যেন কেবল সরকারি ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপরই নির্ভর করেন এবং কোনও ধরনের গুজবে যেন কান না দেন।

· এলপিজি-র ক্ষেত্রে, গ্রাহকদের প্রতি নিম্নলিখিত অনুরোধ জানানো হচ্ছে:

Ø বুকিং বা নথিভক্তির জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করুন।

Ø এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটারদের কার্যালয়ে অকারণে বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

· নাগরিকদের পিএনজি এবং বৈদ্যুতিক বা ইন্ডাকশন কুকটপের মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

· সকল নাগরিকের প্রতি অনুরোধ, তারা যেন তাদের দৈনন্দিন জীবনে শক্তির সাশ্রয় করেন।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল কার্যক্রম

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান সামুদ্রিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের সুরক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও একটি বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়েছে:

· বর্তমানে এই অঞ্চলে অবস্থানরত সব ভারতীয় নাবিক সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন এবং গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতীয় পতাকাবাহী কোনও জাহাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

· পারস্য উপসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে ভারতীয় পতাকাবাহী ২০টি জাহাজ অবস্থান করছে, যেগুলোতে প্রায় ৫৪০ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। 'ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং', জাহাজের মালিকপক্ষ, আরপিএসএল সংস্থা এবং বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলোর সাথে সমন্বয় বজায় রেখে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

· 'ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং'-এর কন্ট্রোল রুম দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সচল রয়েছে। কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এই কন্ট্রোল রুমটি মোট ৪,৩২৬টি ফোন কল এবং ৮,৫৫৬টি ই-মেলের জবাব দিয়েছে; এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৮টি কল ও ৩৩৫টি ই-মেল এবং গত ৪৮ ঘণ্টায় ২১৮টি কল ও ৬৪৭টি ই-মেল গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

· 'ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং' এখন পর্যন্ত ৬৯৯ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তনে সহায়তা করেছে। এঁদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন এবং গত ৪৮ ঘণ্টায় ৬৪ জন নাবিককে বিভিন্ন বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক অবস্থান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

· ভারতের সামুদ্রিক ক্ষেত্র বা নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্নে পরিচালিত হচ্ছে। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির মতো রাজ্যগুলির 'সামুদ্রিক পর্ষদ' নিশ্চিত করেছে যে, দেশের কোনও বন্দরেই জাহাজ চলাচলে বা পণ্য খালাসে কোনও ধরনের যানজট বা বিলম্বের খবর পাওয়া যায়নি।

· ভারতীয় নাবিকদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে এবং সামুদ্রিক পরিবহণ কার্যক্রমের নিরবচ্ছিন্নতা বজায় রাখতে মন্ত্রকটি পররাষ্ট্র মন্ত্রক, বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনসমূহ এবং সামুদ্রিক ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করে চলেছে।

· পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রট নৌ-চলাচল, বন্দরের কাজকর্ম, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতার ওপর নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা

ওই অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি, যার মধ্যে ভারতীয় দূতাবাস গুলির মাধ্যমে প্রদত্ত সহায়তার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।

· ২৬-২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় জি-৭ বিদেশ মন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতের বিদেশন্ত্রী বর্তমানে ফ্রান্স সফর করছেন।

· এই বৈঠকের ফাঁকে, বিদেশমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন; সেখানে দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলির পাশাপাশি তিনি পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন।

· এই কর্মসূচিগুলোর অংশ হিসেবে, বিদেশমন্ত্রী ফ্রান্স, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

· ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে জি-৭ বিদেশ মন্ত্রীদের বৈঠকে আমন্ত্রিত অংশীদাররাও উপস্থিত ছিলেন।

· তাঁর বক্তব্যে তিনি রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের জরুরি প্রয়োজনীয়তা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে আরও সুবিন্যস্ত করার আবশ্যকতা এবং মানবিক ত্রাণ সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।

· তিনি 'গ্লোবাল সাউথ' বা দক্ষিণ বিশ্বের দেশগুলির উদ্বেগের দিকগুলিও তুলে ধরেন; বিশেষ করে জ্বালানি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ, সারের সরবরাহ এবং খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেন।

· ওই অঞ্চলে অবস্থিত ভারতীয় মিশন ও দপ্তরগুলি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা হেল্পলাইনের মাধ্যমে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে; পাশাপাশি তারা নিয়মিত পরামর্শমূলক নির্দেশিকা জারি করছে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ভারতীয় জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখছে।

· সিবিএসই এবং আইসিএসই বোর্ড এই অঞ্চলে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করেছে; অন্যদিকে, কেরালা বোর্ড তাদের পরীক্ষা স্থগিত রেখেছে এবং আগামী ৬ এপ্রিল পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে।

· ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি একটি নির্দেশিকা জারি করেছে।

· গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ৪,৭৫,০০০ জন ভারতীয় দেশে ফিরে এসেছেন।

· সৌদি আরব এবং ওমানের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে বিমান চলাচল করছে।

· কুয়েত এবং বাহরাইনের আকাশপথ এখনও বন্ধ রয়েছে। জজিরা এয়ারওয়েজ এবং গালফ এয়ার সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দর থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

· ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধ এবং আকাশপথ বন্ধ থাকার কারণে, ভারতীয় নাগরিকদের বিকল্প পথে ভ্রমণের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এই বিকল্প পথগুলির মধ্যে রয়েছে:

Ø ইরান থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্য দিয়ে

Ø ইসরায়েল থেকে জর্ডনের মধ্য দিয়ে

Ø ইরাক থেকে জর্ডন ও সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে

Ø কুয়েত ও বাহরাইন থেকে সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে

· বিভিন্ন ঘটনায় মোট ৭ জন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বার করতে এবং নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে ওমান, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভারতীয় মিশনগুলি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

জনসংযোগ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখ করেছে:

· ভারত সরকার সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, তাঁরা যেন লকডাউন সংক্রান্ত গুজবের মতো ভিত্তিহীন কথায় বিশ্বাস না করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য মাধ্যমে প্রচারিত ভুয়ো খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকেন।

· গত কয়েক দিন ধরে, পেট্রোল ও ডিজেলের ঘাটতি সংক্রান্ত অনুরূপ গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

· এটি স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে যে, দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই।

· নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, তাঁরা যেন পেট্রোল পাম্পের দিকে ছুটোছুটি না করেন কিংবা আতঙ্কে কেনাকাটা না করেন। 

· পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ সচল রয়েছে।

· পেট্রোল, ডিজেল বা এলপিজি সিলিন্ডার মজুত করা কিংবা কালোবাজারে বিক্রির যে কোনও অপচেষ্টার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

· সরকার পুনরায় জোর দিয়ে জানাচ্ছে যে, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বা এলপিজি সিলিন্ডারের কোনো ঘাটতি নেই; তাই নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিংবা পেট্রোল পাম্প বা ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে ছুটে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

*****

PS/Agt


(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2246739) ভিজিটরদের কাউন্টার : 9
এই বিজ্ঞপ্তিটি পড়ুন এভাবে: English