স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

বিশ্ব এড্‌স দিবস

প্রকাশিত: 29 NOV 2019 4:31PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯

 

 

সরকার বিশ্ব এড্‌স দিবস উপলক্ষে নতুন দিল্লিতে আগামী পয়লা ডিসেম্বর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। এই অনুষ্ঠানের বিষয় হল ‘সম্প্রদায়গুলি পার্থক্য সূচিত করে’। এইচআইভি আক্রান্ত মানুষ, সুশীল সমাজ, ছাত্রছাত্রী, সংবাদমাধ্যম, বিশেষজ্ঞ, মন্ত্রক/দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও কর্মী এবং রাজ্য এড্‌স নিয়ন্ত্রণ সোসাইটিগুলির প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

২০১৭-র হিসেব অনুযায়ী ভারতে ২১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের শরীরে এইচআইভি জীবাণু রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ২ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষের শরীরে এই জীবাণু রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৯০০ জন, আন্দামান ও নিকোবরে ৪০০ জন, ত্রিপুরায় ২,৭০০ জন ও অসমে ১৩,৫০০ জন এই রোগে আক্রান্ত।

জাতীয় এড্‌স নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির (এনএসিপি) চতুর্থ পর্যায়ে দেশের ৩৭টি রাজ্য/জেলা এড্‌স নিয়ন্ত্রণ সোসাইটি এইচআইভি/এড্‌স প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করছে। এটি ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প। ভারতে এইচআইভি/এড্‌স যেন মহামারীর আকার না নেয় সেই লক্ষ্যে এনএসিপি ত্রিস্তরীয় কৌশল গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, এইচআইভি-র পরীক্ষা এবং তার চিকিৎসা, পরীক্ষাগারে এই রোগের বিষয়ে নিয়মিত তথ্য ছাড়াও সাম্য, লিঙ্গ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় এনএসিপি কাজ করে চলেছে।

দেশ জুড়ে ৩১,৬৩১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এইচআইভি সংক্রান্ত পরামর্শ এবং পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। এইচআইভি আক্রান্তদের ১,৬৫৬টি কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনামূল্যে সারা জীবন অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি দেওয়া হয়। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এড্‌স নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলিকে এইচআইভি পরীক্ষার জন্য কিট্‌স এবং ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০১৭-২৪-এর মধ্যে সরকার জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হল ২০৩০-এর মধ্যে এড্‌স যেন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কোন সমস্যার কারণ না হয়ে দাঁড়ায় সেই লক্ষ্যে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ। ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এড্‌স নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় –

1)  নতুনভাবে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫ শতাংশ হ্রাস করা।

2)  ৯০-৯০-৯০ লক্ষ্যে পৌঁছনো, যার অর্থ দেশের এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে ৯০ শতাংশ মানুষ তাঁদের এই রোগের বিষয়ে জানতে পারবেন। ৯০ শতাংশ মানুষ যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার আওতায় আছেন এবং ৯০ শতাংশ মানুষ তাঁদের শরীরে এই রোগের জীবাণু কতটা হ্রাস পেয়েছে সে বিষয়ে জানতে পারবেন।

3)  মায়ের থেকে সন্তানের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিহত করা।

4)  এইচআইভি/এড্‌স-এর কারণে কলঙ্কের বোঝা ও বৈষম্যের শিকার না হওয়া।

লোকসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে এই তথ্য জানিয়েছেন।

 

 

CG/CB/DM


(রিলিজ আইডি: 1594240) ভিজিটরের কাউন্টার : 141
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English