কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আধার এবং অন্যান্য আইনের (সংশোধনী) সংক্রান্ত অধ্যাদেশ, ২০১৯ অনুমোদন করেছে

प्रविष्टि तिथि: 01 MAR 2019 1:56PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০১৬-র আধার আইনের সংশোধনী, ২০০৫-এর অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের সংশোধনী এবং ১৮৮৫-র ভারতীয় টেলিগ্রাম আইন সংশোধনী সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ জারি করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৯-এর ৪ জানুয়ারি লোকসভায় এ সংক্রান্ত যে বিল পাশ হয়েছে, অধ্যাদেশগুলির মূল বিষয়বস্তু হবে অনুরূপ।

নতুন সংশোধনীর ফলে ভারতের অনন্য পরিচিতি কর্তৃপক্ষ (ইউআইডিএআই)-কে জনস্বার্থে এবং আধারের অপব্যবহার রুখতে আরও বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নতুন এই সংশোধনের ফলে আইনসভায় পাশ হওয়া কোন আইন ছাড়া, কোন ব্যক্তিকে তাঁর পরিচিতি প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আধার সংখ্যা বিষয়ে প্রমাণ দিতে হবে না। নতুন এই অধ্যাদেশে স্বেচ্ছায় আধার সংখ্যা ব্যবহার এবং বৈদ্যুতিন ধরণে আধার সংখ্যার নথি যাচাইয়ের ব্যবস্থার সুবিধা থাকবে। অন্যদিকে, কোন ব্যক্তির প্রকৃত আধার সংখ্যা প্রকাশ করতে না চাইলে তার জন্য একটি ১২ সংখ্যার বিকল্প পরিচিতিজ্ঞাপক সংখ্যা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হবে। যে যে ক্ষেত্রে আধারের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা বজায় রাখার গ্যারান্টি দেওয়া হবে, একমাত্র সেখানেই আধার নথি যাচাইয়ের জন্য দেওয়া হবে। ১৮৮৫ সালের টেলিগ্রাম আইন এবং ২০০২-এর অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের জন্য কেওয়াইসি নথি হিসেবে স্বেচ্ছায় আধার সংখ্যা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হবে। বেসরকারি সংস্থাগুলি যাতে কোনভাবেই আধার সংখ্যা ব্যবহার করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে আধার আইনের ৫৭ নং ধারা তুলে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ভারতের অনন্য পরিচিতি কর্তৃপক্ষের একটি বিশেষ তহবিল গড়ে তোলার কথাও এই অধ্যাদেশে বলা হয়েছে। আধার আইন লঙ্ঘন করলে তার যথোপযুক্ত শাস্তির সংস্থানও এই অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে।

 

CG/PB/DM


(रिलीज़ आईडी: 1566888) आगंतुक पटल : 149
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English