অর্থমন্ত্রক

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের ৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা সফরের সময় প্রেস বিবৃতি

प्रविष्टि तिथि: 07 SEP 2019 11:44PM by PIB Kolkata

কলকাতা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

 

 

 

কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন শুক্রবার ,৬ই সেপ্টেম্বর কলকাতা সফরের সময় পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের  বিভিন্ন রাজস্ব আদায়কারী সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক,বণিক সভাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে মিলিত হন। কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব ডঃ অজয় ভূষণ পান্ডে, কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রী প্রমোদ চন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় অপ্রত্যক্ষ কর ও সীমা শুল্ক পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রী প্রণব কুমার দাস তাঁর সফর সঙ্গী ছিলেন।   

অর্থমন্ত্রী বণিক সভার প্রতিনিধিদের দেশ গঠনের ভুমিকার প্রশংসা করেন। তিনি তাঁদের আশ্বস্থ করে বলেন, কর ও রাজস্ব আদায়কারী সংস্থাগুলি সম্পদ রক্ষা এবং কর্ম সংস্থান সৃষ্টিতে সাহায্য করবে। এরজন্য করব্যবস্থা এবং করের হারের যথাযথ সরলীকরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন নতুন উদ্যোগ এবং অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পোদ্যোগীদের সাহায্যর জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।  এই লক্ষ্যে নীতিনির্দেশিকা তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি ব্যবসায়ীদের নানা প্রশ্নর জবাব দেন ও তাঁদের মতামত শোনেন।   

 

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরো স্বচ্ছ ও আধুনিক করে তুলতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য সফর করছেন। সপ্তম দফায় কলকাতা সফরে তিনি রাজস্ব কর্তা,বিভিন্ন বণিক সভার প্রতিনিধি এবং পেশাদার কর পরামর্শদাতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। শ্রীমতী সীতারমন দেশ গড়ার কাজে কর সংগ্রহকারীদের ভুমিকার কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি একইসঙ্গে জানান,  রাজস্ব দপ্তরগুলিকে এখন জনমুখী পরিষেবা দিতে হবে। রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য তাঁরা যেন অতি সক্রিয় না হয়ে ওঠেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, আয়কর মূল্যায়নের পদ্ধতির আগামী বিজয়া দশমী থেকে কিছু পরিবর্তন করা হচ্ছে। কর ফাঁকি আটকাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ‘বিগ ডাটা’র সাহায্য নেওয়া হবে। ক্ষুদ্র এবং মাঝারী ব্যবসায়ীদের সুবিধের জন্য তিনি দপ্তরগুলিকে বার্তালাপ কর্মসূচী আয়োজনের পরামর্শ দেন। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের করদাতাদের অতিরিক্ত কর ফেরত এবং নানা অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আয়কর দপ্তর ও পণ্য পরিষেবা কর দপ্তরের কাজের প্রশংসা করেন।   

  অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সীমাশুল্ক দপ্তরের মালপত্র স্ক্যান করার এবং ইডিআই ব্যবস্থাপনার সূচনা করেন। এছাড়া তিনি অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পোদ্যোগীদের সাহায্যর জন্য একটি পুস্তিকা, জিএসটির নানা প্রশ্নের জবাব সম্বলিত ব্যবস্থাপনার জন্য ‘সব কা বিকাশ’  প্রকাশ করেন।

  অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রী প্রমোদ চন্দ্র মোদী বলেন কর ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন করা হচ্ছে। তবে তিনি এও জানান যারা নিয়মিত কর ফাঁকি দেন তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় অপ্রত্যক্ষ কর ও সীমা শুল্ক পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রী প্রণব কুমার দাস তাঁর ভাষণে বলেন গত আর্থিক বর্ষে জিএসটি সংগ্রহ ১২% বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব ডঃ অজয় ভূষণ পান্ডে জানান, ভারতের ইতিহাসে জিএসটি প্রবর্তনের মাধ্যমে করব্যবস্থায় সব থেকে বড় সংস্কার ঘটানো হয়েছে। ১৭টি কর এবং ২৪টি সেসকে এই করের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক স্তরে সহজে ব্যবসা করার নিরিখে  ভারতের  স্থান ১০০ থেকে উঠে এসেছে ৭৭এ।    

 

 

 

CG/CB


(रिलीज़ आईडी: 1584461) आगंतुक पटल : 99
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English