তথ্যওসম্প্রচারমন্ত্রক

আগামী বছর কিংবদন্তী নির্দেশক সত্যজিৎ রায়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হবে : অমিত খারে

प्रविष्टि तिथि: 29 NOV 2019 6:06PM by PIB Kolkata

গোয়া, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯

 

 

গোয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের (আইএফএফআই) সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আজ উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শ্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, আইএফএফআই এমন একটি মঞ্চ যেখানে অনেক কিছু শেখা যায় এবং নিজেদের মতামত প্রকাশ করা যায়। আমরা এই মঞ্চটিকে শিল্পীদের শেখার বা নিজেদের বিকাশের একটি যথার্থ ক্ষেত্র হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা করছি। তিনি আরও বলেন, শিল্পের ক্ষেত্রে শেখার কোন শেষ নেই। যত জানা যায়, তত উপলব্ধি হয় যেন কিছুই জানা হয়নি। বিগত কয়েক বছর ধরে গোয়ায় আইএফএফআই অনুষ্ঠিত হওয়ায় এই মঞ্চটি একে অপরকে জানা বা মতবিনিময়ের এক সুযোগ্য স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলেও মন্ত্রী মন্তব্য করেন।

শ্রী সুপ্রিয় এও বলেন, আইএফএফআই-তে আরও বেশি মহিলা অংশগ্রহণকারীকে জায়গা করে দেওয়ার প্রচেষ্টাও চালিয়ে যেতে হবে এবং এর জন্য গৃহীত ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে হবে।

গোয়ার রাজ্যপাল শ্রী সত্যপাল মালিক বলেন, সিনেমা একটি শক্তিশালী মাধ্যমে যার মধ্য দিয়ে সমাজে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি এই প্রেক্ষিতে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সামাজিকভাবে প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে এমন ধরনের বিষয় নিয়ে ছবি তৈরি করার আহ্বান জানান যাতে সামাজিক ব্যবস্থা উন্নততর হয়।

গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী ডঃ প্রমোদ সাওয়ান্ত বলেন, ২০১৯-এ আইএফএফআই মনোরঞ্জনের অবকাশ করে দেওয়ার পাশাপাশি, আত্মসমীক্ষার মঞ্চ হিসেবেও কাজ করছে।

কিংবদন্তী সুরকার শ্রী ইল্লায়ারাজা, প্রবীণ অভিনেতা শ্রী প্রেম চোপড়া, তাকাশি মাইক, ওয়াগনার মুরা, রকুলপ্রীত সিং, বিজয় দেবেরাকোন্ডা, রোহিত শেট্টি, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সহ ছায়াছবি জগতের নক্ষত্ররা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শ্রীমতী রূপা গাঙ্গুলি, গোয়ার উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী মনোহর আজগাঁওকর সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও।

অনুষ্ঠানটির সূচনা করে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব শ্রী অমিত খারে বলেন, আইএফএফআই, ২০২০ এবং আইএফএফআই ২০২১-এ কিংবদন্তী নির্দেশক সত্যজিৎ রায়কে শ্রদ্ধা জানানো হবে। তিনি এও জানান, আগামী বছর এই ব্যতিক্রমী নির্দেশকের চলচ্চিত্রের শতবর্ষ পূর্তিও পালন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ৫০তম আইএফএফআই-তে ৭৬টি দেশের ১৯০টিরও বেশি ছায়াছবি প্রদর্শিত হয়। ১,২০০-রও বেশি প্রতিনিধি এই উৎসবে অংশ নেন।

উৎসবে ফরাসী ছায়াছবি ব্লেই হ্যারিসন নির্দেশিত ‘পার্টিকল্‌স’ গোল্ডেন পিকক পুরস্কারে ভূষিত হয় সেরা ছায়াছবি হিসেবে। স্বর্ণ ময়ূর ট্রফি, শংসাপত্র এবং নগদ ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় পুরস্কার বিজেতাকে।

‘জাল্লিকাট্টু’ ছায়াছবিটির জন্য সেরা নির্দেশকের পুরস্কার পান মিঃ লিজো জোস পেলিসারি। রজত ময়ূর ট্রফি এবং নগদ ১৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় শ্রী পেল্লিসারিকে। ঊষা যাদব সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান ‘মাই ঘাট’ ছায়াছবিতে ‘প্রভা মাই’ চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে। সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান ব্রাজিলিও ছবি ‘মারিঘেল্লা’-র অভিনেতা মিঃ সেউ জর্জ।

মিঃ রিকার্ডো সালভেত্তি নির্দেশিত ইতালির ছায়াছবি ‘রাওয়ান্ডা’ আইসিএফটি-ইউনেস্কো গান্ধী পদক জয় করে। এই পদকের সৃষ্টিকর্তা প্যারিস এবং ইউনেস্কো-র ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল ফর ফিল্ম, টেলিভিশন অ্যান্ড অডিও-ভিস্যুয়াল কমিউনিকেশন।

উল্লেখ্য, উৎসবের সূচনা হয় ইতালির ছায়াছবি ‘ডেসপাইট দ্য ফগ’-এর প্রদর্শনের মাধ্যমে। ২৬টি কাহিনী এবং ১৫টি অ-কাহিনীচিত্র ইন্ডিয়ান প্যানোরামা বিভাগে প্রদর্শিত হয়। উৎসবে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার পান মিসেস অ্যালি ম্যাডেলিন হুপার্ট। দক্ষিণী অভিনেতা শ্রী রজনীকান্ত পান ‘আইকন অফ গোল্ডেন জুবিলি অ্যাওয়ার্ড’।

 

 

CG/SSS/DM


(रिलीज़ आईडी: 1594287) आगंतुक पटल : 128
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English