অর্থ মন্ত্রক
কেন্দ্রীয় বাজেটে ৭টি কৌশলগত ও সামনের সারির ক্ষেত্রের উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
01 FEB 2026 12:42PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ৭টি কৌশলগত ও সামনের সারির ক্ষেত্রের উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ আজ সংসদে বাজেট পেশ করে বলেন, প্রথম কর্তব্যের আওতায় ভারতকে বিশ্বজনীন বায়োফার্মা ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত করার লক্ষ্যে বায়োফার্মা SHAKTI (Strategy for Healthcare Advancement through Knowledge, Technology and Innovation) চালু করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এজন্য আগামী ৫ বছরে ১০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি জানান, নতুন National Institutes of Pharmaceutical Education and Research (NIPER)-কে নিয়ে বায়োফার্মা ভিত্তিক নেটওয়ার্ক গঠন করা হবে, সেইসঙ্গে ৭টি বর্তমান NIPER –এর উন্নয়ন ঘটানো হবে। ১০০০-এরও বেশি অনুমোদিত ইন্ডিয়া ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক গঠনের কথাও অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন।
ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বাজেটে ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০ চালু করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এর আওতায় প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিল্প মহলের নেতৃত্বে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ২২৯১৯ কোটি টাকা বরাদ্দে ইলেক্ট্রনিক্স সরঞ্জাম উৎপাদন প্রকল্প চালু হয়েছিল। এবারের বাজেটে এ বাবাদ বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪০,০০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
বিরল খনিজ উত্তোলনে গতি আনতে কেন্দ্রীয় বাজেটে বিরল খনিজ সমৃদ্ধ ওড়িশা, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে সুনির্দিষ্ট রেয়ার আর্থ করিডর গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।
দেশীয় রাসায়নিক উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ক্লাস্টার ভিত্তিক প্লাগ অ্যান্ড প্লে মডেলে ৩টি সুনির্দিষ্ট কেমিক্যাল পার্ক স্থাপনের জন্য রাজ্যগুলিকে সহায়তা দেওয়ার একটি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, সিপিএসই-র মাধ্যমে দুটি জায়গায় হাইটেক টুল রুম গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধন এবং উন্নতমানের সরঞ্জাম উৎপাদন করা হবে। বহুতল নির্মাণ, অগ্নি নির্বাপণ, সুড়ঙ্গ খোদাই করার যন্ত্র, মেট্রো রেলপথ নির্মাণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হবে। দেশীয় কন্টেনার নির্মাণের জন্য অর্থমন্ত্রী ৫ বছরে ১০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন।
বস্ত্র শিল্প ক্ষেত্রের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী একটি সুসমন্বিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় প্রাকৃতিক ফাইবার উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, প্রথাগত বস্ত্রশিল্প ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, একটি জাতীয় তাঁত ও হস্তশিল্প কর্মসূচি, বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পণ্য উৎপাদনের জন্য পরিবেশ বান্ধব বস্ত্র নির্মাণ এবং বস্ত্র শিল্পের সামগ্রিক আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে সমর্থ ২.০ কর্মসূচি রয়েছে। শিল্প ও শিক্ষা মহলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এর বাস্তবায়ন করা হবে।
কেন্দ্রীয় বাজেটে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মেগা টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।
খাদি, তাঁত ও হস্তশিল্প ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করে তুলতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ উদ্যোগ চালুর ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় কারিগরদের দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং বিশ্ব বাজারের সঙ্গে দেশীয় পণ্যের সংযোগ স্থাপন করা হবে। এর থেকে আমাদের তাঁতি, গ্রামীণ শিল্প, এক জেলা এক পণ্য উদ্যোগ এবং গ্রামীণ যুব সমাজ উপকৃত হবে বলে অর্থমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারে। এই লক্ষ্যে ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরির একটি সুনির্দিষ্ট প্রয়াসের আওতায় এর উৎপাদন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া হবে।
*****
PS/Agt
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2221992)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 21