মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক

বিগত চার বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে সরকার ৩৩টি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে প্রকাশ জাভড়েকর

प्रविष्टि तिथि: 20 JUN 2018 11:10AM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৯ জুন, ২০১৮

 

       বিগত চার বছরে কেন্দ্রীয় সরকার ৩৩টি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষাব্যবস্হাকে শক্তিশালী করার জন্য। গতকাল নতুন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের চার বছরের সাফল্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভড়েকর। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, স্বল্পমূল্যে উন্নত মানের শিক্ষা প্রত্যেককে দেওয়ার জন্য বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে বিপুল পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষা অনেক বেশি সহজলভ্য ও উন্নতমানের হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে, বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সত্যপাল সিং এবং মন্ত্রকেরই অপর প্রতিমন্ত্রী শ্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহা।

       শিক্ষা সংক্রান্ত নতুন উদ্যোগগুলি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শ্রী জাভড়েকর বলেন, প্রত্যেক ক্লাসেই প্রত্যেকটি বিষয় একজন ছাত্র বা ছাত্রী কতটা অনুধাবন করতে পারছে তার উপর শিক্ষার ফল অনেকখানি নির্ভর করে। বিদ্যালয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের দায়িত্ববোধের ওপরও এটি অনেকটা নির্ভর করে বলে মন্ত্রী মনে করেন। তিনি আরও বলেন, বিগত চার বছরে ১০৩টি নতুন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় এবং ৬২টি নতুন নবোদয় বিদ্যালয় খোলা হয়েছে।

       পৃথিবী বৃহত্তম মূল্যায়ণ সমীক্ষা হচ্ছে জাতীয় মূল্যায়ণ সমীক্ষা-বলে মন্তব্য করেন শ্রী জাভড়েকর। তিনি বলেন, এই সমীক্ষার তৃতীয়, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণীর ২২ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর মূল্যায়ণ করা হয়। মূল্যায়ণ করা হয় দশম শ্রেণীর ১৫ লক্ষ ছাত্রছাত্রীরও।

       পাশ-ফেল নীতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, সংসদে ২০১৭-র বিণামূল্যে বাধ্যতামূলক শিক্ষা অধিকার (সংশোধিত) বিলটি পেশ করা হয়েছে এবং প্রস্তাবিত সংশোধনের প্রেক্ষিতে রাজ্যগুলি পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে পরীক্ষা নেবে। কোন ছাত্র বা ছাত্রী দ্বিতীয়বার ফেল করলে তাকে একই শ্রণীতে রেখে দেওয়া হবে। এর ফলে একই শ্রেণীতে পুনরায় পড়াশোনা করতে হবে সে ছাত্র বা ছাত্রীকে যাতে তার ফল পরবর্তীতে আরও ভালো হয়। শিক্ষকদের শিক্ষা প্রসঙ্গে শ্রী জাভড়েকর বলেন, স্বয়ম মঞ্চে একটি পাঠ্যক্রমে সামিল হয়েছেন যোগ্যতাহীণ ১৪ লক্ষ ডিইআইইডি শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং প্রথম বছরের পরীক্ষাটি সফলভাবে পরিচালনা করা গিয়েছে।

       শ্রী জাভড়েকর আরও বলেন, সরকার পাঠ্যক্রম সরল করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং ৩৭ হাজার মানুষ এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানিয়েছেন যাতে পাঠ্যক্রম কমানো হয়। এই প্রেক্ষিতে সঠিক মানের শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রত্যেক বছরই সমগ্র শিক্ষার অন্তর্গত বাজেট ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। প্রত্যেক বছর ১১.৪ লক্ষ বিদ্যালয়ের জন্য টাটকা খাবার দেওয়া হয় বলেও তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান।

       উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বিগত চার বছরে ১৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে, ১৪টি আইআইআইটি, সাতটি আইআইটি, সাতটি আইআইএম এবং একটি এনআইটি খোলা হয়েছে বলেও মন্ত্রী কথাপ্রসঙ্গে জানান।

 

SSS/NS/…


(रिलीज़ आईडी: 1535965) आगंतुक पटल : 96
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English