প্রকাশিত:
28 FEB 2019 10:26PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ভারতে ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব ক্রমবর্ধমান। ২০০৪ সালে বছরে ৮ লক্ষ থেকে, ২০১৮-য় প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রোগী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেও আনুমানিক ২২.৫ লক্ষ ক্যান্সার রোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেঁচে রয়েছেন।
জাতীয় ওষুধ মূল্য নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ (এনপিপিএ) ২৬শে ফেব্রুয়ারি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিশেষ ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে ৪২টি তপশিল বহির্ভূত ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধকে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ২৭টি এই ধরণের তপশিলভুক্ত ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অধীনে রয়েছে। এর অতিরিক্ত হিসাবে ৪২টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিক্রয় মূল্যের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সীমা বেঁধে দিয়েছে। রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলার, ওষুধের স্টকিস্ট এবং খুচরো বিক্রেতাদেরকে এই নির্দেশ মেনে মূল্য হার নির্ধারণ করে এনপিপিএ-কে জানানোর জন্য বলা হয়েছে। এনপিপিএ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে যে ক্যান্সার প্রতিরোধী ১০৫টি ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের ফলে কমবে এবং বছরে ক্যান্সার রোগীদের মোট ২০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
CG/PB/DM