ক্রেতা, খাদ্যএবংগণবন্টনমন্ত্রক

সরকার চলতি বছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা (পিএম-জিকেএওয়াই) সম্প্রসারণে অনুমতি দিয়েছে

সরকার গত বছর জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের সমস্ত সুফলভোগীদের জন্য পিএম-জিকেএওয়াই কর্মসূচির সুবিধা এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিল
জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের প্রায় ৮০ কোটি সুফলভোগী বিনামূল্যে আট মাস অতিরিক্ত ৫ কেজি করে খাদ্যশস্য পেয়েছিলেন
২০২১-এ পিএম-জিকেএওয়াই কর্মসূচির সুবিধা মে ও জুন মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল, এই খাতে খরচ হয়েছিল ২৬,৬০২ কোটি টাকা
প্রধানমন্ত্রী ৭ জুন জাতির উদ্দেশে ভাষণে পিএম-জিকেএওয়াই কর্মসূচির সুবিধা চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত আরও পাঁচ মাস বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন
জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের প্রায় ৮০ কোটি সুফলভোগীকে আরও পাঁচ মাসে অতিরিক্ত ২০৪ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হবে, এই খাতে খরচ ধরা হয়েছে ৬৭,২৬৬ কোটি টাকা
জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় সুফলভোগীরা নিয়মিতভাবে মাসিক ভিত্তিতে যে খাদ্যশস্য পেয়ে থাকেন এটি তার অতিরিক্ত
অতিরিক্ত এই খাদ্যশস্য বন্টনের জন্য যাবতীয় খরচ কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে

প্রকাশিত: 23 JUN 2021 5:22PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৩ জুন, ২০২১

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের সুফলভোগীদের পাশাপাশি, প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর পেয়ে থাকেন এমন অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার আওতাভুক্ত পরিবারগুলির সর্বাধিক ৮১ কোটি ৩৫ লক্ষ সুফলভোগীকে ব্যক্তি পিছু ৫ টাকা কেজি দরে নিখরচায় জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আরও পাঁচ মাস অতিরিক্ত খাদ্যশস্য বন্টনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার চতুর্থ পর্যায়ে ঐ সুফলভোগীদের অতিরিক্ত খাদ্যশস্য বন্টন করা হবে।

সুনির্দিষ্ট গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় সর্বাধিক ৮১ কোটি ৩৫ লক্ষ ব্যক্তিকে নিখরচায় মাথা পিছু ৫ কেজি করে আরও পাঁচ মাস অতিরিক্ত খাদ্যশস্য বন্টনের দরুণ ভর্তুকি খাতে সরকারের ৬৪ হাজার ৩১ কোটি টাকা খরচ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই কর্মসূচির আওতায় রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কোনও সহায়তা ছাড়াই যাবতীয় খরচ বহন করে। এমনকি, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় ৮১ কোটি ৩৫ লক্ষ সুফলভোগীর কাছে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য পৌঁছে দিতে পরিবহণ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সরকারের প্রায় ৩ হাজার ২৩৪ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। এরফলে, খাদ্যশস্যে ভর্তুকি এবং পরিবহণ সহ অন্যান্য খাতে সরকারের মোট খরচ বেড়ে হবে ৬৭ হাজার ২৬৬ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা।

কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবন্টন দপ্তর গম/চাল বন্টনের বিষয়টি স্থির করবে। এমনকি, এই দপ্তর প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংগ্রহ তথা বন্টনের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বর্ষা, তুষারপাত প্রভৃতির মতো প্রতিকূল আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এবং কোভিড-১৯ জনিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়গুলি বিবেচনায় রেখে খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও তা বন্টনের বিষয়টিতে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় সুফলভোগীদের বন্টনের জন্য প্রায় ২০৪ লক্ষ মেট্রিক টন অতিরিক্ত খাদ্যশস্যের প্রয়োজন। এই অতিরিক্ত খাদ্যশস্য সুফলভোগীদের হাতে পৌঁছলে করোনা ভাইরাসের দরুণ অর্থ-ব্যবস্থায় যে বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছে, তার ফলে দরিদ্র মানুষের কষ্ট খানিকটা লাঘব করা যাবে। এই লক্ষ্যে সরকার আগামী পাঁচ মাসে কোনও দরিদ্র পরিবার যাতে খাদ্যশস্যের অভাবে কষ্ট না পায়, তা নিশ্চিত করতেই বিনামূল্যে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য বন্টনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

CG/BD/SB


(রিলিজ আইডি: 1729772) ভিজিটরের কাউন্টার : 198
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English