কর্মী, জন-অভিযোগএবংপেনশনমন্ত্রক

কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে সুপ্রশাসনের লক্ষ্যে আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন শ্রী জিতেন্দ্র সিং

প্রকাশিত: 15 NOV 2019 6:20PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯

 

 

 

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে সুপ্রশাসনের লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রশাসনিক সংস্কার ও জনঅভিযোগ দপ্তর জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে জম্মুতে দু’দিনের এক সম্মেলনের আয়োজন করেছে। আজ এই সম্মেলনের সূচনা হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন দপ্তর (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত), প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, কর্মী, জনঅভিযোগ ও পেনশন, আণবিক শক্তি এবং মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং, জম্মু-কাশ্মীরের উপ-রাজ্যপাল শ্রী জি সি মুর্মু যৌথভাবে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ডঃ সিং বলেন, নবগঠিত দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৩১শে অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করার পর এই ধরনের সম্মেলন এই প্রথম। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যেসব উদ্যোগগুলি নেওয়া হয়েছে এটি তার একটি নিদর্শন।

 

জম্মু-কাশ্মীরের উপ-রাজ্যপাল শ্রী জি সি মুর্মু বলেন, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি নতুন সুযোগ পেয়েছে, আর আমাদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলার জন্য নানা পন্থাপদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে। ভারতবর্ষের গণতন্ত্র বিশ্বে সর্ববৃহৎ। নাগরিকদের চাহিদা পূরণে সরকার এখানে নির্ণায়কের ভূমিকা পালন করে থাকে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় পুরনো আইন ও পন্থাপদ্ধতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

 

লাদাখের উপ-রাজ্যপাল শ্রী আর কে মাথুর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁর ভাষণে বলেন, এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১৯টি রাজ্য ও চারটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামগ্রিক শিক্ষা ও অভিজ্ঞতায় নতুন এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাভবান হবে।

 

জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্য সচিব শ্রী বি ভি আর সুব্রহ্মনিয়ম এবং কর্মী ও প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক সংস্কার ও জনঅভিযোগ দপ্তরের সচিব শ্রী সি চন্দ্রমৌলি উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণ দেন। শ্রী চন্দ্রমৌলি বলেন, সংস্কার, বাস্তবায়ন ও পরিবর্তন – এটি কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্র। ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বোচ্চ প্রশাসন’ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্য সচিব শ্রী সুব্রহ্মনিয়ম বলেন, জম্মু-কাশ্মীর একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল, আর এই কর্মশালা সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়নের সূচনা করবে।

 

প্রশাসনিক সংস্কার ও জনঅভিযোগ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব শ্রী ভি শ্রীনিবাস জানান, গত আগস্ট মাস থেকে তাঁর দপ্তর তিনটি প্রতিনিধিদলকে এই অঞ্চলে পাঠিয়েছে। জম্মুতে আয়োজিত এই সম্মেলনটির পরে আগামী ৩০ তারিখ ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ শীর্ষক সম্মেলনে জলশক্তি ও বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।  

 

ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশাসন, নাগরিক-কেন্দ্রিক প্রশাসন ও কর্মী সংক্রান্ত প্রশাসন দপ্তরের ক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই সম্মেলনে জাতীয় ও রাজ্যস্তরের বিভিন্ন সংগঠন আলোচনায় অংশগ্রহণ করে। এই সম্মেলনের সমাপ্তি অধিবেশনে ‘সুশাসন সঙ্কল্প : জম্মু ঘোষণা’ গ্রহণ করা হবে।

 

১৯টি রাজ্য ও চারটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। ই-প্রশাসন, স্বচ্ছ, দায়বদ্ধ ও জনমুখী প্রশাসনের লক্ষ্যে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

 

 

CG/CB/DM


(রিলিজ আইডি: 1591778) ভিজিটরের কাউন্টার : 183
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English