স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

সংসদে সর্বসম্মতভাবে মানবাধিকার (সংশোধন) বিল, ২০১৯ পাশ

প্রকাশিত: 23 JUL 2019 9:22PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৩ জুলাই, ২০১৯

 

 

সাংসদদের প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহের আন্তরিক আবেদনের পর তাঁদের সমর্থনে সর্বসম্মতভাবে মানবাধিকার সংশোধন বিল, ২০১৯ সোমবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে।

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অধ্যক্ষ ও সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্পর্কে শ্রী শাহ বলেন, এই কমিশনের নির্বাচন কমিটিতে সংসদের দুই কক্ষের বিরোধী নেতৃবৃবন্দ যেমন রয়েছেন, তেমনই প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, লোকসভার অধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার উপধ্যক্ষও রয়েছেন। তাই, এ ধরণের কমিটির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, বিগত ১৩ বছরে বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রেক্ষিতে মানবাধিকার সুরক্ষা বিলে সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধনের ফলে কমিশনের কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, মোদী সরকার মানবাধিকার কমিশনের নিরপেক্ষতা স্বায়ত্ত্বশাসন বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

 

মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতীয় ও রাজ্যস্তরে মানবাধিকার কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে মানবাধিকার সুরক্ষ আইন কার্যকর করা হয়। বিশ্ব মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন মঞ্চে মানবাধিকারের ব্যাপারে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, তার নিরসনের লক্ষ্যেই মানবাধিকার কমিশন সংশ্লিষ্ট আইনটিতে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব করে। কয়েকটি রাজ্য সরকারের কাছ থেকেও সংশ্লিষ্ট আইনটিতে সংশোধনের প্রস্তাব আসে। রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, বর্তমানে কার্যকর শর্ত ও যোগ্যতার ভিত্তিতে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের অধ্যক্ষ পদে উপযুক্ত ব্যক্তির নিয়োগে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

 

মানবাধিকার সুরক্ষা (সংশোধন) বিল, ২০১৯ – এ অন্তর্বর্তীকালীন যে সমস্ত আইনি সংস্থান রয়েছে, তা নিম্নরূপ –

ভারতের প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতিকেও কমিশনের অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ করা যেতে পারে।

 

কমিশনের সদস্য সংখ্যা ২ থেকে বাড়িয়ে ৩ করা, এদের একজন হবেন মহিলা সদস্যা।

 

 

 

কমিশনের আমন্ত্রিত সদস্য হিসাবে জাতীয় অনগ্রসর শ্রেণী কমিশনের অধ্যক্ষ, জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের অধ্যক্ষ এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য গঠিত কমিশনের প্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা।

 

জাতীয় ও রাজ্যস্তরীয় কমিশনগুলির অধ্যক্ষ তথা সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ ৫ থেকে কমিয়ে ৩ বছর করা। তবে, এরা সকলেই পুনর্নিয়োগের জন্যও বিবেচিত হতে পারেন।

 

রাজ্যস্তরীয় কমিশনগুলির অধ্যক্ষ পদে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি, হাইকোর্টের যে কোনও একজন বিচারককে নিয়োগ করা যেতে পারে।

 

 

 

CG/BD/SB


(রিলিজ আইডি: 1580011) ভিজিটরের কাউন্টার : 149
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English