PIB Headquarters
ভারতের বিদ্যুৎ ক্ষেত্র
অগ্রগতি, সংস্কার এবং ভবিষ্যতের পথ
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
18 MAR 2026 4:27PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ১৮ মার্চ, ২০২৬
মূল বিষয়বস্তু
২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২০.৫১ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি ২০১৩–১৪ অর্থবর্ষে ৪.২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ০.০৩ শতাংশে নেমে এসেছে।
মোট ১.৮৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের মাধ্যমে ১৮,৩৭৪টি গ্রাম বিদ্যুত সংযোজিত হয়েছে এবং ২.৮৬ কোটি পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে।
বকেয়া অর্থ ২০২২ সালের জুনে ১.৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে কমে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৪,১০৯ কোটিতে নেমেছে। একই সঙ্গে, ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলি ২,৭০১ কোটি টাকার মুনাফা নথিভুক্ত করেছে।
স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থার বিস্তার বিদ্যুৎ ক্ষেত্রকে আরও ডিজিটাল, স্বচ্ছ এবং অংশগ্রহণমূলক ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করছে।
ভূমিকা
বিদ্যুৎ আধুনিক জীবনের অন্যতম অদৃশ্য অথচ অপরিহার্য উপাদান। আলো জ্বলে, সেচ পাম্প চলে, কারখানা চালু থাকে, হাসপাতাল সচল থাকে এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্ক সংযুক্ত থাকে, সবকিছুই বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল।
ভারতের মতো বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় দেশে নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী এবং সর্বজনীন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা একদিকে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে শাসন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। গত এক দশকে দেশের বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে ব্যাপক কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটেছে, যা পর্যাপ্ততা, সম্প্রসারিত ক্ষমতা এবং উন্নত নির্ভরযোগ্যতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই পরিবর্তন ধারাবাহিক বিনিয়োগ, প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রক শৃঙ্খলা এবং নীতির ধারাবাহিকতার ফল।
ভারত বিদ্যুৎ সম্মেলন, ২০২৬
বিদ্যুৎ ও শক্তি ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রদর্শনী ভারত বিদ্যুৎ সম্মেলন এ বছর অনুষ্ঠিত হবে ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত, নয়াদিল্লির যশোভূমি প্রাঙ্গণে।
“উন্নয়নের বিদ্যুতায়ন, স্থায়িত্বের ক্ষমতায়ন, বৈশ্বিক সংযোগ” - এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চারদিনের এই সম্মেলনে শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের সার্বিক নেতৃত্ব তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। এই সম্মেলনের লক্ষ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে সংলাপ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সুস্থায়ী শক্তি ব্যবস্থার উন্নয়নে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।
সম্প্রসারণের গতি: উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও জাতীয় গ্রিড শক্তিশালীকরণ
অর্থনীতির প্রসার এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। গৃহস্থালি, শিল্প, কৃষি এবং পরিষেবা, সব ক্ষেত্রেই এই চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চাহিদা পূরণের জন্য শুধু উৎপাদন বাড়ানোই নয়, তা দেশের বিস্তৃত ভৌগোলিক পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার সক্ষম ব্যবস্থাও গড়ে তোলা প্রয়োজন।
এই লক্ষ্যেই উৎপাদন ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে (৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) মোট ৫২,৫৩৭ মেগাওয়াট নতুন উৎপাদন ক্ষমতা যুক্ত হয়েছে।
এর মধ্যে ৩৯,৬৫৭ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি, যার মধ্যে
৩৪,৯৫৫ মেগাওয়াট সৌর শক্তি এবং ৪,৬১৩ মেগাওয়াট বায়ু শক্তি অন্তর্ভুক্ত।
এক অর্থবর্ষে এটি সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, যা ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে অর্জিত ৩৪,০৫৪ মেগাওয়াট-এর আগের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে।
ভারতের জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থা, বিশ্বের বৃহত্তম সমলয় জাতীয় গ্রিড, একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। মোট সঞ্চালন লাইন ৫ লক্ষ সার্কিট কিলোমিটারের বেশি হয়েছে এবং মোট রূপান্তর ক্ষমতা পৌঁছেছে ১,৪০৭ গিগাভোল্ট অ্যাম্পিয়ার (GVA)-এ। উৎপাদন ও সঞ্চালন, দুটি ক্ষেত্রেই সমান্তরাল শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাহিদা মেটানোর ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
ঘাটতি থেকে ভারসাম্য: নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ
ভারতের বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে পরিবর্তন সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে দুটি ক্ষেত্রে- বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রায় সম্পূর্ণ অবসান এবং প্রতিটি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়া। এর ফলে, ঘাটতি ব্যবস্থাপনা থেকে নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার দিকে পরিবর্তন ঘটেছে।
চাহিদা–সরবরাহ ব্যবধান হ্রাস
এক দশক আগে বিদ্যুৎ ঘাটতি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দৈনন্দিন জীবনে বড় বাধা ছিল। বিদ্যুৎ বিভ্রাট উৎপাদন, সেচ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং গৃহস্থালির কাজে বিঘ্ন ঘটাত। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমানো একটি প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে।
সর্বজনীন বিদ্যুৎ সংযোগ
শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়, বিদ্যুৎকে ঘরে, খামারে এবং উদ্যোগে পৌঁছে দিতে কার্যকর বিতরণ ব্যবস্থা অপরিহার্য। এই লক্ষ্যেই শেষ প্রান্তিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে চালু হওয়া দীনদয়াল উপাধ্যায় গ্রাম জ্যোতি যোজনা (DDUGJY) এবং সমন্বিত বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্প (IPDS) গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় বিদ্যুৎ পরিকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
DDUGJY-এর মাধ্যমে গ্রামে বিদ্যুৎ পরিকাঠামো গড়ে তোলা, চলতি নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা এবং ফিডার ও ট্রান্সফরমারের মিটারিং চালু করা হয়েছে।
IPDS-এর মাধ্যমে শহরে সাব-ট্রান্সমিশন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নত করা হয়েছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থা যেমন এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং, স্মার্ট মিটারিং, গ্যাস ইনসুলেটেড সাবস্টেশন এবং রিয়েল-টাইম ডেটা সংগ্রহ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এই উদ্যোগগুলিকে সম্পূরক করেছে প্রধানমন্ত্রী সহজ বিদ্যুৎ সংযোগ যোজনা (সৌভাগ্য), যা বিশ্বের বৃহত্তম সর্বজনীন বিদ্যুতায়ন কর্মসূচিগুলির মধ্যে অন্যতম।
ডিশকম: বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের ভিত্তি শক্তিশালীকরণ
উৎপাদন ও সঞ্চালন যেখানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড, সেখানে বিতরণ সংস্থাগুলি বা ডিশকম গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত।
বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ
২০২১ সালে পুনর্গঠিত বিতরণ ক্ষেত্র প্রকল্প (RDSS) চালু করা হয়।
এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩.০৩ লাখ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২.৮ লাখ কোটি টাকার প্রকল্প ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে।
এর লক্ষ্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে বিতরণ সংস্থার কার্যক্ষমতা ও আর্থিক স্থায়িত্ব উন্নত করা এবং নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
আর্থিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠন
জাতীয় বিদ্যুৎ পরিকল্পনা (২০২৩–২০৩২)
এই পরিকল্পনায় ২০৩২ সালের মধ্যে ৪৫৮ গিগাওয়াট সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৯.১৫ লাখ কোটি টাকা।
বিদ্যুৎ (সংশোধনী) বিল, ২০২৬
এই বিলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বাজার কাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রস-সাবসিডি যৌক্তিককরণ, খরচভিত্তিক শুল্ক, শিল্প ক্ষেত্রে সরাসরি বিদ্যুৎ ক্রয়ের সুযোগ।
লেট পেমেন্ট সারচার্জ নিয়ম, ২০২২
এই নিয়মের মাধ্যমে বিতরণ সংস্থা ও উৎপাদক সংস্থার মধ্যে অর্থপ্রদানের শৃঙ্খলা আনা হয়েছে।
এর ফলে, বকেয়া অর্থ ১.৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে কমে ৪,১০৯ কোটিতে নেমেছে। এতে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র জুড়ে তারল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এসেছে।
স্বয়ংক্রিয় মাসিক ব্যয় সমন্বয়
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্রয়ের ব্যয় নিয়মিতভাবে শুল্কে প্রতিফলিত করার জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণের আওতায় পরিচালিত হয়।
ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচক
এই সংস্কারের প্রভাব এখন আর্থিক ও কার্যগত সূচকে স্পষ্ট। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলি ২,৭০১ কোটি টাকার নিট মুনাফা করেছে, যেখানে ২০১৩–১৪ অর্থবর্ষে ক্ষতি ছিল ৬৭,৯৬২ কোটি টাকা।
নবায়নযোগ্য শক্তির দ্রুত প্রসার
নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে ভারত নীতিনির্ভর, দ্রুত এবং বৃহৎ আকারের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারত বিশ্বে চতুর্থ স্থানে।ঞ
সৌর শক্তি
২০১৪ সালে ৩ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ১৪০ গিগাওয়াট
বায়ু শক্তি
মোট স্থাপিত ক্ষমতা ৫৪.৬৫ গিগাওয়াট
গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক
২০২৫-এর ২৯ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৫১.৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণ হয়েছে।
সেদিন মোট চাহিদা ছিল ২০৩ গিগাওয়াট
উৎপাদনের উৎস
সৌর: ৪৪.৫০ গিগাওয়াট
বায়ু: ২৯.৮৯ গিগাওয়াট
জলবিদ্যুৎ: ৩০.২৯ গিগাওয়াট
উপসংহার: নীরব কিন্তু ধারাবাহিক অগ্রগতি
ভারতের বিদ্যুৎ ক্ষেত্র আজ বহু বছরের ধারাবাহিক সংস্কারের সম্মিলিত ফল। উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে
প্রায় প্রতিটি পরিবারে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বেড়েছে।
একই সঙ্গে বিতরণ ব্যবস্থার দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানে পরিকাঠামোগত বিনিয়োগ, নিয়ন্ত্রক শৃঙ্খলা এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক সংস্কার চালু হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এই ক্ষেত্র এমন এক ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে যেখানে গ্রাহকের ভূমিকা আরও সক্রিয় হবে। ডিজিটাল পরিকাঠামো, স্মার্ট নেটওয়ার্ক এবং নতুন বাজার কাঠামো বিদ্যুৎ উৎপাদন, ব্যবহার এবং মূল্যায়নের ধরণকে নতুনভাবে গড়ে তুলছে।
এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ একটি নীরব কিন্তু অপরিহার্য শক্তি হিসাবে দেশের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং সম্ভাবনার ভিত্তি গড়ে তুলছে।
তথ্যসূত্র
Ministry of Power
https://powermin.gov.in/en/content/overview-5
https://www.nsgm.gov.in/en
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2228348®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleseDetailm.aspx?PRID=2217216®=20&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2215187®=3&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2222217®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2183866®=3&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2215078®=3&lang=1
https://static.pib.gov.in/WriteReadData/specificdocs/documents/2025/jun/doc2025610568001.pdf
https://static.pib.gov.in/WriteReadData/specificdocs/documents/2022/may/doc202253060201.pdf
https://www.pib.gov.in/PressReleaseIframePage.aspx?PRID=1811898®=3&lang=2
https://powermin.gov.in/en/content/saubhagya
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2157549®=3&lang=2#:~:text=Posted%20On:%2018%20AUG%202025,upon%20survey%20conducted%20by%20Utilities
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2204122®=3&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2236994®=3&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2241656®=3&lang=1
Ministry of New and Renewable Energy
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2209478®=3&lang=1
Ministry of Finance
https://www.indiabudget.gov.in/economicsurvey/doc/eschapter/echap09.pdf
Cabinet Committee on Economic Affairs
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2232104®=3&lang=2
Press Information Bureau
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2233832®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2192895®=3&lang=2
Click here to see pdf
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2242263)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 6