রেলমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

হুগলি নদীর তলা দিয়ে মেট্রো পরিষেবার মাধ্যমে যুক্ত হল হাওড়া ও কলকাতা

প্রধানমন্ত্রী ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড অংশ এবং আরও কয়েকটি মেট্রো রেল পথের উদ্বোধন করলেন

প্রকাশিত: 06 MAR 2024 2:39PM by PIB Kolkata

কলকাতা, ৬ মার্চ, ২০২৪

 

কলকাতা মেট্রোর মুকুটে আরও একটি পালক জুড়ল। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নব-নির্মিত এসপ্ল্যানেড স্টেশনে বহু প্রতীক্ষিত হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড (৪.৮ কিলোমিটার) মেট্রো রেলপথের উদ্বোধন করলেন। 

ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এই অংশটুকুর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী অরেঞ্জ লাইনের কবি সুভাষ- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (৫.৪ কিলোমিটার) এবং পার্পল লাইনের তারাতলা-মাঝেরহাট (১.২৫ কিলোমিটার) অংশেরও উদ্বোধন করেন। এর ফলে কলকাতা এবং হাওড়ায় যানবাহন ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

উদ্বোধনের আগে নতুন এসপ্ল্যানেড স্টেশনে বহুক্ষণ ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষায় থাকা জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন প্রধানমন্ত্রী। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী পি উদয় কুমার রেড্ডি থ্রি-ডি মডেলের সাহায্যে প্রধানমন্ত্রীকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্প সম্পর্কে বিশদে অবহিত করেন। এই প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রশংসা করেন মেট্রো আধিকারিক, কর্মী, প্রযুক্তিবিদ এবং এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের- যাঁরা হুগলির মতো বড় নদীর তলা দিয়ে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করেছেন। দেশে এই প্রথম বড় কোন নদীর তলা দিয়ে মেট্রো চালু হল। পরিবেশ বান্ধব এই পরিবহন প্রণালী মানুষের যাতায়াতকে আর-ও সহজসাধ্য করে তুলবে আশা করা যায়। 

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী এই তিনটি পথেই মেট্রো পরিষেবা শুরুর সংকেত দেন। এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত গিয়ে মেট্রোয় আবার ফিরেও আসেন তিনি। যাত্রার সময় প্রধানমন্ত্রী বসেছিলেন স্কুল-পড়ুয়া এবং এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক ও প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে। সকলের সঙ্গেই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জানতে চান কলকাতা মেট্রোর কাছ থেকে এঁদের কী প্রত্যাশা এবং হুগলি নদীর নীচ দিয়ে প্রথমবারের যাত্রার অনুভূতি কী রকম। দেশের সাংবিধানিক প্রধানকে সহযাত্রী হিসেবে পেয়ে যারপরনাই আপ্লুত পড়ুয়ারা। এই স্বপ্নপূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তারা ধন্যবাদ জানায়।

ধারাবাহিক এক্স পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে লিখেছেন :

“প্রকল্পে যাঁরা কাজ করেছেন তাদের এবং তরুণ প্রজন্মের সঙ্গ পাওয়ায় এই মেট্রো যাত্রা স্মরণীয় হয়ে রইল। হুগলি নদীর নীচে সুড়ঙ্গ দিয়েও যাতায়াত করেছি আমরা।”

“কলকাতার মানুষের কাছে এই দিনটি বিশেষ। শহরের মেট্রো নেটওয়ার্ক প্রসারিত হল অনেকখানি। এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নততর হবে এবং যানযট কমবে। এটা খুবই গর্বের যে আমাদের দেশে বড় কোনো নদীর তলা দিয়ে মেট্রো পরিষেবার সূচনা হল হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড অংশটি চালু হওয়ার মাধ্যমে।” 

আজ কলকাতা মেট্রো নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য বাড়ল মোট ১১.৪৫ কিলোমিটার। এর জন্য খরচ হয়েছে ৬৯২৫ কোটি টাকা। এই পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরের দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। যানযট এড়িয়ে অত্যন্ত দ্রুত তারা কলকাতায় আসতে পারবেন। 

কলকাতা মেট্রোর এই প্রকল্পগুলির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আজ আগ্রা, পুনে এবং কোচির বেশ কয়েকটি মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। দিল্লি, মিরাট রিজিওনাল র‍্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম (আরআরটিএস)-এর একটি অংশেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই পথগুলিতে প্রথম মেট্রো ট্রেনের যাত্রা শুরুর সংকেতও দেন তিনি। 

    


PG/SSS/AC/NS…


(রিলিজ আইডি: 2011954) ভিজিটরের কাউন্টার : 135
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English