কর্মী, জন-অভিযোগএবংপেনশনমন্ত্রক

রাজ্যসভায় আরটিআই সংশোধনী বিল, ২০১৯ পাশ


লোকসভায় বিলটি ২২শে জুলাই পাশ হয়

আরটিআই আইনের ক্ষমতা খর্ব করার কোনও অভিপ্রায় নেই : ডঃ জিতেন্দ্র সিং

প্রকাশিত: 26 JUL 2019 9:37PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৬ জুলাই, ২০১৯

 

 

লোকসভায় পাশ হওয়ার পর আরটিআই সংশোধনী বিল, ২০১৯ গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে।

 

বিলটি রাজ্যসভায় পাশ হওয়া প্রসঙ্গে ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, এই আইনের ক্ষমতা খর্ব করার কোনও অভিপ্রায় সরকারের নেই। এমনকি, আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাগুলির ক্ষেত্রে কোনও রকম হস্তক্ষেপ না করার ব্যাপারেও মন্ত্রী আশ্বাস দেন। তথ্য কমিশনারদের কাজের মেয়াদ স্থির করা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানান যে, তথ্য কমিশনারদের কাজের মেয়াদ প্রতি দু’বছর অন্তর পরিবর্তনের ব্যাপারে বিরোধীরা যে অভিযোগ করেছে, সেকথা বিলের সংশোধনীতে কখনও উল্লেখ করা হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে সরকারের হাতে লাগামহীন ক্ষমতা নেই। সরকার সবপক্ষের মতামত বা পরামর্শ শোনার ব্যাপারে আগ্রহী এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আইনের সংশোধন করা হয়ে থাকে। আরটিআই সংশোধনী বিলটি রাজ্যসভার সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে সভার সদস্যদের মতামত জানানোর বিশেষ অধিকার রয়েছে। তবে, বিলটির গুরুত্ব অনুধাবনের ভিত্তিতে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হবে কিনা, তা স্থির হয়ে থাকে।

 

ডঃ সিং আরও জানান, সরকার সর্বদাই ‘সর্বোচ্চ সুশাসন, ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপ’ – এই নীতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি স্বপ্রত্যয়ন, ইন্টারভিউ প্রথা বাতিল প্রভৃতির মতো সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। এই সমস্ত উদ্যোগের উদ্দেশ্যই হ’ল – দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে সরকারি ব্যবস্থাকে আরও নাগরিক-কেন্দ্রিক করে তোলা। যে কোনও সময় আরটিআই দাখিল করার জন্য সরকার নাগরিকদের সুবিধার্থে মোবাইল অ্যাপ পরিষেবা চালু করেছে। বিগত পাঁচ বছরে অধিকাংশ সরকারি তথ্যই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে।

 

 

২

আরটিআই বিলে সংশোধন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন যে, কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা এবং নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেইহেতু, ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরীয় তথ্য কমিশনগুলির নির্দেশের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। তিনি সুস্পষ্টভাবে জানান, আরটিআই বিলে সংশোধনের ক্ষেত্রে সরকারের কোনও অভিপ্রায় নেই, বরং এই সংশোধন আরটিআই-কে আরও সুবিন্যস্ত করতে এবং আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

 

বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হয়নি। কারণ, পক্ষে ভোট পড়েছে ১১৭টি এবং বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৭৫টি।

 

উল্লেখ করা যেতে পারে, তথ্যের অধিকার (সংশোধন) বিল ২০১৯ গত ২২শে জুলাই লোকসভায় পাশ হয়। উদ্দেশ্য, মুখ্য তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনার সহ রাজ্যগুলির মুখ্য তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারদের কার্যকালের মেয়াদ, বেতন, ভাতা ও অন্যান্য বিচার্য বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

 

 

 

CG/BD/SB


(রিলিজ আইডি: 1580523) ভিজিটরের কাউন্টার : 122
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English