প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির সৌজন্যে আসামের এক দরিদ্র কৃষক জীবন ফিরে পেয়েছেন
আসামের কলিতা নগদবিহীন বিমা কর্মসূচির মাধ্যমে নিখরচায় ক্রেনিওপ্লাস্টি সার্জারি করিয়েছেন
প্রকাশিত:
02 OCT 2019 4:19PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ০১ অক্টোবর, ২০১৯
আসামের এক দরিদ্র ধানচাষী ৩৫ বছর বয়সী দ্বিজেন কলিতা মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিল। তাঁকে যখন কামরুপ মেট্রো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তখন তিনি প্রায় অবচেতন অবস্হায় নিদারুণ যন্ত্রনায় চিৎকার করছিলেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরক্ষার পর জানা যায় তাঁর নিউরো সার্জারি ও ক্রেনিওপ্লাস্টি করার প্রয়োজন রয়েছে।
দরিদ্র চাষী দ্বিজেন কলিতার আর্থিক অবস্হা স্বচ্ছল না হওয়ার দরুণ তাঁর পরিবারের কাছে এই চিকিৎসার খরচ বহন করা অসম্ভব ছিল।
কলিতার পরিবার যখন আয়ুষ্মান ভারত- পিএমজেএওয়াই কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে পারেন, তখন তারা প্রকৃত আশার আলো খুঁজে পান। তাঁরা জানতে পারেন এই কর্মসূচির মাধ্যমে নিখরচায় কলিতার চিকিৎসা সম্ভব।
কলিতার মতো দরিদ্র মানুষের কাছে এই কর্মসূচি আর্শিবাদের মতো বলে তাঁর পরিবার মনে করেন।
আজ কলিতা আরও ৩১ জন সুফলভোগীর মতো স্বাস্হ্যকর জীবনযাপন করছেন। এই সুফলভোগীরা প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্হ্যবিমা কর্মসূচি আয়ুষ্মান ভারত- পিএমজেএওয়াই-এর সাফল্যের কাহিনী তাঁকে শোনান।
ঠিক এক বছর আগে ২০১৮য় বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্হ্যবিমা কর্মসূচি আয়ুষ্মান ভারতের সূচনা হয়। উদ্দেশ্য ছিল দেশের ১০ কোটি ৭৪ লক্ষ্যের বেশি দরিদ্র মানুষকে সহজেই চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া।
দ্বিজেন কলিতার মতো ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিগত এক বছরে নিজের রাজ্যের বাইরে চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন। আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
আয়ুষ্মান ভারত- প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (পিএমজেএওয়াই)কর্মসূচির আওতায় নথিভুক্ত হাসপাতালের সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৫। নথিভুক্ত হাসপাতালগুলি থেকে ৪১ লক্ষের বেশি মানুষ এই কর্মসূচির সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন এবং ১০ কোটির বেশি ই-কার্ড দেওয়া হয়েছে।
আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির আওতায় সারা দেশজুড়ে ২০ হাজার ৭০০র বেশি স্বাস্হ্য পরিষেবা ও রোগী কল্যাণ কেন্দ্র চালু রয়েছে।
CG/BD/NS
(রিলিজ আইডি: 1586960)
ভিজিটরের কাউন্টার : 95